BREAKING NEWS

১২ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

ভোট পরবর্তী অশান্তি অব্যাহত বীরভূমে, ঘরছাড়া ৪০ জন বিজেপি কর্মী

Published by: Tiyasha Sarkar |    Posted: May 1, 2019 4:30 pm|    Updated: May 1, 2019 4:30 pm

An Images

ভাস্কর মুখোপাধ্যায়, বোলপুর:  ভোট পরবর্তী হিংসা অব্যাহত বীরভূমে। শাসক-বিরোধী সংঘর্ষে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল বোলপুরের রজতপুর, সাঁইথিয়া, নানুর-সহ বিভিন্ন এলাকা। আতঙ্কে ঘরছাড়া প্রায় ৪০ জন বিজেপি কর্মী, সমর্থক। 

 [আরও পড়ুন: ‘অনুপ্রবেশকারীরা মমতার ভোটব্যাংক’, তোপ দাগলেন অমিত শাহ]

শাসক-বিরোধী সংঘর্ষে বুধবার সকাল থেকে উত্তপ্ত বোলপুর থানার রজতপুর গ্রাম। অভিযোগ, এদিন সকালে প্রায় ২৫ জন তৃণমূল কর্মী স্থানীয় বিজেপি নেতা অসীম সমাদ্দারের বাড়িতে চড়াও হয়। অসীমকে বাড়ি থেকে বের করে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারধর করে। তাঁর মা-বাবা তাঁকে বাঁচাতে গেলে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। আক্রান্ত অবস্থায় কোনওক্রমে পালিয়ে প্রাণে বাঁচেন ওই যুবক। সূত্রের খবর, এর পাশপাশি এলাকার আরও অনেক বিজেপি কর্মীর বাড়িতেই হামলা চালিয়েছে  দুষ্কৃতীরা।

ঘটনার পর থেকেই প্রাণের ভয়ে ঘরছাড়া প্রায় ৪০জন বিজেপি কর্মী, সর্মথক। এ বিষয়ে আক্রান্ত অসীম সমাদ্দার জানিয়েছেন, “বিজেপি করার অপরাধে আমাকে এবং আমার পরিবারকে মারধর করেছে তৃণমূল।” এই বিষয়ে তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল জানিয়েছেন, “বিজেপির মধ্যে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রবল। তারা নিজেদের মধ্যে মারামারি করছে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে।”  এ প্রসঙ্গে বিজেপির জেলা সভাপতি রামকৃষ্ণ রায়ের মন্তব্য, “তৃণমূলের পায়ের তলার মাটি সরে গিয়েছে। তাই তারা বিজেপি কর্মীদের মারধর করে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে।”

 [আরও পড়ুন: প্রথম লোকসভা নির্বাচনের স্মৃতি নিয়ে এবারও ভোট দেবেন শতায়ু অতুল]

শুধু রজতপুর নয়, ভোট শেষ হওয়ার পর থেকে বীরভূমের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রাজনৈতিক সংঘর্ষের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বিজেপি ও সিপিএম কর্মীদের উপরে আক্রমণের অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার রাতে থেকে নানুর, বোলপুর, ইলামবাজার, লাভপুর, সাঁইথিয়া বিভিন্ন এলাকায় বিরোধীদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে তৃণমূলের কর্মীরা। শেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, সংঘর্ষের ঘটনায় এখনও পর্যন্ত আহত হয়েছে ৮ জন। থমথমে এলাকা। মোতায়েন করা হয়েছে প্রচুর পুলিশ।

ছবি: রাজা ভক্ত

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement