১ শ্রাবণ  ১৪২৬  বুধবার ১৭ জুলাই ২০১৯ 

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দুর্নীতির বিরুদ্ধে কোনওরকম আপস নয়। ফের সরকারি আমলাদের স্পষ্ট বার্তা দিল মোদি সরকার। দুর্নীতির অভিযোগে ফের কোপ পড়ল ১৫ জন কর আধিকারিকের উপর। তাঁদেরকে স্বেচ্ছাবসরে পাঠানো হল। দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত ১৫ জন শীর্ষ কর আধিকারিককে ছাঁটাই করল কেন্দ্রীয় প্রশাসন। প্রত্যেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, কর ফাঁকি দিতে একাধিক সংস্থাকে সাহায্যের জন্য ঘুষ নেওয়া। এদিন ছাঁটাই হওয়া কর আধিকারিকদের মধ্যে রয়েছেন আয়কর দপ্তরের যুগ্ম কমিশনার অশোক আগরওয়াল (আইআরএস ১৯৮৫ ব্যাচ), কমিশনার (আবেদন), এস কে শ্রীবাস্তব (আইআরএস ১৯৮৯ ব্যাচ), হোমি রাজবংশ (আইআরএস ১৯৮৫ ব্যাচ), বি বি রাজেন্দ্র প্রসাদ, অজয় কুমার সিং (সিআইটি) এবং বি আরুলাপ্পা (সিআইটি)।

[আরও পড়ুন: কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে পদক্ষেপ, শিক্ষাগত যোগ্যতা ছাড়াই মিলবে ড্রাইভিং লাইসেন্স]

তালিকায় এঁরা ছাড়াও রয়েছেন অলক কুমার মিত্র, চন্দর সাইনি ভারতী, আন্দাসু রবিন্দর, বিবেক বাত্রা, শ্বেতাভ সুমন ও রাম কুমার ভার্গব। এদিকে, আন্তর্জাতিক সাহায্য নেওয়ার ক্ষেত্রে নিয়ম লঙ্ঘন করার অভিযোগে খ্যাতনামা আইনজীবী আনন্দ গ্রোভার ও তাঁর সংগঠনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করল সিবিআই। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অভিযোগের প্রেক্ষিতেই সিবিআই ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে। তাঁর সংগঠন ২০০৬-০৭ এবং ২০১৫-১৬ সালে দু’ধাপে বিদেশি সাহায্য নিয়েছিল।

[আরও পড়ুন: চিনের ব্যাংকে হাজার হাজার কোটি টাকার ঋণ, আরও বিপাকে অনিল আম্বানি]

এই প্রথম নয়, এর আগেও ১২ জন শীর্ষ আধিকারিককে ছাঁটাই করেছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। এদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক গুরুতর অভিযোগ। যাদের ছাঁটাই করা হয়েছে, তাদের অধিকাংশই চিফ কমিশনার, হেড কমিশনার বা কমিশনার পদমর্যাদার। এদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, ঘুষ, তোলাবাজি এমনকী শ্লীলতাহানির মতো অভিযোগও রয়েছে। আসলে ২০১৪ তে ক্ষমতায় আসার আগেই দুর্নীতিমুক্ত ভারত গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রথম পাঁচ বছরে সেই কাজটি পুরোপুরি করা সম্ভব হয়নি বলেই দাবি বিরোধীদের। দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় এসেও সেই কাজটিই শুরু করল মোদি সরকার।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং