Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Madrasa

নেই বিল্ডিং, ফাঁকা জমিতে ভর্তি আগাছা, সরকারি খাতায় থাকলেও বাস্তবে অস্তিত্বই নেই হুগলির মাদ্রাসার

হুগলির পান্ডুয়া ব্লকের বৈঁচির তারাজোল গ্রামের ঘটনা।

সুমন করাতি
সুমন করাতি

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬, ২০:১৩

link
সুমন করাতি
সুমন করাতি

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬, ২০:১৩

options
link
নেই বিল্ডিং, ফাঁকা জমিতে ভর্তি আগাছা, সরকারি খাতায় থাকলেও বাস্তবে অস্তিত্বই নেই হুগলির মাদ্রাসার zoom
জমিতে গজিয়ে উঠেছে আগাছা, গাছপালা। নিজস্ব ছবি।
Advertisement

রাজ্যে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর অনুমোদনহীন মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে। সেই তালিকায় থাকা ২৫২টি মাদ্রাসার মধ্যে নাম রয়েছে হুগলির বৈঁচির একটি মাদ্রাসারও। কিন্তু সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেল, সেই মাদ্রাসার কোনও অস্তিত্বই নেই। হুগলির পান্ডুয়া ব্লকের বৈঁচির তারাজোল গ্রামের ঘটনা। সরকারি নথিতে রয়েছে, সেখানে কাজী নজরুল ইসলাম মেমোরিয়াল জুনিয়র হাই মাদ্রাসা রয়েছে। অথচ গ্রামে খোঁজ নিয়ে জানা গেল, নামে মাদ্রাসা থাকলেও বাস্তবে তার কোনও পরিকাঠামোই গড়ে ওঠেনি।

জানা গিয়েছে, বৈঁচি-বিলসড়া রোডের পাশে মাদ্রাসা তৈরির জন্য একসময় জায়গা নেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে সেই জায়গাটি বিক্রি হয়ে গিয়েছে। বর্তমানে সেখানে বড় বড় গাছ লাগিয়ে বাউন্ডারি দিয়ে ঘিরে দেওয়া হয়েছে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

গ্রামের বাসিন্দা রফিকুল রহমান জানান, তাঁর ভাই রাকিবুল রহমান ও কয়েকজন শিক্ষক মিলে মাদ্রাসা তৈরির উদ্যোগ নিয়েছিলেন। এর জন্য ২০১৩ সালে বৈঁচি-বিলসড়া রোডের পাশে আব্দুল কাসেদের স্ত্রীর কাছ থেকে প্রায় এক বিঘা জমি লিজ নেওয়া হয়েছিল। এরপর ওই জমিতে একটি অস্থায়ী টিনের ছাউনি দিয়ে কাঠামো তৈরি হয়। তবে দু’বছর চেষ্টা করেও সরকারি অনুমোদন পাওয়া যায়নি। কোনও আর্থিক সাহায্যও মেলেনি। তাই সেখানে মাদ্রাসা তৈরির কাজ অসম্পূর্ণই থেকে যায়। লিজের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর জমির মালিককে ফিরিয়ে দিতে হয় জমি। কিন্তু সরকারি খাতায় এই মাদ্রাসার নাম থেকে যায়। রাজ্য সরকার যে ২৫২টি অনুমোদনহীন মাদ্রাসা বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে, সেই তালিকায় এই না হওয়া মাদ্রাসার নামও রয়েছে।

বর্তমানে ওই জমি কিনেছেন শেখ মীরসাদ। তিনি বলেন, “মাদ্রাসা তৈরির জন্য একটা চালা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু একটা ঝড়ে সেটা ভেঙে যায়। তারপর আর তৈরি হয়নি। শুনেছিলাম কয়েকজন বাচ্চাও এসেছিল। পরে জমির মালিক জমি বিক্রি করে দেন, আমি কিনে নিয়েছি। হতে পারে কেউ চাকরি পাওয়ার আশায় বা সরকারি অনুদান নেওয়ার জন্য এই নামটা তুলেছিল।”

জানা গিয়েছে, টিন দিয়ে বেশ কয়েকটি ঘর তৈরি করা হয়েছিল। সঙ্গে ছিল বাথরুমও। তবে সরকারের সহযোগিতা না মেলায় কাজ থমকে যায়। স্থানীয়রা জানান, একবার মাদ্রাসার জন্য সরকারি আধিকারিকরা পরিদর্শন করতেও এসেছিল। কিন্তু পরে কোনও অনুমোদন মেলেনি।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.