Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ আশ্বিন ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Tariff

১০০ শতাংশের খাঁড়া, শুল্ক বৃদ্ধি ও বাণিজ্যচুক্তি আমেরিকায় দু’মুখো বিপদ ভারতের

সফল 'ব্রিকস' সম্মেলন সংঘটিত করার পরেও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বড়সড় ধাক্কা খেতে হল ভারতকে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬, ২০:১২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬, ২০:১২

options
link
১০০ শতাংশের খাঁড়া, শুল্ক বৃদ্ধি ও বাণিজ্যচুক্তি আমেরিকায় দু’মুখো বিপদ ভারতের zoom
প্রতীকী ছবি।
Advertisement

ভারত-আমেরিকা বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে দর কষাকষি চলছে। একদিকে বিপুল পরিমাণে শুল্ক বৃদ্ধি ও অন্যদিকে বাণিজ্যচুক্তি স্বাক্ষর- দু’দিকেই বিপদ।

সফল ‘ব্রিকস’ সম্মেলন সংঘটিত করার পরেও আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বড়সড় ধাক্কা খেতে হল ভারতকে। আমেরিকার আইনসভা কংগ্রেসের নিম্নকক্ষে ‘স্যাংশনিং রাশিয়া অ্যান্ড ইরান অ্যাক্ট’ নামে যে-বিলটি পাশ হয়েছে, তাতে রাশিয়ার কাছ থেকে যে-দেশগুলি জ্বালানি তেল কেনে তাদের পণ্যে ১০০ শতাংশ শুল্ক বসানোর কথা বলা হয়েছে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

রাশিয়ার কাছ থেকে ভারত সস্তায় নিয়মিত জ্বালানি তেল কেনে। ফলে মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষে পাস হওয়া বিলটি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্মতি পেলেই ভারতের পণ্যের উপর ১০০ শতাংশ আমদানি শুল্ক বসবে। ভারত, বিশ্ববাজারে যে-পণ্য বিক্রি করে, তার সবচেয়ে বড় ক্রেতা আমেরিকা। আমেরিকায় বিপুল পরিমাণে ওষুধ, অলংকার, সফটওয়‍্যার, পোশাক, গাড়ির যন্ত্রাংশ ইত্যাদি রফতানি হয়। এবার ভারতীয় পণ্যের উপর ১০০ শতাংশ শুল্ক বসতে শুরু করলে মার্কিন বাজারে তার দাম বাড়বে, বিক্রি কমবে। যা ভারতীয় পণ্য রফতানির উপর বিশাল ধাক্কা। এর আগে যখন আমেরিকা একই কারণে ভারতীয় পণ্যের উপর ৫০ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েছিল- তখনও বাণিজ্য ধাক্কা খায়- বহু মানুষ কাজ হারায়। আবারও একরকম পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আশঙ্কা দানা বেঁধেছে।

ভারত, বিশ্ববাজারে যে-পণ্য বিক্রি করে, তার সবচেয়ে বড় ক্রেতা আমেরিকা। আমেরিকায় বিপুল পরিমাণে ওষুধ, অলংকার, সফটওয়‍্যার, পোশাক, গাড়ির যন্ত্রাংশ ইত্যাদি রফতানি হয়।

এটি এমন এক সময়ে হতে চলেছে যখন ভারত-আমেরিকা বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে দর কষাকষি চলছে। একদিকে বিপুল পরিমাণে শুল্ক বৃদ্ধি ও অন্যদিকে বাণিজ্যচুক্তি স্বাক্ষর- দু’টি ঘটনা কোনওমতেই একসঙ্গে ঘটতে পারে না। ভারত এবার মার্কিন হুমকির মুখে খুব দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করেছে। ভারত ঘোষণা করেছে, আমেরিকার চাপের কাছে নতিস্বীকার করে কোনওভাবেই ১৪০ কোটি ভারতবাসীর অর্থনৈতিক ভবিষ্যত বিপন্ন করা হবে না। রাশিয়ার থেকে সস্তার জ্বালানি তেল কেনা বন্ধ করা মানেই দেশে একটি ভয়াবহ মূল্যবৃদ্ধিকে মেনে নেওয়া।

আমেরিকা ইরানে যুদ্ধ শুরু করার পর থেকেই বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়তে শুরু করেছে। এই মুহূর্তে তা ব্যারেল-প্রতি ১১০ ডলারে পৌঁছে গিয়েছে। রাশিয়ার থেকে সস্তায় জ্বালানি তেল কিনে ভারত দেশের বাজারে এখনও পর্যন্ত পেট্রোল-ডিজেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছে। ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির মুখে দাঁড়িয়ে যদি ভারত রাশিয়ার থেকে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি পুরোপুরি বন্ধ করে দেয় তাহলে পেট্রোল-ডিজেলের দাম আর নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে না। রাশিয়াকে ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করার জন্য চাপ দেওয়ার নামে ট্রাম্প যেভাবে ভারত-সহ ‘গ্লোবাল সাউথ’-এর দেশগুলিকে আমেরিকার স্বার্থে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য করার জন্য চাপ দিয়ে চলেছেন, তা বিশ্ব ব্যবস্থায় নজিরবিহীন।

রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে সাড়ে ৪ বছর ধরে চলতে থাকা যুদ্ধ থামাতে ভারত প্রথম থেকেই তৎপর। এ-যুদ্ধের সঙ্গে রাশিয়ার থেকে ভারতের জ্বালানি তেল কেনার বিষয়টি জুড়ে দিয়ে আসলে ট্রাম্প চান কিছু বাণিজ্যিক সুবিধা। ভারতকে আপাতত ট্রাম্পের সঙ্গে এই স্নায়ুযুদ্ধ চালিয়ে যেতে হবে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.