Advertisement
Advertisement
West Bengal Assembly Election

হম্বিতম্বিইও সার! আসানসোল দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে লড়াইয়ে ছিটকে গেলেন রাজন্যা

একুশে জুলাইয়ের মঞ্চে ঝাঁজালো মন্তব্য রেখে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নজর কেড়েছিলেন রাজন্যা হালদার।

Advertisement
শেখর চন্দ্র
শেখর চন্দ্র

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৯, ২০২৬, ১৫:৫৫

link
শেখর চন্দ্র
শেখর চন্দ্র

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৯, ২০২৬, ১৫:৫৫

options
link
হম্বিতম্বিইও সার! আসানসোল দক্ষিণ কেন্দ্র থেকে লড়াইয়ে ছিটকে গেলেন রাজন্যা zoom
ফাইল ছবি।

প্রথমবার ভোটের (West Bengal Assembly Election) ময়দানে নেমেই ধাক্কা রাজন্যা হালদারের (Rajanya Haldar)। বাতিল হয়ে গেল তাঁর মনোনয়ন। সোনারপুর দক্ষিণের পাশাপাশি আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভা আসন থেকেও এবার নির্দল প্রার্থী হয়ে দাঁড়ানোর ঘোষণা করেন রাজন্যা। কিন্তু জানা যাচ্ছে, আসানসোল দক্ষিণ কেন্দ্রের জন্য তাঁর জমা দেওয়া মনোনয়ন বাতিল হয়ে গিয়েছে। জানা যাচ্ছে, জেলা নির্বাচন দপ্তরের স্ক্রুটিনি প্রক্রিয়ায় বেশ কিছু ত্রুটি ধর পড়ে রাজন্যার জমা পড়া মনোনয়ন পত্রে। এরপরেই তা বাতিল বলে ঘোষণা করা হয়। জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, শুধু রাজন্যা নয়, মনোনয়ন বাতিল হয়েছে আরও ৫ জনের।

আগামী ২৩ এপ্রিল প্রথমদফার নির্বাচন। দ্বিতীয়দফায় ভোট হবে ২৯ এপ্রিল। দু’দফায় নির্বাচনের জন্য প্রার্থীদের মনোনয়ন পর্ব ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। সেই মতো পশ্চিম বর্ধমান জেলার নয়টি বিধানসভা কেন্দ্রে প্রায় ৯৫ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দেন। সেগুলি সম্প্রতি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করেন নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা। জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, ন’টি কেন্দ্রের মোট ৯৫ জন প্রার্থীর মধ্যে ৫ জনের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। যার মধ্যে আসানসোল দক্ষিণ কেন্দ্র চারটি মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। বাতিল হওয়া প্রার্থীদের মধ্যে প্রথমেই রয়েছেন রাজন্যা হালদার। এরপরেই রয়েছেন, ইমরান খান (আম জনতা উন্নয়ন পার্টি), সুনীল চন্দ্র চৌরাশিয়া (নির্দল) এবং দীপিকা বাউরি (নির্দল)। তবে রাজন্যার মনোনয়নে কি ত্রুটি ছিল, তা স্পষ্ট জানা যায়নি।

Advertisement

বলে রাখা প্রয়োজন, একুশে জুলাইয়ের মঞ্চে ঝাঁজালো মন্তব্য রেখে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নজর কেড়েছিলেন রাজন্যা হালদার। খুব অল্প সময়েই জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন তিনি। তৃণমূল তাঁকে দায়িত্ব দিয়েছিল। এরপর আর জি কর কাণ্ডের সময় একটি স্বল্প দৈর্ঘ্যের ছবি তৈরি করে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন রাজন্যা। ঠিক যতটা দ্রত তাঁর উত্থান, সেভাবেই হারিয়ে যান রাজনীতি থেকে। তৃণমূল তাঁকে সরিয়ে দেয়। বারবার বিভিন্ন ইস্যুতে মুখ খুলে, আত্মপক্ষ সমর্থন করে প্রাসঙ্গিক হওয়ার চেষ্টা করেছিলেন তিনি। কিন্তু তাতে লাভ হয়নি। পরবর্তীতে শোনা গিয়েছিল বিজেপিতে যোগ দেবেন রাজন্যা। কিন্তু শেষমেশ নিজেই দল ঘোষণা করে ভোটের ময়দানে নামার কথা জানান তিনি। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.