২২ আষাঢ়  ১৪২৭  মঙ্গলবার ৭ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

বিধ্বস্ত কলকাতাকে ছন্দে ফেরাতে হাত মিলিয়ে কাজ, উত্তরবঙ্গ থেকে আসছেন বনকর্মীরা

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: May 24, 2020 5:17 pm|    Updated: May 24, 2020 5:17 pm

An Images

শুভদীপ রায়নন্দী, শিলিগুড়ি: অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় আমফান তছনছ করে দিয়ে গিয়েছে দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকাকে। পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং পুনর্গঠনে সেনার পাশাপাশি বন্দর, দমকল, বনদপ্তরের কর্মীদের সাহায্য চেয়েছে রাজ্য সরকার। সেইমতো শনিবার সন্ধে থেকে কলকাতা এবং সংলগ্ন এলাকায় গাছ পড়ে থাকায় কাটার কাজ শুরু করেছে সেনা। এবার যোগ দিচ্ছেন বনকর্মীরাও।

Forest-Training

উত্তরবঙ্গের বনবিভাগ থেকে বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বনকর্মীদের উদ্ধার কাজে পাঠানো হল। রবিবার সকালে ওই ২৫ জনের দল কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেয়। সঙ্গে রয়েছে উদ্ধারকাজে ব্যবহৃত একাধিক আধুনিক যন্ত্রপাতি। শুধু তাই নয়, করোনা সংক্রমণ রুখতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে হ্যান্ড স্যানিটাইজার, মাস্ক, গ্লাভসেরও ব্যবস্থা করা হয়েছিল বন বিভাগের তরফে। এই সমস্ত নিয়েই তাঁরা শহরে আসছেন। পৌঁছেই উদ্ধারকাজে হাত লাগাবেন বলে মনে করা হচ্ছে।

[আরও পড়ুন: নাবালিকাকে ‘ধর্ষণ’, নির্যাতিতার পরিজনদের গণপিটুনিতে খুন অভিযুক্ত]

দিনের শুরুতে বনকর্মীদের সমস্ত কাজ বুঝিয়ে দেন বনাধিকারিকরা। উপস্থিত ছিলেন মহানন্দা অভয়ারণ্যের সহকারী বনপাল (বন্যপ্রাণ) জয়ন্ত মণ্ডল, সুকনার রেঞ্জার মৃগাঙ্ক মাইতি, বাগডোগরার রেঞ্জার সমীরণ রাজ। দার্জিলিং, বৈকুন্ঠপুরের পাশাপাশি আলিপুরদুয়ারের বক্সা সংরক্ষণ প্রকল্পের বিভাগ থেকেও পাঠানো হয় বনকর্মী। কলকাতার বিভিন্ন বিধ্বস্ত এলাকায় উদ্ধার কাজে সহযোগিতা করবে ওই বিশেষ দল। আটকে পরা প্রাণীদেরও উদ্ধার করতে সাহায্য করা হবে। বক্সা ব্যঘ্র সংরক্ষণ প্রকল্প থেকে ৩১ জনের একটি দল পাঠানো হয়। এঁরা সকলেই সেনাবাহিনী, পুলিশ, NDRF’এর সঙ্গে হাত হাত লাগিয়ে কলকাতার রাস্তা সাফ করবেন। আবার বন বিভাগের অভিজ্ঞতা থাকায় এঁদের পাঠানো হতে পারে আমফানের দাপটে বিপর্যস্ত সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ অরণ্যেও।

[আরও পড়ুন: আমফানের পর বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক করতে ৫০ হাজার খুঁটি আসছে ওড়িশা-ঝাড়খণ্ড থেকে]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement