ভেনিস আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে অংশ নিতে গিয়ে বিদেশের মাটিতে হেনস্তার শিকার আজমেরী হক বাঁধন (Azmeri Haque Badhon)। ‘জুলাই জঙ্গি’ বলে স্লোগান তুলে বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রীর উপর চড়াও হয় একদল যুবক। তাঁর গায়ে ছোড়া হয় জল, ডিম। ইটালিতে বসেই এহেন অনভিপ্রেত অভিজ্ঞতার কথা ফেসবুক লাইভে ভাগ করে নিয়েছিলেন নায়িকা। এবার ভেনিস থেকেই বাঁধনের হুঙ্কার, “মামলা না করে বাংলাদেশে ফিরছি না। এর শেষ দেখে ছাড়ব আমি।” নায়িকার নিশানায় নিষিদ্ধ আওয়ামি লিগ।
বাঁধনের দাবি, তাঁর কাছে সমস্ত প্রমাণ রয়েছে। হামলা চালানো অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের কয়েকজনকে ইতিমধ্যেই শনাক্ত করা গিয়েছে।
আরও পড়ুন:
আজমেরী হক বাঁধনের উপর হামলার ঘটনায় রীতিমতো ছি-ছিক্কার পড়ে গিয়েছে বাংলাদেশজুড়ে। তোলপাড় নেটভুবনেও। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই বাংলাদেশের দূতাবাসের তরফে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। ব্যক্তিভাবে ফোন করে খোঁজ নিয়েছেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতও। এবার অভিনেত্রীর হুঁশিয়ারি, এই ঘটনার শেষ দেখে তবেই ইটালি থেকে স্বভূমে ফিরবেন তিনি। জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের দূতাবাসের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সেখানকার স্থানীয় থানায় গিয়ে মামলা দায়ের করবেন আজমেরী হক বাঁধন। ওই ঘটনার পর নতুন ফেসবুক লাইভে দাপুটে অভিনেত্রী জানান, “আপাতত সুস্থ রয়েছি। আমি কোনওদিন আমার মাথা নত করিনি। আর সেটা করতে ভুলেও গিয়েছি। তাই আমাকে দমিয়ে দেওয়া এত সহজ নয়।”

চব্বিশ সালের উত্তাল বাংলাদেশে হাসিনা বিরোধী আন্দোলনে বেশ সক্রিয় ছিলেন বাঁধন। রাস্তায় নেমে ছাত্র আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন অভিনেত্রী। সওয়াল করেছিলেন দেশের সংস্কারের পক্ষে। কখনও হাসিনা বাহিনীর জলকামানের মুখে তাঁকে মাইকে চিৎকার করে বলতে শোনা গিয়েছিল, “এই দেশটা আমার, এই দেশের সংস্কার করব আমরাই…।”
বাঁধনের দাবি, তাঁর কাছে সমস্ত প্রমাণ রয়েছে। হামলা চালানো অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের কয়েকজনকে ইতিমধ্যেই শনাক্ত করা গিয়েছে। অভিনেত্রী জানান, ঘটনার পর থেকেই অসংখ্য মানুষ তাঁকে ফোন করছেন এবং মেসেজে খোঁজ নিচ্ছেন। এহেন কঠিন সময়ে দূরে থেকেও শুভাকাঙ্ক্ষীরা যেভাবে তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন, সেটাই তাঁর মনে আরও সাহস সঞ্চার করেছে এবং শক্তি জুগিয়েছে। অভিনেত্রীর সাফ কথা, এরকম ঘটনা তাঁকে দুর্বল করে দিতে পারবে না। হামলার পর স্থানীয় পুলিশের থেকেও সাহায্য পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন আজমেরী। ইতিমধ্যেই আইনি পদক্ষেপের প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে তিনি।
চব্বিশ সালের উত্তাল বাংলাদেশে হাসিনা বিরোধী আন্দোলনে বেশ সক্রিয় ছিলেন বাঁধন। রাস্তায় নেমে ছাত্র আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন অভিনেত্রী। সওয়াল করেছিলেন দেশের সংস্কারের পক্ষে। কখনও হাসিনা বাহিনীর জলকামানের মুখে তাঁকে মাইকে চিৎকার করে বলতে শোনা গিয়েছিল, “এই দেশটা আমার, এই দেশের সংস্কার করব আমরাই…।” আবার কখনও বা অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতিতে আঁশবঁটি হাতে রাতের ঢাকায় পাহাড়া দিতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। বাঁধন আসলে বরাবরই সাহসী। স্বাধীনচেতা। স্পষ্টভাষী। ‘স্বৈরাচার হাসিনাতন্ত্র’ থেকে মুক্তি পেতেই ঢাকার রাজপথে নেমে আন্দোলনরত ছাত্রদের সঙ্গে তিনি যোগ দিয়েছিলেন বলে দাবি করেছিলেন। ইটালিতে গিয়ে এবার তারই মাশুল গুনতে হল তাঁকে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
মোদি-পুতিন-জিনপিংদের সঙ্গে নৈশভোজে শুভেন্দু! ব্রিকস সম্মেলনে দিল্লি যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী
-
ডোভাল চালেই কাটল জট, ৭ বছর পর দিল্লিতে জিনপিং, আম-ছালা দুই হারালেন তারেক!
-
খালি করতেই হবে ক্যামাক স্ট্রিটের অফিস! দমকলের নোটিসে কোনও হস্তক্ষেপই করল না হাই কোর্ট
-
জেনেরিক না ব্র্যান্ডেড, কোনটা? ওষুধ কেনার আগে জানুন চিকিৎসকের মত
-
যুবকের শরীরে জরায়ু, পেটের ভিতর অণ্ডকোষ! বন্ধ্যাত্ব পরীক্ষা করাতে গিয়ে মাথায় হাত চিকিৎসকের