BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

বীরভূমের মধ্যে দিয়ে হেঁটে যাওয়া নিষেধ, পরিযায়ী শ্রমিকদের সুরক্ষায় নির্দেশ অনুব্রতর

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: May 10, 2020 7:05 pm|    Updated: May 10, 2020 7:07 pm

An Images

ভাস্কর মুখোপাধ্যায়, বোলপুর: লকডাউনে আটকে পড়া ঘরমুখো পরিযায়ী শ্রমিকদের সুষ্ঠভাবে ঘরে ফেরাতে প্রশাসনের পাশে এবার তৃণমূল। বীরভূমের তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল রবিবার দলীয় নেতা-কর্মীদের নির্দেশ দিলেন, বীরভূমের মধ্যে দিয়ে কোনও পরিযায়ী শ্রমিক হেঁটে যেতে পারবেন না। যাঁরা যাবেন, তাঁদের আটকে রিলিফ সেন্টারে রাখা হবে এবং পরে গাড়ি করে তাঁদের গন্তব্যস্থলে পৌঁছে দেওয়া হবে। পুরো বিষয়টিতে প্রশাসনকে সাহায্য করতে তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিভিন্ন জেলার জেলাসভাপতিদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে বৈঠক করেন। সেখানে বীরভূমের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলও ছিলেন। সেই বৈঠকে জেলা সভাপতিদের একাধিক নির্দেশ দেওয়া হয়। তাঁর সেই নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে রবিবার বীরভূমের বিভিন্ন ব্লক সভাপতি এবং জেলা নেতৃত্বদের একাধিক নির্দেশ দেন অনুব্রত।

[আরও পড়ুন: রাজ্যকে আর মুসুর ডাল পাঠাতে পারবে না নাফেড, জানিয়ে দিল কেন্দ্রীয় সংস্থা]

সূত্রের খবর, কয়েকদিনের মধ্যে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রায় ১২০০ শ্রমিক বীরভূমে ফিরছে। তাঁদের রিলিফ সেন্টারে রাখা হবে। প্রত্যেকের লালারস পরীক্ষার জন্য মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল হাসপাতালে পাঠানো হবে। রিপোর্টের ভিত্তিতে তাঁদের প্রত্যেককে বাড়ি অথবা কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। প্রয়োজনমতো হাসপাতালেও ভরতি করা হতে পারে। প্রতিদিন বীরভূমের ১০০ জনের টেস্ট করা হবে। প্রশাসনের পাশাপাশি শ্রমিকদের বিভিন্নভাবে সাহায্য করবে তৃণমূল। দিন দুই আগেই নলহাটিতে পরিযায়ী শ্রমিকরা রেললাইন দিয়ে যাওয়ার সময় বড়সড় ট্রেন দুর্ঘটনার মুখে পড়তে যাচ্ছিলেন। চালকের তৎপরতায় রক্ষা পান সকলে। নইলে এখানেও ঔরঙ্গাবাদের মতো ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে যেত।

[আরও পড়ুন: পরিযায়ী শ্রমিকদের ঘরে ফেরানোর উদ্যোগ, পুরুলিয়ায় চালু কন্ট্রোল রুম]

এরপরই প্রশাসনের পাশাপাশি তৃণমূল জেলা নেতৃত্বও শ্রমিকদের সাহায্যে নড়েচড়ে বসে। তাতেই সিদ্ধান্ত, বীরভূমের ভিতর দিয়ে কোনও পরিযায়ী শ্রমিকদের হেঁটে যেতে দেওয়া হবে না। প্রশাসনের পাশপাশি তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা এরকম কাউকে দেখলে তাঁদের আটকে জেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করবে। রিলিফ সেন্টারে পাঠিয়ে তাঁদের খাওয়াদাওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। পরে শ্রমিকরা যেখানে যেতে চাইবেন, সেই এলাকার প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের গাড়ি করে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। জেলার যে পঞ্চায়েত এলাকাতে শ্রমিকদের আটকানো হবে সেই পঞ্চায়েতে, স্থানীয় থানার ওসি এবং ওই ব্লকের বিডিও এই গোটা পদ্ধতির দায়িত্বে থাকবেন।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement