ভোটমুখী বাংলায় আচমকাই ভাইরাল জিতের নাম করে এক পোস্ট। যেখানে তৃণমূল সরকারের সমালোচনা করে রাজ্যে ফের বামদূর্গ প্রতিষ্ঠার আবেদন জানানো হয়েছে। আর সুপারস্টারের নামে সোশাল পাড়ায় এহেন পোস্ট প্রকাশ্যে আসতেই তা দাবানল গতিতে ছড়িয়ে পড়েছে। প্রশ্ন, উঠেছে, জিৎ কি আদতে বামপন্থী? এদিকে ঘাসফুল শিবিরের কর্মী-সমর্থকরাও পালটা সুপারস্টারের সমালোচনায় সরব হয়েছেন। বিতর্কের পারদ চড়তেই শেষমেশ বিষয়টি খোলসা করতে ময়দানে নামলেন জিৎ খোদ।

আরও পড়ুন:
আসলে অভিনয় জগৎ থেকে রাজনীতির ময়দানে আসা নতুন ঘটনা নয়! টলিপাড়ার বহু তারকাই এযাবৎকাল রাজনীতির ময়দানে নাম লিখিয়েছেন। তালিকায় যেমন দেব, সোহম রয়েছেন তেমনই রুদ্রনীল ঘোষ, রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, লকেট চট্টোপাধ্যায়রাও রয়েছেন। অতঃপর জিতের নাম করে ভাইরাল হওয়া পোস্ট দেখে খুব একটা হতবাক হয়নি আমজনতা! কিন্তু সন্দেহ প্রকাশ করে একাংশ প্রশ্ন ছোড়েন, টলিউডের ‘বস’ যেখানে বাংলা সিনে ইন্ডাস্ট্রিতে তেইশটি বসন্ত পার করলেও রাজনীতি থেকে শতহস্ত দূরে থাকেন, সেখানে ভোটের আবহে খুল্লমখুল্লা বামেদের হয়ে ভোট চাইবেন? বিষয়টি এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে, শেষমেশ জিৎ নিজেই মাঠে নামেন। এক বিবৃতিতে তিনি সাফ বলেন, “আমার নামে সামাজিক মাধ্যমে যে রাজনৈতিক বক্তব্য ছড়ানো হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং বিভ্রান্তিকর। আমি এধরণের কোনও মন্তব্য করিনি।”

ঠিক কী ছিল ওই ভাইরাল পোস্টে? লাল রঙের কার্ডে জিতের ছবির পাশে লেখা, ‘যখন থেকে এই তৃণমূল সরকার এসেছে, তখন থেকে শাসকদলের তাবেদারী না করলে তেমন কাজ জোটে না… সময় এসেছে সেই সরকার ফিরিয়ে আনুন যাদের নামের পর সম্মানের সাথে ‘বাবু’ শব্দগুলো জুড়ে দিতেন। উদাহরণ- বুদ্ধবাবু, জ্যোতিবাবু, বিমানবাবু!’ অভিনেতা জিতের নাম ব্যবহার করে এমন উস্কানিমূলক রাজনৈতিক বার্তা ছড়াতেই শুরু হয় বিতর্ক।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বিশ্বজয়ের ৩ মাসের মধ্যে অধিনায়কত্ব যাচ্ছে সূর্যকুমারের, নেতৃত্বের দৌড়ে আপাতত ৩
-
দিল্লির পর বিহার, বিধ্বংসী আগুন হাসপাতালে, ঝলসে মৃত অন্তত ৪
-
কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রত্যাহার হুমায়ুনের, অধীর, নওশাদের উদাহরণ তুলে আদালতে যাচ্ছেন এজেইউপি নেতা
-
সাতসকালে শওকত মোল্লার বাড়িতে এনআইএ হানা, তল্লাশির আগেই ‘পলাতক’ তৃণমূল নেতা
-
৪ জুন ২০২৬: মীন রাশির আজকের দিন