Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
করোনা ভাইরাস

নিঃশব্দে শরীরে করোনার থাবা! ভাবাচ্ছে কালিম্পংয়ে আক্রান্ত মহিলার রিপোর্ট

তীব্র শ্বাসকষ্ট ছাড়া করোনার অন্য কোনও উপসর্গ ছিল না তাঁর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৯, ২০২০, ০৯:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৯, ২০২০, ০৯:০৯

options
link
নিঃশব্দে শরীরে করোনার থাবা! ভাবাচ্ছে কালিম্পংয়ে আক্রান্ত মহিলার রিপোর্ট zoom
ফাইল ফটো

শুভদীপ রায়নন্দী ও সংগ্রাম সিংহরায়, শিলিগুড়ি: দশ থেকে বেড়ে একলাফে ১৫, ১৫ থেকে ১৮। এ রাজ্যে করোনা আক্রান্তের হার মাত্র একদিনেই এই। এটাই কি স্টেজ-থ্রি বা গোষ্ঠী সংক্রমণ? নাকি এবার একেবারে নিঃশব্দে থাবা বসাচ্ছে মারণ ভাইরাস? এসব প্রশ্ন তুলে দিলেন উত্তরবঙ্গের করোনা আক্রান্ত মহিলা। শনিবার রাতে কালিম্পংয়ের বছর ৪৫-এর মহিলার রক্তপরীক্ষার রিপোর্ট করোনা পজিটিভ এসেছে। তাঁর কোনও বিদেশ যাত্রার রেকর্ড নেই। চেন্নাই থেকে কালিম্পং ফিরেছিলেন। তারপরেই করোনা আক্রান্ত হয়ে পড়েন। আপাতত উত্তরবঙ্গে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন। উত্তরবঙ্গে এই প্রথম থাবা বসাল নোভেল করোনা ভাইরাস।

সূত্রের খবর, কর্মসূত্রে চেন্নাইতে থাকতেন কালিম্পংয়ের গরুবাথান ব্লকের বাসিন্দা ৪৫ বছরের মহিলা। দেশজুড়ে লকডাউন ঘোষণা হওয়ার ঠিক আগে, মঙ্গলবার তিনি চেন্নাই থেকে ফিরেছিলেন বাড়িতে। পরেরদিন শ্বাসকষ্ট দেখা যায় তাঁর। বুকে ব্যথা ক্রমশ তীব্র হতে থাকে। স্থানীয় চিকিৎসকরা তাঁকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। বৃহস্পতিবার পরিবারের সদস্যরা উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভরতি করান মহিলাকে। রেসপিরেটরি ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে ভরতি করিয়ে শুরু হয় চিকিৎসা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: করোনা আক্রান্ত বলে গুজব ছড়ানোর জের, গ্রেপ্তার কাঁকিনাড়ার যুবক]

হাসপাতাল সূত্রে খবর, এই সমস্যা নিয়ে কয়েকজন ভরতি হয়েছেন উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে। কিন্তু কী কারণে এতটা শ্বাসকষ্ট, তা বুঝতে পারছিলেন না চিকিৎসকরা। তাই সোয়াব সংগ্রহ করে নমুনা পাঠানো হয় নাইসেডে। শনিবার পরীক্ষার রিপোর্ট মেলে। দেখা যায়, তিনি করোনা পজিটিভ। রিপোর্ট দেখে কিছুটা হতবাক ডাক্তাররাও। কারণ, সে অর্থে এই মহিলার শরীরের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার অন্য কোনও উপসর্গ ছিল না। রিপোর্ট পাওয়ার পর তাঁকে আইসোলেশন ওয়ার্ডে স্থানান্তরিত করে শুরু হয় চিকিৎসা। আপাতত তিনি স্থিতিশীল বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর। পরিবারের সদস্যদেরও হোম আইসোলেশনে পাঠানো হয়েছে।

কীভাবে সংক্রমণ ঘটল, তা নিয়ে উঠে গিয়েছে বড়সড় প্রশ্ন। নিজে বিদেশ না গেলেও, চেন্নাইতে তিনি কোনও বিদেশফেরতের সংস্পর্শে এসে থাকতে পারেন। যার জেরে হয়ত COVID-19 জীবাণু প্রবেশ করেছে তাঁর শরীরে। আবার এমন একটি সময়ে করোনা পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে যে গোষ্ঠী সংক্রমণের আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। শুক্রবার সন্ধে থেকে শনিবার রাত – এটুকু সময়ের মধ্যেই এ রাজ্যের আটজনের শরীরে মিলেছে করোনা ভাইরাসের জীবাণু। এখনও পর্যন্ত কলকাতা বাদ দিয়ে যে কটি জেলায় করোনা পজিটিভ মিলেছে, তার দুটিই কলকাতা সংলগ্ন উত্তর ২৪ পরগনা এবং নদিয়া। এছাড়া পূর্ব মেদিনীপুরের এগরায় ২ জন আক্রান্ত হয়েছেন করোনায়। সেই তালিকা দীর্ঘায়িত হল। নাম জুড়ল উত্তরবঙ্গের জেলা কালিম্পংয়ের। রাজ্যের করোনা পরিস্থিতিও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে।

[আরও পড়ুন: লকডাউনের জের, অর্ধাহারে বাড়ি থেকে দূরে দিন কাটছে বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.