BREAKING NEWS

১৪ আশ্বিন  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ১ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন, চিন থেকে আমদানি করা PPE ব্যবহার করছে না অসম

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: April 19, 2020 10:06 am|    Updated: April 19, 2020 10:06 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: চিনের পাঠানো চিকিৎসা সামগ্রীর মান নিয়ে আগেই একাধিক দেশ প্রশ্ন তুলেছে। গুণগত মান খারাপ হওয়ায় কয়েকটি দেশ এই সরঞ্জামগুলি ফেরতও দিয়েছে। তা সত্বেও দেশের প্রথম রাজ্য হিসেবে চিন থেকে PPE ((Personal Protective Equipment)) কিট আমদানি করেছিন অসম। তখনই অসম সরকারের সেই সিদ্ধান্ত সমালোচিত হয়। বিরোধীদের দাবি যে একেবারে অমূলক নয়, তিনদিন কাটতে না কাটতেই তা স্পষ্ট হয়ে গেল। চিন থেকে আমদানি করা ৫০ হাজার PPE কিট এখনই ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নিল অসম সরকার। এগুলির মধ্যে কিছু কিট বাছাই করে পরীক্ষা করতে পাঠানো হবে। পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেই সেগুলি ব্যবহার করা যেতে পারে। নতুবা নয়।

দিন তিনেক আগেই চিন থেকে গুয়াহাটিতে এসে পৌঁছেছে ওই PPE কিটগুলি। রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা (Himanta Biswa Sarma) নিজে বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন কিটগুলির ডেলিভারি নিতে। কিন্তু, গুয়াহাটিতে পৌঁছানো মাত্রই অসমের চিকিৎসকমহলে খবর ছড়ায়,  হিমন্ত যে কিটগুলি এনেছেন তা নিম্নমানের। সেই খবর ছড়াতেই বহু চিকিৎসক চিনের সেই PPE কিটগুলি ব্যবহারে আপত্তি জানান। স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মাকে সেকথা জানিয়েও দিয়েছেন তাঁরা। চিকিৎসকদের সাফ কথা, গুণগত মান নিয়ে নিশ্চিন্ত না হওয়া পর্যন্ত ওই  PPE কিটগুলি তাঁরা ব্যবহার করবেন না। 

[আরও পড়ুন: চিনের ছক বানচালে মরিয়া, প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের নিয়ম বদল করল কেন্দ্র]

অসম সরকার অবশ্য PPE কিটগুলির গুণগত মান নিয়ে যে অভিযোগ উঠছে তাতে আমল দিতে নারাজ। সরকার বলছে, চিনের পাঠানো কিটগুলি নিয়ে প্রশ্ন ভিত্তিহীন। ইতিনধ্যেই ওই কিটগুলি ব্যবহারের ছাড়পত্র দিয়েছে DRDO। কোনও কিট বাতিল করা হয়নি। তবে চিকিৎসকরা যেহেতু এর বিরোধিতা করছেন, তাই এই পরিস্থিতিতে এগুলি ব্যবহার করা হচ্ছে না। সরকার চিকিৎসকদের মনোবল ভেঙে দিতে চায় না। স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিমন্ত বলছেন,”বহু চিকিৎসক এবং নার্স আমাদের বার্তা পাঠিয়েছেন এই কিটগুলির মান নিয়ে। আমরা এই মুহূর্তে চিকিৎসকদের মনোবল ভেঙে দিতে বা ওদের বিভ্রান্ত করতে চায় না। সেজন্যই আপাতত কিটগুলি ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। “

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement