সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিরোধী দল তৃণমূল কংগ্রেসকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে সমালোচিত বিজেপি নেত্রী কাঞ্চনা মৈত্র। বরানগরে একটি জগদ্ধাত্রী পুজোর উদ্বোধনে নিমন্ত্রিত ছিলেন অভিনেত্রী। সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়েই বিতর্কে জড়ান কাঞ্চনা। তৃণমূলকে সরাসরি আক্রমণ করে তিনি বলেন, ‘তৃণমূলের সন্ত্রাস’ ক্রমশ বাড়ছে। এই সন্ত্রাস রুখতে গেলে আমআদমিকে প্রয়োজনে কোমরে তরোয়াল রাখতে হবে।
বরানগরের জগদ্ধাত্রী পুজোর উদ্বোধনে শুধু কাঞ্চনা মৈত্র নন, আরও দুই বিজেপি নেতা নিমন্ত্রিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে একজন রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়। অনুষ্ঠানে কাঞ্চনা বলেন, যারা বলে তলোয়ার মানে সন্ত্রাস, তারা মূর্খ। তারা দেশের ইতিহাস ভুলে গিয়েছে। দরকার হলে তারা যেন ক্লাস সেভেন বা এইটের ইতিহাস বই খুলে দেখে। সেখানে স্পষ্ট লেখা রয়েছে, দেশের শত্রুদের তলোয়ার দিয়ে বিনাস করেছিলেন তৎকালীন রাজারা। সেই দিন আবার ফিরেছে। এবার ফের তলোয়ার হাতে তুলে নিতে হবে।
[ আরও পড়ুন: শারীরিক প্রতিবন্ধকতার উর্ধ্বে মানবতা, কাকদ্বীপের পথশিশুদের বাঁচতে শেখাচ্ছেন ‘ভাল দাদু’ ]
অভিনেত্রী আরও বলেন, বর্তমানে সন্ত্রাস ছড়াচ্ছে তৃণমূল। তা থেকে বাঁচার একটাই উপায়। কোমরে তলোয়ার রাখতে হবে। সম্মুখের শত্রুদের সমূলে বিনাশ করতে হবে। যারা বিশৃঙ্খলা করতে চায়, তাদের নাশ করতে হবে বলে জানান কাঞ্চনা। জনগণকে তিনি বলেন, “আপনারা সবাই ছত্রপতি শিবাজি, মহিলারা ঝাঁসির রানি লক্ষ্ণীবাঈ।” তাঁরা অশুভ শক্তির বিনাস করার জন্য যেখানে তলোয়ার তুলে নিয়েছিলেন, জনগণকেও তাই করতে হবে। তবেই তৃণমূলের সন্ত্রাস থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।
ঘটনার প্রতিক্রিয়া দেয় তৃণমূল কংগ্রেস বরানগরের বিধায়ক তাপস রায় বলেন, বিজেপি নেত্রী কাঞ্চনা মৈত্রের কথায় কান দেওয়ার দরকার নেই। ‘তাই বলে কি প্রেম দেব না, যদি মারি কলসির কানা’ গানের কলি তুলে তিনি বলেন, তলোয়ার কোমরে রাখার কথা মানুষ বলতেই পারে। তার মানে এই নয় পালটা প্রতিক্রিয়া দিতে হবে। এমন তো বিরোধী দল বলবেই, তা নিয়ে মাথা ঘামানোর কোনও মানে হয় না।
[ আরও পড়ুন: নৃংশসতার নজির! সন্তান প্রসবের সময় কুকুরকে পুড়িয়ে মারল মহিলা ]
সর্বশেষ খবর
-
মহরমের সম্প্রচারে ভাবাবেগে আঘাত! পাকিস্তানে সাময়িক বন্ধ জিও টিভির সম্প্রচার
-
বিয়েতে রাজি না হওয়ার ‘শাস্তি’, তরুণীকে নৈশভোজে ডেকে কুপিয়ে খুন করলেন প্রেমিক!
-
ওসিআই নীতি নিয়ে একগুচ্ছ প্রস্তাব, ফেডারেশনকে কী বলল মোহনবাগান?
-
কেন গুন্ডাদমন বিল? বিধানসভায় চন্দন-হরগোবিন্দের পরিবারকে দেখিয়ে ব্যাখা শুভেন্দুর
-
তন্দুর ছাড়াই তন্দুরি রুটি! তৈরি হবে বাড়ির রান্নাঘরে, সহজেই কেল্লাফতে!