১ মাঘ  ১৪২৫  বুধবার ১৬ জানুয়ারি ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফিরে দেখা ২০১৮ ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, দুর্গাপুর: খোলা মুখ খনিতে মাছ ছড়াল মৎস্য দপ্তর৷ আসানসোল-দুর্গাপুরের পরিত্যক্ত খোলা মুখ খনিগুলিতে মাছ চাষের মাধ্যমে স্থানীয়দের আর্থিক শ্রীবৃদ্ধি ঘটানোই লক্ষ্য মৎস্য দপ্তরের৷ দুই সপ্তাহ ধরে মোট ২৩টি খোলা মুখ খনিতে ৩৬ ইউনিট মাছ ছাড়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পশ্চিম বর্ধমান মৎস্য দপ্তর৷

[‘তিতলি’-র প্রভাবে বিপর্যস্ত ঝাড়গ্রাম, মৃত্যু যুবকের]

এক একটি ইউনিটে সাড়ে ১৭ হাজার করে তিন থেকে চার ইঞ্চির চারা পোনা মাছ ছাড়া হয়েছে বলে খবর৷ জেলা ভাগের পর এই প্রথম খোলা মুখ খনিতে মাছ ছাড়া হয়েছে৷ এরমধ্যে আসানসোলের সালানপুরে আটটি খোলা মুখ খনিতে মাছ ছাড়া হয়েছে৷ অন্ডালে দুটি, রানিগঞ্জে তিনটি, বারাবনিতে একটি, জামুরিয়াতে দুটি ও পাণ্ডবেশ্বরে সাতটি খোলা মুখ খনিতে মাঠ ছেড়েছে মৎস্য দপ্তর৷ বড় খোলা মুখ খনিতে দুটি ইউনিট ও তুলনায় ছোট খোলা মুখ খনিগুলিতে একটি করে ইউনিট মাছ ছাড়া হয়েছে৷ প্রথম পর্যায়ে ৩৬ ইউনিট মাছ ছাড়া হলেও আরও বেশ কয়েকটি ইউনিট মাছের চারা দ্বিতীয় পর্যায়ে ছাড়া হবে বলে মৎস্য দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে৷ মোট ২৪টি স্বনির্ভর গোষ্ঠী এই খোলা খনিতে মাছ চাষ করবে৷ প্রতিটি গোষ্ঠীতে ১০ জন করে সদস্য আছেন৷ রানিগঞ্জে দুটি নতুন খোলা মুখ খনিতে এবারই প্রথম মাছ ছাড়া হল বলে জানা গিয়েছে৷

[চার বছর পর দেবীপক্ষে বাড়ি ফিরল হারানো ছেলে]

রানিগঞ্জের পরিত্যক্ত ঘনশ্যাম-ভ্ল ও খোলা মুখ খনিতে এবারই প্রথম একটি নতুন স্বনির্ভর গোষ্ঠীর জন্যে মাছের চারা ফেলেছে মৎস্য দপ্তর৷ এর আগেও মৎস্য দপ্তর খোলা মুখ খনিতে মাছ ছাড়লেও তা খুব বেশি জনপ্রিয় হয়নি৷ পুকুর বা জলাশয়ের গভীরতা কম থাকায় সেখানে মাছ চাষ বা তা ধরা সম্ভব হয়৷ কিন্তু, অতি গভীরতার জন্য খোলা মুখ খনিতে মাছ চাষ বা ধরা বাস্তবে অসম্ভব হয়ে পড়ে৷ মাছের জলজ খাদ্যও স্বাভাবিক উপায়ে তৈরিও হয় না খোলা মুখ খনিতে৷ বাইরে থেকে খাবার দিতে হয়৷ আবার যেহেতু সহজে খোলা মুখ খনি থেকে মাছ ধরা যায় না তাই বাড়তে থাকে মাছের পরিমাণ৷ একসময় আর তোলাই যায় না মাছ৷ তাই খোলা মুখ খনিতে মাছ চাষের ইচ্ছাই দেখান না স্থানীয় মৎস্যজীবীরা৷ তাই উৎসাহ বৃদ্ধি করতে এবার খোলা মুখ খনিতে ভিন্ন উপায়ে মাছ ছাড়ছে মৎস্য দপ্তর৷ পশ্চিম বর্ধমানের মৎস্য দপ্তরের সহ-অধিকর্তা অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, ‘‘খোলা মুখ খনিতে মাছ চাষের অন্য একটি বিশেষ সুবিধাও রয়েছে৷ এখানে তাড়াতাড়ি মাছ বড় হয়৷ ফাঁস জালের সাহায্যে মাছ ধরলে তা ধরা সম্ভব৷ সেই পতিতে মাছ ধরার কৌশলও শেখানো হবে মৎস্যজীবীদের৷”

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং