Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬
Yash's Toxic

‘পর্দায় পুরুষ সিংহ! বাস্তবে বুকের পাটা নেই’, আইনি নোটিস পেতেই যশকে তুলোধনা ইউটিউবারদের

'টক্সিক'-এর খারাপ রিভিউ দেওয়ায় যশের রোষানলে ইউটিউবার, ইনফ্লুয়েন্সাররা! গেল 'গণহারে' আইনি নোটিস।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৯, ২০২৬, ১১:৪৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৯, ২০২৬, ১১:৪৪

options
link
‘পর্দায় পুরুষ সিংহ! বাস্তবে বুকের পাটা নেই’, আইনি নোটিস পেতেই যশকে তুলোধনা ইউটিউবারদের zoom
'টক্সিক'-এর খারাপ রিভিউ দেওয়ায় যশের রোষানলে ইউটিউবার, ইনফ্লুয়েন্সাররা!
Advertisement

জন্মলগ্ন থেকেই বিতর্কের শিরোনামে ‘টক্সিক’। মুক্তির আলো দেখার পরও কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না বিতর্কের রেশ! সিনেমাজুড়ে নারীদের খুল্লমখুল্লা শরীর প্রদর্শন, রগরগে যৌনদৃশ্য দেখিয়ে উঠতে-বসতে কটাক্ষ, সমালোচনার শিকার হতে হচ্ছে নির্মাতাদের। প্রশ্ন উঠেছে, সিনেমার মেকিং নিয়েও। ক্ষণে ক্ষণে কেন রক্তগঙ্গা বইছে? কেনই বা তড়িৎগতিতে শয্যাসঙ্গিনী বদলাচ্ছে? এহেন নানা প্রশ্নবাণে জর্জর যশের মেগাবাজেট ‘টক্সিক’। আর সেই ছবির নেতিবাচক সমালোচনা করেই নির্মাতাদের আইনি রোষানলে পড়েছেন ইউটিউবার, ইনফ্লুয়েন্সাররা। ‘গণহারে’ আইনি নোটিস যাচ্ছে তাঁদের কাছে।

বিপাকে পড়েছেন দক্ষিণী নেটপ্রভাবীরা। ‘টক্সিক’-এর খারাপ রিভিউ দেওয়ায় তাঁদের প্রত্যেকের হাতেই আইনি নোটিস ধরিয়েছেন যশ ও প্রযোজনা সংস্থা।

বলিউড হোক বা দক্ষিণী ছবির বক্স অফিসে বাজিমাত করতে ‘আলফা মেল’ ট্রেন্ডই যে বর্তমানে নির্মাতাদের একমেবাদ্বিতীয়ম অস্ত্র হয়ে উঠেছে, তা বললেও অত্যুক্তি হয় না। তিন ঘণ্টার পালঙ্ক কাঁপানো ঠুনকো পৌরষের দম্ভ দেখানোয় সমালোচিত হতে হচ্ছে গীতু মোহনদাসকেও। ইউটিউবার, ইনফ্লুয়েন্সারদের কথায়, চিত্রনাট্যজুড়ে একাধিক সংলাপে নারীদের হেয় করার নিদর্শন রেখেছেন পরিচালক। অথযা রক্তারক্তি, যৌন সুড়সুড়িমূলক দৃশ্যে ঠাসা যশের ‘টক্সিক’-এর ক্ষেত্রে ‘অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট’ প্রবাদবাক্যটি যেন একেবারে অক্ষরে অক্ষরে প্রযোজ্য। কারণ এহেন মেগাবাজেট সিনেমায় সুদৃশ্যপট সিনেম্যাটোগ্রাফি, কমার্শিয়াল ছবির সব উপকরণ মজুত থাকলেও চিত্রনাট্যের বাঁধুনি অত্যন্ত অপরিপক্ক। সম্পাদনাও বেখাপ্পা! যার জেরে গল্প জমেনি। আর এসব বলেই বিপাকে পড়েছেন দক্ষিণী নেটপ্রভাবীরা। ‘টক্সিক’-এর খারাপ রিভিউ দেওয়ায় তাঁদের প্রত্যেকের হাতেই আইনি নোটিস ধরিয়েছেন যশ ও প্রযোজনা সংস্থা। আর সেই প্রেক্ষিতেই ‘কেজিএফ স্টার’কে তুলোধোনা করেছেন ইউটিউবার, ইনফ্লুয়েন্সাররা।

Advertisement
দ্বৈত চরিত্রে ‘টক্সিক’ যশ। 

‘ভেবেছিলাম বাস্তবে যশ সাহসী, কিন্তু এখন মনে হচ্ছে উনিও প্রভাবশালী ধনী ব্যতীত কিছুই নয়!’ 

একাধিক ইউটিউবার দাবি করেছেন যে, নেতিবাচক রিভিউ দেওয়ার কারণে ছবির প্রযোজনা সংস্থা ও যশের পক্ষ থেকে তাঁদের আইনি নোটিশ পাঠানো হচ্ছে। যা নিয়ে সিনেদুনিয়াতেও ফিসফাস! কারণ নেতিবাচক সমালোচনা দমন করতে এর আগে সিনেইন্ডাস্ট্রিতে এমন উদাহরণ তৈরি হয়েছে কিনা, তা মনে করা দায়। সুরাজ কুমার নামে জনৈক ইউটিউবার ‘অ্যাইপলেক্স সফটওয়ার প্রাইভেট লিমিটেড’ থেকে পাওয়া এক ইমেলের স্ক্রিনশট পোস্ট করেছেন। সেখান থেকেই জানা যায়, টক্সিক-এর বিরুদ্ধে যাবতীয় বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট সরানোর দায়িত্ব ওই সংস্থার হাতে সঁপেছে প্রযোজনা সংস্থা। ‘মুরুগল রোস্ট’ খ্যাত জনপ্রিয় রিভিউয়ার প্রশান্ত রঙ্গস্বামীও দাবি করেন, তিনি যশ ও কেভিএন প্রযোজনা সংস্থার তরফে আইনি সমন পেয়েছেন। তাঁর ক্ষোভ, ‘ভেবেছিলাম বাস্তবে যশ সাহসী, কিন্তু এখন মনে হচ্ছে উনিও প্রভাবশালী ধনী ব্যতীত কিছুই নয়!’ একই অভিযোগ তুলেছেন আরও নেটপ্রভাবীরা। তাঁদের কটাক্ষ, ‘পর্দায় পুরুষ সিংহ! বাস্তবে যশের বুকের পাটা নেই’। এহেন নানা কটাক্ষবাণে ছেয়ে গিয়েছে নেটভুবন।

আসলে গত ২২ আগস্ট বেঙ্গালুরুর এক আদালত ‘টক্সিক’-এর বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মানহানিকর ও মিথ্যে খবর ছড়ানো রোধ করতে এক অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ জারি করেছিল। আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই নির্দেশ কার্যকর থাকবে। তবে আদালত স্পষ্ট করেছিল যে, নিরপেক্ষ রিভিউ বা গঠনমূলক সমালোচনা এই আওতায় পড়ছে না। এরপর কেন নির্মাতারা ধরে ধরে নোটিস পাঠাচ্ছেন? উঠছে প্রশ্ন। তবে বিতর্কের আবহে এক সপ্তাহেই বক্স অফিসে ২০০ কোটির দুয়ারে পৌঁছে গিয়েছে ‘টক্সিক’। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.