Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৩০ জুন ২০২৬
Ashoka University

উনিশের ভোটে বিজেপির জয়ের নেপথ্যে কারচুপি! বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাপত্র নিয়ে বিতর্ক

প্রকাশ্যে 'অস্বস্তিকর সত্য', উত্তর দিক সরকার, বলছে বিরোধী পক্ষ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২, ২০২৩, ১৪:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২, ২০২৩, ১৪:২২

options
link
উনিশের ভোটে বিজেপির জয়ের নেপথ্যে কারচুপি! বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাপত্র নিয়ে বিতর্ক zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে কারচুপি হয়েছিল? তার ফলেই কি বিপুল জয় গেরুয়া শিবিরের? এমন বিতর্কই উসকে দিয়েছে হরিয়ানার অশোকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (Ashoka University) চাঞ্চল্যকর গবেষণাপত্র। যেখানে দাবি করা হয়েছে, ২০১৯ সালের সাধারণ নির্বাচনে ভোট গণনায় অনিয়ম হয়েছে। চব্বিশের লোকসভা ভোটের আগে এমন দাবিতে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে শাসক-বিরোধী শিবিরে। একদল যেমন এই গবেষণাকে গুরুত্বহীন বলে দাবি করেছেন, তেমনই আরেক পক্ষের মন্তব্য, ‘অস্বস্তিকর সত্য’ প্রকাশ্যে এসেছে। জবাব দিক নির্বাচন কমিশন এবং কে্ন্দ্র। 

অশোকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক সব্যসাচী দাসের নেতৃত্ব প্রকাশিত গবেষণাপত্রটির শিরোনাম “বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের পিছু হটা”। গবেষণাপত্রের সারসংক্ষেপ সোমবার সমাজাকিমাধ্যমে পোস্ট করা হয়। সেখানে বলা হয়েছে, ভোটে কারচুপি হয়েছে কি না প্রমাণ-সহ তা খতিয়ে দেখা হয়েছে এই গবেষণায়। দাবি করা হয়েছে, যেখানেই দুই দলের প্রার্থীদের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছিল, সেখানেই গণনার সময় দুর্নীতি হয়েছে। কারচুপির অন্যতম লক্ষ্য ছিল সংখ্যালঘু ভোটাররা। তাঁরা নির্বাচনী বৈষম্যের শিকার হয়েছেন। নির্বাচনী আধিকারিকদের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে এই কাজ হয়েছে। যা গণতন্ত্রের ভবিষ্যতের জন্য উদ্বেগজনক।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: প্রতিহিংসার রাজনীতি! কংগ্রেস বিধায়কের হস্টেলের বিদ্যুৎ কাটল ত্রিপুরা সরকার, বন্ধ জলও]

স্বভাবতই গবেষণাপত্রের এই পোস্ট ভাইরাল হয়েছে। শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তর্জা। কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুর (Shashi Tharoor) টুইট করেছেন, গবেষণায় যা বলা হয়েছে তা চিন্তার উদ্রেককারী। এর উত্তর দেওয়া উচিত জাতীয় নির্বাচন কমিশন এবং ভারত সরকারের। অন্যদিকে শাসক শিবির এই গবেষণাকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। বিজেপি (BJP) সাংসদ নীশিকান্ত দুবে বলেন, নীতি নিয়ে মতভেদ থাকতেই পারে। কিন্ত এই বক্তব্য অর্থহীন। কী করে কেউ গবেষণার নামে ভারতের ভোট প্রক্রিয়াকে অসম্মান করতে পারে? এমন গবেষণাকে অনুমতি দিয়ে ঠিক কাজ করেনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

[আরও পড়ুন: পাঁচ মাসে নবম! কুনো জাতীয় উদ্যানে ফের মৃত্যু চিতার]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.