সুমন করাতি, হুগলি: ভোটের মরশুমে বিদায়ী সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়ের (Locket Chatterjee) নামে নিখোঁজ পোস্টার হুগলিতে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তুমুল চাঞ্চল্য এলাকায়। বিজেপির দাবি, এই পোস্টার কাণ্ডের নেপথ্যে তৃণমূল। যদিও শাসকদল এই অভিযোগকে গুরুত্ব দিতে রাজি নয়।
রবিবার চুঁচুড়ায় জনসভা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। এদিনই হুগলি লোকসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন এলাকায় দেখা গেল বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়ের নামে নিখোঁজ পোস্টার। তাতে লেখা, “লকেট মানেই পালাই, জানে হুগলি, জানে সবাই।” ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্বাভাবিকভাবেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় চাপানউতোর। এবিষয়ে বিজেপির জেলা ও ব্লক স্তরের নেতৃত্বরা জানান, “যত এমন নিখোঁজ পোস্টার পড়বে, ততই লকেট চট্টোপাধ্যায়ের ভোটের ব্যবধান বাড়বে।” বিজেপির কটাক্ষ, “রাতের অন্ধকারে তৃণমূলীরা চক্রান্ত করে পোস্টারগুলো ছড়াচ্ছে। হুগলিতে আসলে ওদের পায়ের তলার মাটি সরে গিয়েছে, সেটা বুঝে গিয়েছে। সেই কারণেই বিভ্রান্তিমূলক পোস্টার ফেলছে।”
[আরও পড়ুন: নীল-সাদার ফ্যাশন শো! চতুর্থ দফার আগে কেন নয়া পোশাক ভোটকর্মীদের?]
প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগে পাণ্ডুয়ায় বোমা বিস্ফোরণ শিশু মৃত্যুর পর হুগলি লোকসভা তৃণমূল প্রার্থী রচনা বন্দোপাধ্যায় বলেছিলেন, তিনি মৃতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করবেন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত তিনি যাননি। কিন্তু তড়িঘড়ি সেখানে ছুটে গিয়েছিলেন লকেট চট্টোপাধ্যায়। এখানেই বিজেপির প্রশ্ন, “তাহলে কে নিখোঁজ?” স্থানীয় বিজেপি নেতাদের কথায়, “মানুষ সবটা বোঝে, আগামীতে ভোট বাক্সই সবকিছুর প্রমাণ দেবে।”
[আরও পড়ুন: বিধায়কের সামনে রাস্তায় ফেলে তৃণমূল কর্মীকে লাঠিপেটা, বিজেপির বিক্ষোভে জ্বলছে সন্দেশখালি]
সর্বশেষ খবর
-
দায়িত্ব নিয়েছিলেন ১৮ দিন আগে, কামারহাটি পুরসভার চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা লকেটের দাদার
-
বাংলাতেই রাজনৈতিক অগ্রাধিকার, এনডিএ সংসদীয় বৈঠকে স্পষ্ট বার্তা নিতিন নবীনের
-
তিন খণ্ড তৃণমূল! খোলা ময়দান পেয়ে মমতার ধাঁচে বছরভর কর্মসূচি ঘোষণা কংগ্রেসের
-
ধরনার জেরে আটক, কয়েক ঘণ্টা পর পুলিশ ছাড়ল রাহুল-প্রিয়াঙ্কাকে, মুক্ত বাকি কংগ্রেস নেতারাও
-
তরুণীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ মুহূর্তে জামাত নেতা! ভিডিও ভাইরাল হতেই শোরগোল