Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৫ জুলাই ২০২৬

হায়দরাবাদে গিয়ে নিখোঁজ জলপাইগুড়ির প্রাক্তন শিক্ষক

মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হতে চলেছে পরিবার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৪, ২০১৮, ০৩:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৪, ২০১৮, ০৩:৪২

options
link
হায়দরাবাদে গিয়ে নিখোঁজ জলপাইগুড়ির প্রাক্তন শিক্ষক zoom
ফাইল ছবি।

নিজস্ব সংবাদদাতা: হায়দরাবাদে চিকিৎসা করাতে গিয়ে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ জলপাইগুড়ির এক প্রাক্তন শিক্ষক। প্রায় ২০ দিন অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তাঁকে না পেয়ে এবার মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হতে চলেছেন পরিবারের লোকজন। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গত ১৪ ডিসেম্বর পেটের সমস্যার চিকিৎসা করতে স্ত্রী, মেয়ে, জামাইকে নিয়ে হায়দরাবাদের উদ্দেশে রওনা দেন ক্রান্তিহাটের বাসিন্দা চিকনমাটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক সত্যেন্দ্রনাথ ঘোষ (৭৭)।

[ইজরায়েলের সঙ্গে বিপুল অঙ্কের অস্ত্র চুক্তি বাতিল করল ভারত]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বড় মেয়ে রীতা ভৌমিক জানান, ১৬ ডিসেম্বর হায়দরাবাদে গিয়ে পৌঁছন বাবা, মা, বোন এবং ভগ্নিপতি। সেদিন সকালেই এশিয়ান ইনস্টিটিউট অফ গ্যাস্ট্রোলজিতে গিয়ে ডাক্তার দেখান বাবা। হাসপাতালের উলটো দিকের হোটেলেই থাকার ব্যবস্থা ছিল সকলের। ডাক্তার দেখানোর পর হাসপাতাল থেকে হোটেলে ফিরেও আসেন সকলে। বেলা তিনটে নাগাদ আবার হোটেল থেকে হাসপাতালের দিকে রওনা হন সত্যেন্দ্রনাথ বাবু। তারপর থেকেই রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ তিনি।

হোটেল থেকে বের হওয়ার সময় সঙ্গে ছিল ২৫ টাকা। পরিবারের সন্দেহ অপহরণ করা হয়েছে তাঁকে। বেশ কয়েক বছর আগে দুর্ঘটনায় একটি হাত কাটা গেলেও ৭৭ বছর বয়সেও যথেষ্ট সক্ষম ছিলেন তিনি। শুধুমাত্র পেটের রোগ সম্প্রতি ভোগাচ্ছিল তাঁকে। জানা গিয়েছে, হাসপাতাল, হোটেল, রাস্তায় অনেক খোঁজাখুঁজির পর না পেয়ে হায়দরাবাদে পাঞ্জাগুটা থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়। খোঁজ পেতে পোস্টার ছাপিয়ে হায়দরাবাদের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় টাঙিয়ে দেওয়াও হয়েছে। তারপরও খোঁজ না পেয়ে কার্যত হতাশ হয়েই জলপাইগুড়ি ফিরে আসেন পরিবারের লোকজন। ফিরে এসে যোগাযোগ করেন জলপাইগুড়ির সাংসদ বিজয়চন্দ্র বর্মনের সঙ্গে। বুধবার জলপাইগুড়ির পুলিশ সুপারের সঙ্গেও যোগাযোগ করেন তাঁরা।

ছেলে পুলক ঘোষের অভিযোগ, হায়দরাবাদ পুলিশ প্রশাসন বিষয়টিকে সেভাবে গুরুত্ব দিয়ে দেখছে না। হাসপাতাল এবং হাসপাতালের বাইরের সিসিটিভির ফুটেজ দেখার কথা বলা হলেও বিষয়টিকে তারা গুরুত্ব দেয়নি। ফিরে এসে এবার মুখ্যমন্ত্রীর সাহায্য চেয়ে আবেদন জানাতে চলেছেন তাঁরা। সেই সঙ্গে সাংসদের সঙ্গেও দেখা করে সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছেন। সাংসদ বিজয়চন্দ্র বর্মন জানান, বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। এবিষয়ে হায়দরাবাদ পুলিশ প্রশাসন এবং সেখানকার সাংসদের সঙ্গেও যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে আবেদন জানাবেন তিনি।

[মুখ্যমন্ত্রীর আঁকা রাজ্যের লোগোকে স্বীকৃতি মোদি সরকারের]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.