৪ ফাল্গুন  ১৪২৬  সোমবার ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 

Menu Logo দিল্লি ২০২০ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সান্তনু কর, জলপাইগুড়ি: চা চাষের সম্পর্কে তথ্য জানাতে এবার অ্যাপ আনছে ইন্ডিয়ান টি অ্যাসোসিয়েশন। কৃষকদের যেমন চাষের নানা তথ্য জানার জন্য অ্যাপ রয়েছে, তেমনি এবার চা চাষের সম্পর্কে নানা তথ্য থাকবে এই অ্যাপে। অ্যাপ থেকে চা চাষের জন্য মাটির গুণগত মান, কী কী সার প্রয়োগ করা দরকার, রোগ নিবারণের জন্য কী করা প্রয়োজন, কীভাবে চাষ করলে উৎপাদন বাড়বে- সব তথ্যই খুব সহজে পেয়ে যাবেন চা চাষিরা। পাশাপাশি টি টুরিজমের উপরও জোর দেওয়া হয়েছে।

টি বোর্ড সূত্রে খবর, বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে ডুয়ার্সের চায়ের চাহিদা কমলেও দাম বেড়েছে ১৩ শতাংশ। চা বাগান মালিক সংগঠন ডিবিআইটিএ’র ১৪২তম বার্ষিক সম্মেলনে বেশ কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। আলোচনা থেকে উঠে আসে, গত কয়েক মাসে চায়ের উৎপাদন খরচ যেভাবে বেড়েছে সেই তুলনায় বাড়েনি চায়ের দাম। এর ফলে বর্তমানে ডুয়ার্স-তরাইয়ের চা শিল্পকে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়েছে। শ্রমিকদের নগদে মজুরি দিতে গিয়ে ২ শতাংশ হারে ব্যাংক’কে টিডিএস দেওয়ায় সমস্যা আরও বেড়ে গিয়েছে। এর সঙ্গে বাজারে রপ্তানিকৃত চায়ের ৫৫ শতাংশ জায়গাই দখল করে নিয়েছে ছোট চা-বাগানগুলি।

[আরও পড়ুন: শীতের মরশুমে বেগুন চাষে বিপুল লক্ষ্মীলাভ, নজর কাড়লেন আশাপুরের কৃষকরা]

এই অবস্থায় রাজ্য ও কেন্দ্র সরকার তথা টি বোর্ড যদি বিশেষভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে না দেয়, তাহলে চা শিল্প গভীর সংকটের মুখে পড়তে পারে। তবে টি অ্যাসোসিয়েশনের কর্তারা আশা প্রকাশ করেছেন, হয়তো শীঘ্রই এই সংকট কেটে যাবে এবং চা বাগানগুলি স্বাভাবিক ছন্দে ফিরে আসবে। সম্প্রতি বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় উত্তরবঙ্গ সফরে এসে চা বাগানে লাগানো ব্লেড তার খুলে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন। সে বিষয়ে এবং চা বলয়ে বন্যপ্রাণীর প্রতিনিয়ত আক্রমণ নিয়ে বনমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করার কথাও আইটিএ-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে ইন্ডিয়ান টি অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান নয়নতারা পালচৌধুরি বলেন, “চা চাষের সম্পর্কে সহজে তথ্য পেতে এবার অ্যাপ চালু করা হবে। চা উৎপাদনের পাশাপাশি টি টুরিজমের উপরও নজর দিতে হবে। যাতে বিদেশি পর্যটকরা এখানে ঘুরতে আসতে পারেন। এর ফলে উপকৃত হবে চা বাগান এবং এলাকার মানুষজন।” এখানে ঘুরতে এলে তাঁরা যেমন চা বাগানে পাতা তোলা, উৎপাদন, কারখানায় চা পাতা তৈরি, মনোরম পরিবেশ, সবকিছুই দেখার সুযোগ পাবেন। শহরের ব্যস্ততম জীবনের বাইরে এসে চা বাগানের মধ্যে নিরিবিলিতে থাকার সেই আনন্দ উপভোগ করতে পারবেন।

[আরও পড়ুন: বিকল্প হিসাবে মাদুরকাঠি চাষে সাফল্য, স্কচ অ্যাওয়ার্ড ছিনিয়ে নিলেন দক্ষিণ দিনাজপুরের কৃষকরা]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং