সুব্রত বিশ্বাস: রাজ্যের উন্নয়নে রেল খাতে খামতি রাখা চলবে না। ২০২৪ সালের মধ্যে শেষ করতে হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ও মুকুল রায় রেলমন্ত্রী থাকাকালীন রাজ্যের রেলের অনুমোদিত প্রকল্পগুলির কাজ। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য ডাবল লাইন, থার্ড লাইনের কাজ ও সিগন্যালের উন্নয়ন। শুধু রাজ্যের মধ্যে এই লাইনের কাজে রেল খরচ করবে ২৯৮৯ কোটি টাকা।
রেল বোর্ড সম্প্রতি ‘রেল ভিশন ২০২৪’ প্রকাশ করেছে। যাতে রাজ্যের এই প্রকল্পগুলির জন্য বরাদ্দ অর্থের অনুমোদনের পরিমাণও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। উত্তরবঙ্গের আমবাড়ি, ফালাকাটা থেকে নিউ ময়নাগুড়ি ডাবল লাইনের কাজ অনুমোদিত হয় ২০১১-১২ সালে। সম্প্রতি কাজটি শেষ হওয়ার কথা। নিউ ময়নাগুড়ি-গুমানিহাট ডাবল লাইনের কাজ শেষ হবে খুব দ্রুত। গত ২০১৮-১৯ সালে অনুমোদন পায় পুরুলিয়া থেকে কোটশিলা পর্যন্ত ডাবল লাইনের কাজ। আগামী ২০২৪ সালের মার্চে শেষ হওয়ার কথা তারকেশ্বর থেকে বিষ্ণুপুর নতুন লাইনের কাজ। রাজ্যের ট্রেন বাড়ানোর মতো পরিকাঠামো তৈরি করতে উদ্যোগী হয়েছিলেন তৎকালীন রেলমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
[আরও পড়ুন: ‘কাজ হারানোর ভয়ে তৃণমূলে যোগ শিল্পীদের’, শাসকদলের তারকা চমক নিয়ে কটাক্ষ দিলীপের]
রাজ্যের মধ্যে পূর্ব, দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের এই প্রকল্পগুলির কাজ শেষ হলে মালগাড়িকে আলাদা লাইনে চালানো হবে। পাশাপাশি, যাত্রীবাহী ট্রেনের লাইনে চাপ কমায় বাড়বে গতি। এমনকী নতুন নতুন ট্রেন চালানোর সম্ভাব্য রাস্তাগুলি খুলে যাবে। খুব শিগগির লাইনগুলি তৈরির কাজ শেষ করার জন্য নির্ধারিত লক্ষ্য বেঁধে দিয়েছে রেল বোর্ড। সম্প্রতি ঘোষিত বাজেটে রাজ্যের এই প্রকল্পের জন্য প্রচুর অর্থ বরাদ্দ করেছে কেন্দ্র। যদিও ভোটের পালে হাওয়া তুলতে এই কাজে গতি আনা হচ্ছে বলে বিরোধীরা মত প্রকাশ করেছে।
[আরও পড়ুন: পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তা পরিচয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় মেসেজ, আর্থিক প্রতারণার চেষ্টা! শুরু তদন্ত]
সর্বশেষ খবর
-
নিট-কাণ্ডে দেশজুড়ে আন্দোলনের পরিকল্পনা কংগ্রেসের, কাঁটা ঝাড়খণ্ড, কোন পথে তৃণমূল?
-
পিতৃহারা মেসিকে গোল উৎসর্গ, জার্সি খুলে বিশেষ বার্তা ‘বন্ধু’ ডি পলের, ভাইরাল ভিডিও
-
‘দল ভারী করার নামে ‘চোর-বাটপাড়’দের বিজেপিতে নয়’, কড়া বার্তা বিজেপি বিধায়কের
-
ভারত ছাড়ো আন্দোলনকে স্মরণ, স্বাধীনতা সংগ্রামীদের বীরত্ব ও আত্মত্যাগকে কুর্নিশ মুখ্যমন্ত্রীর
-
মৃত্যু জল্পনার মাঝেই মোজতবার প্রথম ভিডিও প্রকাশ ইরানের! কোথায় আছেন সুপ্রিম লিডার?