BREAKING NEWS

১২ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

বিজেপিকে ভোট দেওয়ায় গ্রামে ঢুকে ‘দাদাগিরি’, তৃণমূল নেতাদের পালটা গণধোলাই

Published by: Tanumoy Ghosal |    Posted: May 26, 2019 2:52 pm|    Updated: May 26, 2019 3:14 pm

An Images

নবেন্দু ঘোষ, বসিরহাট: লোকসভা ভোটে আগে এলাকায় তৃণমূল প্রার্থীর হয়ে প্রচার করেছিলেন সকলেই। কিন্তু, ভোট দিয়েছেন বিজেপি প্রার্থীকে! এই গোপন তথ্য ফাঁস হওয়ায় বসিরহাট কেন্দ্রের সন্দেশখালির গ্রামে ঢুকে রীতিমতো তাণ্ডব চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েতের উপপ্রধান ও তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে। গ্রামবাসীদের দাবি, গ্রামের মহিলারা যখন রুখে দাঁড়ান, তখন গুলিও চালানো হয়। পালটা প্রতিরোধে নামেন গ্রামবাসীরাও৷ শেষপর্যন্ত অভিযুক্ত তৃণমূল নেতাদের ধরে চলে বেধড়ক গণধোলাই৷  

[ আরও পড়ুন: পরাজিত তৃণমূল প্রার্থীর নামে পোস্টার, চাঞ্চল্য ছড়াল পুরুলিয়ায়]

বসিরহাটে লোকসভা কেন্দ্র থেকে বিপুল ভোটে জিতে সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী নুসরত জাহান। অন্যদিকে ভোট হেরে রীতিমতো ভেঙে পড়েছেন বিজেপি প্রার্থী সায়ন্তন বসু। এমনকী, ফেসবুক পোস্ট দিয়ে রাজনীতি ছাড়ারও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। এই যখন পরিস্থিতি, তখন তৃণমূল প্রার্থীকে ভোট না দেওয়ার অভিযোগ তাণ্ডব চলল সন্দেশখালির খুলনা পঞ্চায়েতের গোলাবাড়ি ও কলোনিপাড়া গ্রামে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ভর দুপুরে বাইকে চেপে সশস্ত্র অবস্থায় গ্রামে ঢোকেন স্থানীয় পঞ্চায়েতের উপ প্রধান দেবজিৎ স্যান্যাল ও তাঁর অনুগামীরা। কয়েকজনকে মারধর করা হয়। ভাঙচুর শুরু হয় বাড়িতে।

প্রথমে গ্রামবাসীরা ভয় পেয়ে গেলেও, শেষপর্যন্ত রুখে দাঁড়ান গ্রামের মহিলারা। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, পালটা প্রতিরোধের মুখে পড়ে গুলি চালান তৃণমূল নেতারা। তাতে পরিস্থিতি আরও ঘোরালো হয়ে উঠে। ধাওয়া করে স্থানীয় পঞ্চায়েতের উপপ্রধান-সহ বেশ কয়েকজন তৃণমূল নেতাকে ধরে ফেলেন গ্রামবাসীরা। তাঁদের আটকে রেখে গণধোলাই দেওয়া হয়। ন্যাজাট ও সন্দেশখালি থানা থেকে বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। উন্মত্ত জনতার হাত থেকে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতাদের উদ্ধার করেন পুলিশকর্মীরা।

সন্দেশখালির গোলাবাড়ি ও কলোনিপাড়ার গ্রামের বাসিন্দাদের জানিয়েছেন, লোকসভা ভোটের ফলপ্রকাশের পর দেখা যায়, স্থানীয় খুলনা গ্রাম পঞ্চায়েতের দুটি বুথে বেশি ভোট পেয়েছেন বসিরহাট কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী সায়ন্তন বসু। সেই আক্রোশেই তৃণমূল নেতারা গ্রামে হামলা চালিয়েছেন বলে অভিযোগ। এদিকে স্থানীয় তৃণমূল নেতা ফিরোজ কামলা মণির বক্তব্য, দলের এক নেতাকে মারধর করা হয়েছে। তাঁকে দেখতে গিয়েই আক্রান্ত হন পঞ্চায়েত উপপ্রধান-সহ তৃণমূল নেতারা।

[আরও পড়ুন: ভোটে হেরে সোশ্যাল মিডিয়ায় দুঃখপ্রকাশ বর্ধমান পূর্বের বিজেপি প্রার্থীর]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement