Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ আশ্বিন ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Maldah Flood

৩ ঘণ্টা জল ভেঙে খাবার নিতে যাচ্ছেন দুর্গতরা! বুক সমান জলে ত্রাণের জন্য হাহাকার ভূতনিতে

নৌকা নেই। খিদের জ্বালায় ভাই কেঁদেই চলেছে। তাই ত্রাণের খাবার জোটাতে টিনের ডোঙায় প্রায় তিন ঘন্টা গঙ্গার জলে ভেসে সরকারি কর্তাদের খুঁজে ফিরেছে বছর দশের দিদি।

বিশ্বজ্যোতি ভট্টাচার্য
বিশ্বজ্যোতি ভট্টাচার্য

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬, ১৩:০৩

link
বিশ্বজ্যোতি ভট্টাচার্য
বিশ্বজ্যোতি ভট্টাচার্য

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬, ১৩:০৩

options
link
৩ ঘণ্টা জল ভেঙে খাবার নিতে যাচ্ছেন দুর্গতরা! বুক সমান জলে ত্রাণের জন্য হাহাকার ভূতনিতে zoom
ত্রাণের জন্য ডোঙা নিয়ে যাচ্ছে ছোটরাও। ছবি-সংগৃহীত
Advertisement

নৌকা নেই। খিদের জ্বালায় ভাই কেঁদেই চলেছে। তাই ত্রাণের খাবার জোটাতে টিনের ডোঙায় প্রায় তিন ঘন্টা গঙ্গার জলে ভেসে সরকারি কর্তাদের খুঁজে ফিরেছে বছর দশের দিদি। শুক্রবার বানভাসি ভূতনির এমন ছবি জানান দিয়েছে। দিন যত গড়াচ্ছে কতটা কঠিন হচ্ছে অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। বুক সমান জলে দাঁড়িয়ে ত্রাণের জন্য হাহাকার এখন ভূতনির দৈনন্দিন ঘটনা। অনেকটাই সয়ে গিয়েছে নৌকা থেকে ছুঁড়ে দেওয়া খাবার নিতে জলে নেমে কাড়াকাড়ির করুন দৃশ্য।

অথচ এদিনও মানিকচক ব্লক প্রশাসনের তরফে নৌকায় পর্যাপ্ত ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তবু কেন ত্রাণের জন্য এমন হাহাকার! ডোঙায় ভেসে দিনভর ত্রাণের জন্য প্রতীক্ষা! সেটা খতিয়ে দেখতে মালদহ জেলা বিজেপির একদল প্রতিনিধি শুক্রবার বানভাসি বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন। সেখানকার বিপন্নদের কাছে জানতে চান সত্যি তারা খাবার পাচ্ছে কিনা। এদিনও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গিয়েছে, আতঙ্ক থেকে বানভাসিদের অনেকে কিছুটা সঞ্চয়ের কথাও ভাবছেন। আবার প্রত্যন্ত এমন অনেক এলাকা রয়েছে যেখানে সবে ত্রাণ পৌঁছাতে শুরু করেছে। তাই পরিস্থিতি মোটেও স্বাভাবিক নয়। জেলা প্রশাসনের কর্তাদের দাবি, বিগত বন্যার তুলনায় এবার অনেক বেশি ত্রাণ দেওয়া হয়েছে। এখনও ত্রাণ বিলি চলছে। ২২টি ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন ৭হাজারের বেশি মানুষ। শুক্রবার গঙ্গার জলস্তর ১৫ সেন্টিমিটার নামতে আরও বেশি করে ঝাপিয়ে পড়েছে প্রশাসন। এতদিন যে এলাকাগুলোতে যাওয়া সম্ভব হয়নি সেখানে ত্রাণের নৌকা পৌঁছে যেতে শুরু করেছে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, চলতি মরশুমে গঙ্গার জলস্তর বেড়ে সর্বোচ্চ ২৬.০৭ মিটার হয়েছিল।
জলবন্দি ভূতনি।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

শুক্রবার সকালে জলস্তর কমে দাঁড়িয়েছে ২৫.৫১ মিটারে। যদিও এখনও জলস্তর চরম বিপদসীমার চেয়ে ২১ সেন্টিমিটার উপরে রয়েছে। জল নামতে বিভিন্ন এলাকায় জেগে উঠতে শুরু করেছে চর। বহু বাড়ি থেকেও জল নামতে শুরু করেছে। গঙ্গার আপার ক্যাচমেন্টে জল কমা এবং স্থানীয়ভাবে বৃষ্টি না হওয়ায় পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। নতুন করে বিহার, উত্তরপ্রদেশ অথবা স্থানীয় এলাকায় ভারী বৃষ্টি না হলে পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হবে এমনই আশা করছেন প্রশাসনের কর্তারা। জল নামার পর জলবাহিত রোগের প্রকোপ এবং নতুন করে নদীভাঙনের আশঙ্কা থাকায় সেদিকেও নজর রাখা হচ্ছে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.