Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Babri Masjid demolition

বাবরি ধ্বংস মামলায় আডবানী-জোশীদের বিরুদ্ধে নয়া মামলা, সোমবারই শুনানি

ফের উসকে গেল বাবরি বিতর্ক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৭, ২০২২, ১২:৫৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৭, ২০২২, ১২:৫৮

options
link
বাবরি ধ্বংস মামলায় আডবানী-জোশীদের বিরুদ্ধে নয়া মামলা, সোমবারই শুনানি zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের রায়ে বাবরি মসজিদ-রাম মন্দির বিতর্কের অবসান ঘটেছে। অযোধ্যায় (Ayoddhya) ওই বিতর্কিত জমিতে তৈরি হচ্ছে ভব্য রামমন্দির। এরই মধ্যে আবার নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে উঠল বাবরি ধ্বংস মামলা। বেকসুর খালাস পাওয়া অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ফের মামলা দায়ের করেছেন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের দুই ব্যক্তি।

সূত্রের খবর, লালকৃষ্ণ আডবানী, মুরলী মনোহর জোশী, সাধ্বী ঋতম্ভরা, উমা ভারতী-সহ মোট ৩২ জনের ‘রিট’ পিটিশন দায়ের হয়েছে। এদের মধ্যে কল্যাণ সিংয়ের মৃত্যু হয়েছে। মামলাকারী হাজি মেহেমুব (Haji Meheboob), সৈয়দ আখলাখ আহমেদের দাবি, সবাই জানে বাবরি মসজিদ ধ্বংস হয়েছিল। তাই যে প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযুক্তদের বেকসুর খালাস করা হয়েছে, সেটা যুক্তিহীন। এই মামলার সব সাক্ষ্যপ্রমাণ ফের খতিয়ে দেখার আবেদন জানিয়েছেন মামলাকারীরা। আদালত সূত্রের খবর, মামলাটি মাসছ’য়েক আগে দায়ের হলেও এর শুনানি সোমবার।

Advertisement

[আরও পড়ুন: উপরাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিসেবে ধনকড়ের নাম নিয়ে এখনই মুখ খুলছে না তৃণমূল, সংশয়ে বিরোধীরা]

উল্লেখ্য, প্রায় ২৮ বছর পর ২০২০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর বাবরি ধ্বংস মামলায় রায়দান করে লখনউের বিশেষ সিবিআই আদালত। প্রাক্তন উপপ্রধানমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা লালকৃষ্ণ আডবানী, মুরলী মনোহর যোশী, উমা ভারতী (Uma Bharati), কল্যান সিং-সহ ৩২ জন অভিযুক্তকে বেকসুর খালাস করে দিয়ে জানায়, ওই ঘটনা পূর্বপরিকল্পিত ছিল না। এই মামলার মোট অভিযুক্ত ছিলেন ৪৮ জন। তবে দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়া চলাকালীন ১৭ জন অভিযুক্তের মৃত্যু হয়েছে। 

[আরও পড়ুন: কোন অঙ্কে ধনকড়কে উপরাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী করল বিজেপি? রইল সম্ভাব্য পাঁচ কারণ]

বলে রাখা দরকার, ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর বাবরি ধ্বংস মামলায় দুটি মূল FIR দায়ের হয়। প্রথমটি ছিল লক্ষ লক্ষ করসেবকদের বিরুদ্ধে, যারা নিজের হাতে মসজিদটি ধ্বংস করেন। দ্বিতীয়টি আডবানী, যোশীদের মতো নেতাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে। সিবিআইয়ের বিশেষ আদালত সেই ষড়যন্ত্রের তত্ত্বই খারিজ করে দেয়। সেই রায়ের বিরুদ্ধেই ফের হাই কোর্টে শুনানি হতে চলেছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.