সুমন করাতি, হুগলি: আগামী বছর রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে এসআইআর ইস্যুতে শাসক-বিরোধী চলছে জোর তরজা। তারই মাঝে চুঁচুড়ার রূপনগর মাঠে গঙ্গার পাড় থেকে উদ্ধার ভোটার তালিকা। বুধবার বিকেলে স্থানীয় বাসিন্দা ভোটার তালিকাগুলি পড়ে থাকতে দেখেন। কে বা কারা তা ফেলে গেল, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
যে জায়গায় ভোটার তালিকাগুলি উদ্ধার হয়েছে সেটি হুগলি জেলাশাসক দপ্তর থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে। এই জায়গায় কে বা কারা ভোটার তালিকা ফেলে দিল, তা এখনও জানা যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। স্থানীয়দের দাবি, বিষয়টি ভালো করে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। বিজেপি নেতা স্বপন পাল বলেন, “ভোটার তালিকা কোন সালের দেখা প্রয়োজন। এসআইআর আবহে কেন ভোটার তালিকা ফেলে দেওয়া হল সেটা প্রশাসক দেখুক।” পুলিশের খতিয়ে দেখা উচিত বলে দাবি শাসক শিবিরেরও।
উল্লেখ্য, আগেই তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, দু’জনেই পৃথকভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, একজনও বৈধ ভোটারের নাম বাদ পড়লে দিল্লিতে ১ লাখ মানুষকে নিয়ে গিয়ে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন ঘেরাও হবে। তৃণমূলের তরফে তথ্য ও পরিসংখ্যান দিয়ে বলা হয়েছে, মাত্র পাঁচ মাসে আট কোটি ভোটার নিয়ে এসআইআর করা সম্ভব নয়। বিশেষ করে কোন ভোটার তালিকা ধরে করা হবে তা যখন এখনও স্পষ্ট নয়, তাই এসআইআর বন্ধ রাখা হোক। এদিন কুণাল আরও বলেন, ‘‘ওঁদের(বিজেপি) নেতারাই তো বলছেন, এসআইআরে নাম বাদ গেলে মতুয়ারা বিজেপিকে ছেড়ে কথা বলবে না। আগে ঘর সামলাক বিজেপি, পরে কথা হবে।’’ এরপরই কুণালের ফের জোরালো দাবি,‘‘এসআইআর হোক, আর যাই হোক, ২৫০ এর বেশি আসন নিয়ে চতুর্থবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ্যমন্ত্রী হওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা।’’
সর্বশেষ খবর
-
পুরীর খাজাতেও বিষ! স্বর্গোদ্বারে অভিযান খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের, ফেলা গেল কুইন্টাল কুইন্টাল খাজা
-
কাটোয়ায় ঘরের মেঝেয় বিধবার গলাকাটা রক্তাক্ত দেহ! সম্পত্তিগত কারণে খুন নাকি অন্য কিছু?
-
এখনই নিয়মিত সুযোগ নয় বৈভবকে, আফগানিস্তান সিরিজের পর সাফ বার্তা গম্ভীরের
-
‘ভোট চুরি, সরকার চুরির পর দল চুরি’, জোড়াফুল ‘হারানো’ মমতার পাশে দাঁড়িয়ে কমিশনকে তোপ রাহুলের
-
শুরু করেছিলেন বাড়ির জামাই, দশমীতে মা খান রসগোল্লা! আর কী বিশেষত্ব কাঁকসার এই পুজোয়?