Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৩ জুন ২০২৬
UPSC

দারিদ্রের সঙ্গে যুদ্ধ করেই সিভিল সার্ভিসে পাশ, ঝাড়গ্রামের আব্বাসের সাফল্যে উচ্ছ্বসিত পরিবার

আব্বাসের পরবর্তী লক্ষ্য ইউপিএসসি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৭, ২০২৩, ১৪:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৭, ২০২৩, ১৪:০২

options
link
দারিদ্রের সঙ্গে যুদ্ধ করেই সিভিল সার্ভিসে পাশ, ঝাড়গ্রামের আব্বাসের সাফল্যে উচ্ছ্বসিত পরিবার zoom

সুনীপা চক্রবর্তী, ঝাড়গ্রাম: দারিদ্রের সঙ্গে লড়াই করে অবশেষে স্বপ্নপূরণ। টিউশন করে সংসার চালিয়ে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় সফল ঝাড়গ্রাম জেলার বিনপুর ১ নম্বর ব্লকের নয়াগ্রামের শেখ জাহির আব্বাস। সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার রেভিনিউ সার্ভিস গ্রুপের (A জেনারেল) পরীক্ষায় ১১৪ ব়্যাঙ্ক করেছেন তিনি। ওবিসিতে তাঁর ব়্যাঙ্ক ৯।
তাঁর সাফল্যে খুশি গ্রামবাসীরা।

নয়াগ্রামের শেখ সেলিম ও মলিদা বিবির ছেলে শেখ জাহির আব্বাস। ছোটবেলা থেকে আর্থিক সমস্যার মধ্যে দিয়ে সে বড় হয়েছে। তাঁর বাবা দর্জি ছিলেন। কিন্তু গত প্রায় পাঁচ বছর ধরে তিনি কাজ আর করেন না। আব্বাস টিউশন করেই সংসার চালান। এদিকে বরাবরই পড়াশোনায় ভাল আব্বাস। বিনপুর হাই স্কুলে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পড়ার পর মেদিনীপুর আবাসিক থেকে গোবিন্দনগর মুসলিম হাই স্কুলে ভরতি হন তিনি। সেখান থেকে ৮৭. ২৫ শতাংশ নম্বর নিয়ে মাধ্যমিক পাস করেন। এরপর বাগনানে হাল্লান হাই স্কুল থেকে ৮১ শতাংশ নম্বর নিয়ে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। মেদিনীপুর কলেজ থেকে কেমিস্ট্রি অনার্স করেন। লেখাপড়ার জন্য যখন যেখানে থেকেছেন বাড়ি ভাড়া নিয়ে টিউশন পড়িয়েছেন আব্বাস। নিজের হাত খরচের পাশাপাশি সংসার চালিয়েছেন তিনি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘মমতাকে হারাবই’, লোকসভা ভোটে কাঁথি, তমলুক নিয়ে চ্যালেঞ্জ শুভেন্দুর]

পরিশ্রমের ফল মিলল অবশেষে। শুক্রবার সন্ধেয় জানতে পারলেন সিভিল সার্ভিসে উত্তীর্ণ তিনি। আব্বাসের নিজের একটি ইউটিউব চ্যানেল রয়েছে। সেখানে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় কীভাবে প্রস্তুতি নিতে হয় সেই বিষয়ে গুলি সম্পর্কেও মানুষকে জানান তিনি। আব্বাস বলেন, “ছোটবেলা থেকে যখন দেখতাম ভাল নম্বর পেলে মানুষ প্রসংশা করছেন, তখনই বুঝেছি লেখাপড়ার গুরুত্ব। বাবা, মার বিশ্বাস ছিল আমি পারব। তাদের বিশ্বাস আমার কাছে অনুপ্রেরণার কাজ করেছে। এই সাফল্য তাদের জন্যই। আমি সব সময় চেষ্টা করব মানুষ যাতে সরকারি পরিষেবা থেকে বঞ্চিত না হন তা দেখার। মানুষের পাশে থাকতে চাই। এবার ইউপিএসসি পরীক্ষা আমার পরবর্তী লক্ষ্য।”

[আরও পড়ুন: এগরার পর দত্তপুকুর, বাজি কারখানায় বিস্ফোরণে ৬-৭ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.