সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মেদিনীপুরের রামমন্দির (Ram Mandir) নিয়ে ফের তুঙ্গে তৃণমূল-বিজেপি তরজা। পূ্র্ব ঘোষিত কর্মসূচি সত্ত্বেও বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ গিয়ে দেখলেন মন্দির তালা বন্ধ। নেই পুরোহিত। এই ঘটনার জন্য শাসকদলকে বিঁধেছেন দিলীপ। পালটা দিয়েছেন মেদিনীপুর পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমেন খান।
অযোধ্যায় রামমন্দির উদ্বোধন হওয়ার আগেই মেদিনীপুরে দ্বার উদঘাটন হয়েছে রামমন্দিরের। উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল বিধায়ক জুন মালিয়া। তা নিয়ে কটাক্ষ করতেও ছাড়েনি বিজেপি। ফের মেদিনীপুরের সেই রামমন্দিরকে কেন্দ্র করে দানা বাঁধল বিতর্ক। জানা গিয়েছে, পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সোমবার সন্ধেয় ওই মন্দিরে যান দিলীপ ঘোষ। গিয়ে দেখেন, মন্দির তালা বন্ধ। এর পর ফোন করে চাবি আনানোর ব্যবস্থা করা হয়। এর পর মন্দির খোলা হয়। প্রবেশ করেন দিলীপ।
[আরও পড়ুন: ‘বেশরম’ হওয়াই শাস্তি! ক্যাটরিনা-আলিয়া ডাক পেলেও অযোধ্যায় ব্রাত্য দীপিকা?]
গোটা ঘটনাটি মোটেই ভালোভাবে নেননি বিজেপি সাংসদ। তিনি বলেন, “ফোন করে মন্দিরের চাবি আনতে হয়েছে। পণ্ডিতকে মন্দিরে আসতে বারণ করে দেওয়া হয়েছে। যাদের বাধা দেওয়া অভ্যেস, তারা চেষ্টা করেছে। মন্দিরের চাবি প্রশাসন দিতে চাইনি আমাদের। শেষ অবধি চাবি জোগাড় হয়েছে।” মন্দিরের পাশে থাকা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেকের পোস্টার নিয়ে কটাক্ষ করেন দিলীপ। বলেন, দৃশ্যদৃষণ হচ্ছে। যা মোটেও ভালো ভাবে নেয়নি স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। পালটা আক্রমণ করেছেন তাঁরা। পালটা তাঁদের প্রশ্ন, “কেন দিলীপবাবুরা মন্দির করলেন আগে?”
[আরও পডু়ন: ‘ভেবেচিন্তে কথা বলুন…’, রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠার দিনই কেন এমন কথা মিঠুনের মুখে?]
সর্বশেষ খবর
-
যা কিছু নাগালে, খুদে সব পুরছে মুখে, একরত্তির গলায় কিছু আটকালে কী করবেন নতুন বাবা-মা?
-
গণেশপুজো হয়ে উঠুক পরিবেশবান্ধব, ঘরেই ময়দা-হলুদে রূপ দিন সিদ্ধিদাতার
-
‘বিচ্ছেদ যন্ত্রণা ভুলে…’, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকেই ‘বিগ বস’ প্রতিযোগী ইশাকে পরামর্শ সলমনের!
-
‘বিরোধীরা জিতলে রাহুল প্রধানমন্ত্রিত্বের পদ দাবি করতেই পারেন’, মন্তব্য সিপিএমের সাধারণ সম্পাদকের
-
পুজোর আগেই সুখবর! হাসিনা কাঁটা সরিয়ে চালু হচ্ছে ঢাকা-কলকাতা মৈত্রী, বন্ধন এক্সপ্রেস