৮ শ্রাবণ  ১৪২৬  বুধবার ২৪ জুলাই ২০১৯ 

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বায়োপিকের পর এবার টিভি। নমো নামের সঙ্গে বিতর্কের যেন যোগসূত্র তৈরি হয়েছে! মোদির বায়োপিক ও নমো টিভির জন্য আদর্শ আচরণবিধি ভঙ্গ হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছিল। এদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজের প্রচার চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ ওঠার পরে নড়েচড়ে বসে কমিশন।

[আরও পড়ুন- কপিল শর্মার শোয়ে মেজাজ হারালেন আলিয়া, রসিকতায় ‘অপমানিত’ অভিনেত্রী]

তাদের রিপোর্টের ভিত্তিতেই প্রথমে বায়োপিক মুক্তির দিন পিছিয়ে যায়। এবার নিষেধাজ্ঞা জারি হল নমো টিভির বিষয়বস্তুর উপরেও। ফলে অনুমোদন ছাড়া নমো ঢিভিতে হবে না কোনও রাজনৈতিক প্রচার। বৃহস্পতিবার সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচন শুরুর দিনেই এই নির্দেশ দিল কমিশন। পাশাপাশি খুব তাড়াতাড়ি ওই টিভিতে যে সমস্ত রাজনৈতিক বিষয় দেখানো হচ্ছে তাও বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

[আরও পড়ুন-মোদির বায়োপিকের পর নমো টিভির সম্প্রচারের উপর বিধিনিষেধ আরোপ কমিশনের]

কমিশনের তরফে দিল্লির মুখ্য নির্বাচন আধিকারিককে চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে, পোল প্যানেলের মিডিয়া সার্টিফিকেশন অ্যান্ড মনিটরিং কমিটি ছাড়পত্র না দেওয়া পর্যন্ত নমো টিভিতে কোনও রাজনৈতিক বিষয়ের সম্প্রচার করা যাবে না। যেহেতু এটি তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রকের অনুমোদিত চ্যানেল নয়, তাই এতে কোনও রাজনৈতিক বিষয় সম্প্রচার করা যাবে না।

[আরও পড়ুন-ছোটপর্দায় ফিরছেন অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়, জানেন কোন সিরিয়ালে?]

গত ৩১ মার্চ নরেন্দ্র মোদির নাম ও ছবি দেওয়া লোগো সমেত আত্মপ্রকাশ করে নমো টিভি। লোকসভা ভোটের আগে একটি দলকে শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রচারের জন্য কীভাবে টিভি চ্যানেল খুলতে দেওয়া হল তা নিয়ে শুরু হয় বিতর্ক।

[আরও পড়ুন-এবার ছোটপর্দায় অ্যানিমেটেড ভার্সনে আসছে ‘গোলমাল’]

আর্দশ আচরণবিধি ভঙ্গ হয়েছে অভিযোগ জানিয়ে কংগ্রেস ও আম আদমি পার্টির পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনের কাছে চিঠিও পাঠানো হয়। আম আদমি পার্টির আইনি শাখার সদস্য মহম্মদ ইরশাদের পাঠানো চিঠিতে অভিযোগ জানানো হয়, বিজেপি নমো টিভি নামে একটি ২৪ ঘণ্টার চ্যানেল শুরু করেছে। একটি দলের নিজস্ব চ্যানেল থাকতেই পারে, কিন্তু আদর্শ আচরণবিধি চালু হয়ে যাওয়ার পর কীভাবে ধরনের চ্যানেলকে আত্মপ্রকাশ করার অনুমতি দেওয়া হল। এই ধরনের কাজকর্ম সুপ্রিম কোর্ট ও নির্বাচন কমিশনের যে নির্বাচন সংক্রান্ত শর্ত আছে তা লঙ্ঘন করছে। সব রাজনৈতিক দলের তৈরি করা অলিখিত নীতি ভেঙেছে। ওই চিঠিতে আরও প্রশ্ন তোলা হয়, ওই চ্যানেলে যা সম্প্রচার করা হবে তার বিষয়বস্তুর উপর নজরদারি কে করবে? বিজেপির তরফে থেকে কি মিডিয়া সার্টিফিকেশন কমিটির কাছে খরচ ও বিষয়বস্তুর ব্যাপারে অনুমোদনের জন্য কোনও প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল? এই টিভির জন্য নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে যদি কোনও অনুমতি না নেওয়া হয় তাহলে এর বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে? এর জন্য কোনও শোকজ নোটিস কেন জারি হয়নি?

[আরও পড়ুন-মা হলেন অভিনেত্রী পায়েল, কী নাম রাখলেন ছেলের?]

এরপরই তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রকের কাছে নমো টিভি বিষয়ে রিপোর্ট চেয়ে নোটিস পাঠায় কমিশন। তার জবাবে মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়, নমো টিভি একটি ২৪ ঘণ্টার ডিরেক্ট টু হোম ক্যাটাগরির বিজ্ঞাপনী মাধ্যম। কোনও অনুমোদিত চ্যানেল নয়। আর এখানে যা বিজ্ঞাপন দেওয়া হবে তার খরচ বহন করবে বিজেপি। যদিও পরে এই টিভি বিজেপির নয় বলে জানিয়েছিলেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু, বৃহস্পতিবার এটা পরিষ্কার হয়ে যায় যে বিজেপির আইটি সেলের পক্ষ থেকেই নমো টিভিকে পরিচালনা করা হচ্ছিল। এমনকী বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক শুরু হওয়ার পর নমো নামের বদলে কনটেন্ট টিভিও রাখা হয়েছিল। কিন্তু, এত সব করার পরেও শেষরক্ষা হল না।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং