Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Airfares

মধ্যপ্রাচ্যে অশান্তির জেরে মহার্ঘ জেট ফুয়েল, বিমানের টিকিটের দাম ২৫ শতাংশ বাড়বে!

যুদ্ধের আগে যেখানে জেট ফুয়েলের দাম ছিল ব্যারেল পিছু ২০ ডলার, যুদ্ধের শুরুর পর বাড়তে বাড়তে ব্যারেল পিছু ৫০ ডলার ছাপিয়ে গিয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৪, ২০২৬, ১৯:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৪, ২০২৬, ১৯:০৩

options
link
মধ্যপ্রাচ্যে অশান্তির জেরে মহার্ঘ জেট ফুয়েল, বিমানের টিকিটের দাম ২৫ শতাংশ বাড়বে! zoom
টিকিটের দাম নিয়ন্ত্রণে ইতিমধ্যে একাধিক পদক্ষেপ করেছে কেন্দ্র।
Advertisement

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের জেরে এখনও অবরুদ্ধ হরমুজ। ভূ-রাজনৈতিক এই অস্থিরতায় স্বাভাবিক নয় বিমানের জ্বালানি ‘জেট ফুয়েল’ সরবরাহ। ফলে বিমানসংস্থাগুলির খরচ ঊর্ধ্বমুখী। আন্তর্জাতিক সংস্থার সমীক্ষা অনুযায়ী, এর প্রভাবে যাত্রীদের বিমানে যাতায়াতের খরচ আরও মহার্ঘ হতে চলেছে। এমনকী ২৫ শতাংশ অবধি বাড়তে পারে বিমানের টিকিটের দাম।

ম্যানেজম্যান্ট ও কনসাল্টিং সংস্থা ম্যাককিনসে অ্যান্ড কোম্পানির সমীক্ষায় বলা হয়েছে, অশোধিত তেলের বাজারের অচলাবস্থা জেরে জ্বালানির দাম ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি তেল সরবরাহের সীমাবদ্ধতাও বিমানসংস্থাগুলির মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সব মিলিয়ে খরচ সামলাতে বিমানের টিকিটের দাম বাড়ানো ছাড়া উপায় নেই। জানা গিয়েছে, জেট ফুয়েলের ৪০ শতাংশ উৎপাদন হয় মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলিতে। সেখানে যুদ্ধের জেরে অশোধিত তেলের উৎপাদন ব্যাপক হারে কমেছে। যুদ্ধের আগে যেথানে জেট ফুয়েলের দাম ছিল ব্যারেল পিছু ২০ ডলার, যুদ্ধের শুরুর পর তা বাড়তে বাড়তে ব্যারেল পিছু ৫০ ডলার ছাপিয়ে যাচ্ছে।

Advertisement

টিকিটের দাম নিয়ন্ত্রণে ইতিমধ্যে একাধিক পদক্ষেপ করেছে কেন্দ্র। আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহন সংস্থার (আইএটিএ) তথ্য অনুযায়ী, জ্বালানি ও শ্রম খরচের পর বিমান সংস্থাগুলির বড় খরচ হয়ে থাকে বিমানবন্দরে নানা শুল্কের জেরে। এই অবস্থায় তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে এয়ারপোর্ট ইকোনমিক রেগুলেটরি অথোরিটি অফ ইন্ডিয়া। বিমান অবতরণ (ল্যান্ডিং) এবং পার্কিং চার্জ ২৫ শতাংশ কমিয়েছে তারা। এরপর গত মে মাসে বিমানসংস্থাগুলির জন্য মোট ৫০০০ কোটি টাকা আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার।

প্রসঙ্গত, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের জেরে প্রভাবিত হয়েছে বিশ্বব্যাপী জ্বালানির বাজার। ‘তৈল ধমনী’ হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। এর ফলে তৈরি হয়েছে জ্বালানি সংকট। বহু দেশের জাহাজ ওই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে আটকে পড়েছে। তবে ভারত, চিন, রাশিয়া, ইরাক এবং পাকিস্তানকে ‘ছাড়পত্র’ দিয়েছে তেহরান। কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, হরমুজ ছাড়াও বিকল্প পথে তেল আমদানি করা হচ্ছে। শুধু তা-ই নয়, পেট্রল ও ডিজেলের উপর চাপানো অন্তঃশুল্কও কমিয়ে দিয়েছে কেন্দ্র সরকার।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.