ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়: দলত্যাগী অনেকেই এখন তৃণমূলে ফিরতে মরিয়া। একাধিকবার ভুল স্বীকারও করেছেন তাঁরা। তবে দল সেবিষয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি বলেই খবর। এই পরিস্থিতিতে বারাকপুরের বিধায়ক তথা তৃণমূলের সাংস্কৃতিক সেলের প্রধান রাজ চক্রবর্তী (Raj Chakrabarty) জানালেন, তিনি দলত্যাগীদের ঘরে ফেরানোর পক্ষেই। যদিও শেষ সিদ্ধান্ত নেবেন দলনেত্রী।
বৃহস্পতিবার তৃণমূল ভবনে সাংস্কৃতিক কমিটির বৈঠকে বসেন রাজ চক্রবর্তী। সেখানে ছিলেন সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় (Sayantika Banerjee), ব্রাত্য বসু (Bratya Basu), ইন্দ্রনীল সেন (Indranil Sen)-সহ অন্যান্যরা। ওই বৈঠকের পর দলত্যাগীদের দলে ফেরানো প্রসঙ্গে মুখ খোলেন রাজ চক্রবর্তী। তিনি বলেন, “শিল্পীদের ক্ষেত্রে কোনও ব্যারিকেড হয় না। যাঁরা তৃণমূলে ফিরতে চান, তাঁদের ক্ষেত্রে বাধা থাকা উচিত নয়।” যদিও এটা একান্ত তাঁর ব্যক্তিগত মতামত বলেই জানিয়েছেন রাজ। তাঁর সাফ কথা, “চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।”

[আরও পড়ুন: OMG! প্রথম পারিশ্রমিক ৫০০ টাকা পেতে এই কাজটি করেছিলেন বিদ্যা বালান!]
এদিন সুকৌশলে বিরোধীদেরও কটাক্ষ করেন রাজ চক্রবর্তী। উত্তরবঙ্গ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বাংলা এক, এখানে ভাগাভাগি হবে না। এখানে ভেদাভেদের কোনও জায়গা নেই। বাংলা দখল করতে ওঁরা ব্যর্থ হয়েছে, তাই এবার ভাঙতে চাইছে।” উল্লেখ্য, ভোটের আগে অনেকেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দল ছেড়েছিলেন। যোগ দিয়েছিলেন বিজেপিতে। সেই তালিকায় রয়েছেন দীপেন্দু বিশ্বাস থেকে ‘দিদি’র বিশ্বস্ত সৈনিক সোনালী গুহ, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে খুব কম সময়েই তাঁদের মোহভঙ্গ হয়েছে। অনেকেই দলে ফিরতে চেয়েছেন বারবার। একাধিক তৃণমূল নেতা দলত্যাগীদের দলে ফেরানোর পক্ষে থাকলেও অনেকেই বিরোধিতাও করেছেন। বিভিন্ন জায়গায় তাঁদের বিরুদ্ধে পোস্টারও পড়েছে।
[আরও পড়ুন: মুর্শিদাবাদের গঙ্গায় ভেসে এল ৩ টি মৃতদেহ, করোনা আতঙ্কে কাঁটা স্থানীয় বাসিন্দারা]
সর্বশেষ খবর
-
জুরাসিক যুগের প্রাণী, মেলে শুধু উত্তরবঙ্গেই! কার্শিয়াংয়ে হচ্ছে বিশ্বের প্রথম ‘হিমালয়ান সালাম্যান্ডার স্যাংচুয়ারি’
-
বৃষ্টিভেজা ফুটবল মাঠে ‘মৃত্যুদূত’ বাজ! ঝাড়গ্রামে মৃত ১, বজ্রাহত আরও ২৭
-
আগরকরের ভবিষ্যৎ নিয়ে ধোঁয়াশা! ‘সিদ্ধান্ত ১৫ দিনের মধ্যে’, জানালেন বিসিসিআই সচিব
-
ফোনে মেসেজ পাঠাচ্ছেন মৃত যুবক! ‘অন্ধকারে’ পরিবার, হাড়হিম হত্যাকাণ্ড দিল্লিতে
-
নির্বাচনের নামে ‘ছেলেখেলা’! যুদ্ধবিরোধী দলের নির্বাচনী অধিকার কেড়ে ভোট শুরু পুতিনের রাশিয়ায়