২ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

যুব তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদকের সংবর্ধনাকে ঘিরে দলেরই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ, জখম ৪

Published by: Tiyasha Sarkar |    Posted: August 4, 2020 1:36 pm|    Updated: August 4, 2020 1:36 pm

An Images

শাহাজাদ হোসেন, ফরাক্কা: তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠল মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) সামশেরগঞ্জ। মঙ্গলবার নব নিযুক্ত যুব তৃণমূলের রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলামের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের প্রস্তুতিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে জড়ায় তৃণমূলেরই দুই গোষ্ঠীর সদস্যরা। পুলিশের উপস্থিতিতে পরিস্থিতি আয়ত্তে এলেও এখনও থমথমে এলাকা। জখম হয়েছেন মোট ৪ জন।

জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার বিকেলে সামশেরগঞ্জের (Samsherganj) তিনপাকুড়িয়ার দেবীদাসপুরে সংবর্ধনা দেওয়ার কথা ছিল নব নিযুক্ত যুব তৃণমূলের (TMC) রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক তথা বিধায়ক আমিরুল ইসলামকে। সেই কারণে সোমবার মঞ্চ বাঁধার কাজ করছিলেন স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য মহিবুল ইসলাম। অভিযোগ, সেই কাজে বাধা দেয় জেলাপরিষদের জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ দপ্তরের কর্মাধ্যক্ষ আনারুল হক বিপ্লবের অনুগামীরা। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। তখন সাময়িকভাবে পরিস্থিতি আয়ত্তে চলে আসে।

Murdhidabad

[আরও পড়ুন: গভীর নিম্নচাপের জেরে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণবঙ্গে, চিন্তা আমফান বিধ্বস্ত এলাকায়]

অভিযোগ, মঙ্গলবার সকালে তিনপাকুড়িয়া গ্রামপঞ্চায়েতের অঞ্চল সভাপতি তথা পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ সহিদুল আলম অনুষ্ঠানের কাজ করতে গেলে ফের তাঁকে বাধা দেয় আনারুল হকের অনুগামীরা। তা নিয়ে শুরু হয় বাকবিতণ্ডা। সাতসকালে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে শাসকদলের ২ গোষ্ঠীর সদস্যরা। লাঠি নিয়ে একে অপরের উপর হামলা করে। মুহূর্তে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় এলাকা। গুরুতর জখম হয় সহিদুল আলম-সহ মোট চারজন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। দীর্ঘক্ষণ পর নিয়ন্ত্রণে আসে পরিস্থিতি। জানা গিয়েছে, এই অশান্তির কারণে বাতিল করা হয়েছে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। এলাকায় টহল দিচ্ছে পুলিশ। এখনও থমথমে এলাকা। তবে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে এই অশান্তির ঘটনায় বেশ অস্বস্তিতে জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব। একাংশের দাবি গোটা বিষয়ের নেপথ্যে রয়েছে গেরুয়া শিবির। 

[আরও পড়ুন: চৈত্র সেলের মতো ‘করোনা সেল’-এর পোস্টার! পুর প্রশাসনের নজরে পড়তেই বিতর্কে বস্ত্র ব্যবসায়ী]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement