Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
lockdown

দূরত্ব ১৫০ কিলোমিটার, দশ মাসের সন্তানকে কাঁধে চাপিয়ে হেঁটে বাড়ি ফিরছেন যুবক

দেশের বিভিন্ন প্রান্তেই অনেক মানুষকে হেঁটে বাড়ি ফিরতে দেখা যাচ্ছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৭, ২০২০, ১৫:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৭, ২০২০, ১৫:৪৯

options
link
দূরত্ব ১৫০ কিলোমিটার, দশ মাসের সন্তানকে কাঁধে চাপিয়ে হেঁটে বাড়ি ফিরছেন যুবক zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা ভাইরাস (Corona Virus) ‘র সংক্রমণ রুখতে দেশজুড়ে লকডাউনের ঘোষণা করা হয়েছে। অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবা ছাড়া সবকিছুই স্থগিত রাখতে বলেছে সরকার। এর ফলে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন প্রচুর মানুষ। এর মধ্যে অনেকেই আছেন যাঁরা নিজের রাজ্য থেকে অন্য রাজ্যে পরিবার নিয়ে শ্রমিকের কাজ করতে গিয়েছিলেন। লকডাউনের ফলে সব থেকে সমস্যা পড়েছেন তাঁরা। কাজ না থাকায় খাবার জোটাতে পারছেন না অনেকেই। এদিকে লকডাউনে সমস্ত যানবাহন বন্ধ থাকায় নিজেদের রাজ্যেও ফিরতে পারছেন না। এই পরিস্থিতিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অনেককেই দেখা যাচ্ছে পায়ে হেঁটে বাড়ির দিকে যেতে। এমনই একজন যুবককে দেখা গেল দশ মাসের শিশুপুত্রকে কাঁধে চাপিয়ে স্ত্রী এবং আরও দুটি সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে দিল্লি থেকে উত্তরপ্রদেশের আলিগড়ের বাড়িতে ফিরতে। টানা দুদিন ধরে হেঁটে চলেছেন তাঁরা।

বান্টি নামে ওই যুবকের কথায়, দিল্লি থেকে ১৫০ কিলোমিটার দূরে উত্তরপ্রদেশের আলিগড়ে আমার গ্রামের বাড়ি। ২১ দিনের লকডাউন শুরু হওয়ার পরেই আমার কাজ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। কাছে যা টাকা ছিল তা দিয়ে বেশিদিন চলবে না। তারপর দিল্লিতে থাকলে কী খাব? ওখানে কারও থেকে কোনও সাহায্য পাচ্ছিলাম না তাই গ্রামের বাড়িতে ফেরার সিদ্ধান্ত নিই। কিন্তু, ফেরার কোনও গাড়ি পাচ্ছিলাম না তাই হেঁটেই বাড়ি ফিরছি। জানি ওখানেও হয়তো সমস্যা রয়েছে। রুটির জন্য লড়াই হচ্ছে। তবুও ওখানে গিয়ে নুন বা চাটনির সঙ্গে রুটি খাব। তাতেই শান্তি পাব। কিন্তু, এখানে থাকলে আমাদের কাছে কিছু নেই। দিল্লিতে কেউ সাহায্যও করছে না।’

Advertisement

[আরও পড়ুন: করোনা মোকাবিলায় নয়া উদ্যোগ কেন্দ্রের, বাড়ল মনরেগা প্রকল্পের মজুরি]

একই কথা শোনা গেল তাঁর স্ত্রীর মুখেও। সঙ্গে থাকা ছোট্ট মেয়ের হাত ধরে হাঁটতে হাঁটতে যাওয়ার সময় তিনি জানালেন, ‘দিল্লিতে থাকলে আমাদের বাঁচার কোনও আশা নেই। এখানে আমরা খাব কী? কেউ নিশ্চয় পাথর খেয়ে বেঁচে থাকতে পারে না।’

[আরও পড়ুন: ‘গরিবদের অর্থ সাহায্য, ৬ মাসের EMI বাতিল’, করোনা সামলাতে ৮ দাবি কংগ্রেসের]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.