দেবব্রত মণ্ডল, বারুইপুর: ফের তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষে উত্তপ্ত দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তী। তৃণমূলের যুব এবং মূল সংগঠনের মধ্যে দ্বন্দ্বে ভোররাতে চলল গোলাগুলি। গুলিতে নিহত এক তৃণমূল কর্মী। আহত ১২ জন।অভিযোগের তির যুব তৃণমূলের দিকে। ঘটনার তদন্তে নেমেছে বাসন্তী থানার পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে খবর, বুধবার ভোর চারটে নাগাদ বাসন্তীর ফুলমালঞ্চ এলাকায় আচমকাই যুব তৃণমূলের সদস্যদের সঙ্গে বিবাদ বাঁধে স্থানীয় তৃণমূল কর্মী, সদস্যদের। বাকবিতণ্ডা চরমে ওঠায় শুরু হয়ে যায় গোলাগুলি। অভিযোগ, যুব তৃণমূলের সদস্যরা গুলি চালায়। দফায় দফায় চলে বোমাবাজিও। তাতেই ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয়েছে একজনের। মৃত পঞ্চাশোর্ধ্ব নবীর আলি মোল্লা। জানা গিয়েছে, তিনি ভোরবেলা বাড়ি থেকে বেরিয়ে মসজিদে নমাজ পড়তে যাচ্ছিলেন। সেসময় গুলি তাঁর শরীর ফুঁড়ে বেরিয়ে যায়। আহত হয়েছেন দু পক্ষের আরও ১২ জন। তাঁদের সকলকে স্থানীয় হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে।
[আরও পড়ুন: মিলেছে ICMR-এর অনুমোদন, এবার থেকে কল্যাণীর জেএনএম হাসপাতালেও হবে করোনা পরীক্ষা]
দিনের শুরুতে, ভোরবেলা এমন ধুন্ধুমার ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে ফুলমালঞ্চ এলাকায়। বাসন্তীতে যুব তৃণমূল এবং মূল সংগঠনের মধ্যে এ ধরনের দ্বন্দ্ব নতুন নয়। তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে মাঝেমধ্যেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে দক্ষিণ ২৪ পরগনার এই অঞ্চল। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে একাধিকবার হুঁশিয়ারি দেওয়া সত্ত্বেও দুই সংগঠনের মধ্যে বচসা কমেনি। আজ ভোরের ঘটনা তারই একটা উদাহরণ মাত্র। তবে এ দিনের ঘটনা যে গোষ্ঠী সংঘর্ষের ফল, তা কার্যত মেনে নিয়েছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। এলাকা দখল ঘিরেই যে এধরনের সংঘর্ষ ঘটেছে, তাও স্বীকার করেছেন দলের প্রাক্তন নেতারা। এই মুহূর্তে এলাকা থমথমে। অশান্তি এড়াতে মোতায়েন বাসন্তী থানার পুলিশ বাহিনী। শুরু হয়েছে তদন্ত।
[আরও পড়ুন: রায়গঞ্জে পরপর ৯টি কুকুরের প্রাণহানি, ছোঁয়াচে রোগে মৃত্যু বলে অনুমান বিশেষজ্ঞদের]
সর্বশেষ খবর
-
কম ফ্যাটের দই মানেই ভেজাল নয়, ২৬ বছর পর হাই কোর্টে বেকসুর খালাস কৃষ্ণনগরের মিষ্টি ব্যবসায়ী
-
টাকা দিয়ে দেবীদর্শন! বদলের বঙ্গে বন্ধ হচ্ছে পুজোর ‘বিতর্কিত’ প্রিভিউ শো?
-
মন্দির ধসে পড়লেও নড়ানো যাচ্ছে না বজরংবলীকে! উজ্জয়িনীতে ‘অলৌকিক’ কাণ্ড, ভাইরাল ভিডিও
-
বনগাঁ আদালতে আইনজীবী সেজে প্রতারণা! ৩ জনকে আটক করল পুলিশ
-
৫ মাসে ২৩ ফাঁসির নির্দেশ, খুনের হুমকির মুখে সেই বিচারক বললেন, ‘ভয় পাওয়ার চেয়ে মরে যাওয়া ভালো’