BREAKING NEWS

১০ অগ্রহায়ণ  ১৪২৮  শনিবার ২৭ নভেম্বর ২০২১ 

READ IN APP

Advertisement

ফণী আতঙ্কে দিঘা ছাড়ছেন পর্যটকরা, শুনশান সৈকত শহর

Published by: Tanumoy Ghosal |    Posted: May 2, 2019 1:20 pm|    Updated: May 2, 2019 1:20 pm

Tourists leave Digha amidst cyclone Fani fear

রঞ্জন মহাপাত্র, কাঁথি: ধেয়ে আসছে অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ফণী। শুক্রবার দুপুরে ওড়িশার গোপালপুর উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড়। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কার্যত শুনশান দিঘা। আতঙ্কে সৈকতশহর ছাড়ছেন পর্যটকরা।ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কায় দিঘার সমুদ্রে পর্যটকদের নামায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন। সমুদ্রতটে চলছে মাইকিং।

[ আরও পড়ুন: আগামিকাল ১১৫ কিলোমিটার বেগে আছড়ে পড়বে ফণী, বাতিল শতাধিক ট্রেন]

ফণীর সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ার আশঙ্কা পড়শি রাজ্য ওড়িশায়। তবে ঘূর্ণিঝড় ফণীর তাণ্ডব থেকে রেহাই পাবে না পশ্চিমবঙ্গও। অন্তত তেমনই আশঙ্কা করছেন আবহবিদরা। শেষ খবর অনুযায়ী, এ রাজ্যের উপকূল থেকে ৫৪০ কিমি দূরে অবস্থান করছে ফণী। আবহবিদদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, শুক্রবার দুপুরে ওড়িশার গোপালপুর উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড়। এই ঝড়ের অভিমুখ আবার পশ্চিমবঙ্গের উপকূলের দিকেই। আবহবিদরা জানিয়েছেন, ওড়িশা উপকূলে যখন আছড়ে পড়বে ফণী, তখন ঘূর্ণিঝড়ের গতিবেগ থাকবে ঘণ্টায় ২০৫ কিমি।

ওড়িশার গোপালপুর থেকে দিঘার দূরত্ব খুব বেশি নয়। ফলে সৈকত শহরের পর্যটকরা আতঙ্কিত। সপ্তাহান্তে তো বটেই, সারা বছরই দিঘা পর্যটকদের ভিড় লেগেই থাকে। কিন্তু ফণীর আতঙ্কে এখন দিঘা ছাড়ছেন পর্যটকরা। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পূর্ব মেদিনীপুরের সৈকতশহর কার্যত শুনশানই বলা চলে। সপ্তাহান্তে দিঘা যাঁরা হোটেল বুকিং করে রেখেছিলেন, তাঁরা বুকিং বাতিল করে দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। দিঘার সমুদ্রে পর্যটকদের নামায় যেমন নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন, তেমনি সৈকতগুলি দড়ি দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে। পর্যটকদের সতর্ক করতে সমুদ্রতটে চলছে মাইকিং। জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে দিঘার সৈকতে গার্ডওয়ালের কাছে বেশ কয়েকটি বড় ঢেউ আছড়ে পড়ে। জলের ধাক্কায় সমুদ্র পড়ে গিয়েছিলেন এক মহিলা। তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে নুলিয়ারা।

[ আরও পড়ুন: আক্রান্ত সিপিএম নেতা, তৃণমূল কাউন্সিলরের শাস্তির দাবিতে সরব বিরোধী শিবির়]

ঘূর্ণিঝড় ফণী মোকাবিলায় তৎপর কলকাতা পুরসভাও। বৃহস্পতিবার পুরসভার আধিকারিকদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। ঝড়ে ক্ষয়ক্ষতি ঠেকাতে শহরের সমস্ত হোর্ডিং খুলে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। কলকাতার মেয়র জানিয়েছেন, শহরের বিপজ্জনক বাড়ি থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদ জায়গা সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। আপদকালীন পরিস্থিতির জন্য মজুত করে রাখা হয়ে পানীয় জলের পাউচ প্যাক। সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে পুরসভার পাম্পিং স্টেশনগুলিকেও। এদিকে ফণীর কারণে স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্মীদের ছুটি বাতিল করেছে সরকার। পুরী থেকে এ রাজ্যে পর্যটকদের ফিরিয়ে আনার তিনটি বিশেষ ট্রেনের বন্দোবস্ত করা হয়েছে রেলের তরফে। কিন্ত পর্যটকদের তুলনা ট্রেনের সংখ্যা যথেষ্ট নয় বলে অভিযোগ।

দেখুন ভিডিও:

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে