Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৮ আগস্ট ২০২৬
Burdwan Medical College and hospital

কোনও প্রতিবাদ নয়! বর্ধমান মেডিক্যালের নয়া বিজ্ঞপ্তি নিয়ে উদ্বিগ্ন চিকিৎসকরা

চিকিৎসা ও পড়াশোনার পরিবেশ বজায় রাখতে এই পদক্ষেপ, জানাল ওয়েস্ট বেঙ্গল ডক্টরস ফোরাম।

সৌরভ মাজি
সৌরভ মাজি

শেষ আপডেট: জুলাই ২৬, ২০২৬, ১৯:০২

link
সৌরভ মাজি
সৌরভ মাজি

শেষ আপডেট: জুলাই ২৬, ২০২৬, ১৯:০২

options
link
কোনও প্রতিবাদ নয়! বর্ধমান মেডিক্যালের নয়া বিজ্ঞপ্তি নিয়ে উদ্বিগ্ন চিকিৎসকরা zoom
বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের পড়ুয়াদের আন্দোলনে অংশগ্রহণ নিয়ে কড়া বিজ্ঞপ্তি
Advertisement

কোনওরকম প্রতিবাদ-আন্দোলন করা যাবে না। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের (Burdwan Medical College and hospital) এই নয়া সার্কুলার জারি করে জানিয়ে দিল বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ। নয়া বিজ্ঞপ্তি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন চিকিৎসকরা। চিকিৎসকদের সর্ববৃহৎ সংগঠন ওয়েস্ট বেঙ্গল ডক্টরস ফোরামের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ‘‘আমরাও চাই হাসপাতালে চিকিৎসা পরিষেবা এবং শিক্ষামূলক পরিবেশ বজায় থাকুক। কিন্তু শান্তিপূর্ণ এবং আইনসম্মত গণতান্ত্রিক প্রতিবাদ ও মতপ্রকাশের অধিকারকে স্তব্ধ করার অভিসন্ধি ঠিক নয়।”

ওয়েস্ট বেঙ্গল ডক্টরস ফোরামের পক্ষ থেকে ডা. রাজীব পাণ্ডে জানিয়েছেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ দপ্তরের কাছে আমাদের আবেদন, নয়া নির্দেশিকার আইনগত এবং সাংবিধানিক বৈধতা পর্যালোচনা করে দেখুন। এই ধরনের সর্বাত্মক নিষেধাজ্ঞার ভিত্তি ও যৌক্তিকতা স্পষ্ট করা হোক।”

উল্লেখ্য, তৃণমূল আমলে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে পথ দেখিয়েছিল পড়ুয়াদের আন্দোলন। সেসময় আর জি করের গেট আটকে মৃতদেহ নিয়ে যেতে বাধা দিয়েছিলেন জুনিয়র ডাক্তাররাই। কিন্তু এবার থেকে তা আর হবে না। চাইলেই আন্দোলন, প্রতিবাদে অংশ নেওয়া যাবে না। নয়া বিজ্ঞপ্তিতে দেখা যাচ্ছে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ, হাসপাতাল, হস্টেল, প্রতিষ্ঠানের চত্বরে ধরনা, প্রতিবাদ মিছিল, শোভাযাত্রা, স্লোগান, জমায়েত, পোস্টার, ব্যানার নিষিদ্ধ। কোনওরকম প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করা যাবে না।

Advertisement

ওয়েস্ট বেঙ্গল ডক্টরস ফোরামের পক্ষ থেকে ডা. রাজীব পাণ্ডে জানিয়েছেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বাস্থ্য পরিবার কল্যাণ দপ্তরের কাছে আমাদের আবেদন, নয়া নির্দেশিকার আইনগত এবং সাংবিধানিক বৈধতা পর্যালোচনা করে দেখুন। এই ধরনের সর্বাত্মক নিষেধাজ্ঞার ভিত্তি ও যৌক্তিকতা স্পষ্ট করা হোক।” শুধু বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ নয়, দিল্লিতে পড়ুয়াদের বিক্ষোভের সময়ও একাধিক জাতীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তরফে পডুয়াদের আন্দোলনে অংশগ্রহণ নিয়ে কড়াকড়ি নির্দেশ জারি করা হয়েছিল। যার মধ্যে ছিল দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়, জেএনইউ-র মতো প্রতিষ্ঠান। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.