১ আশ্বিন  ১৪২৬  বৃহস্পতিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বালাকোটে ভারতীয় বায়ুসেনা যে এয়ারস্ট্রাইক করেছিল তার কোডনেম ছিল ‘অপারেশন বন্দর’। এমন তথ্যই উঠে এসেছে একটি সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদনে। ভারতীয় সেনা সূত্রেই এই খবর তারা পেয়েছে বলে দাবি করেছে সংবাদ সংস্থাটি।

[আরও পড়ুন- ‘জয় বাংলা’ নিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রাদেশিকতার অভিযোগ,তথাগতর মন্তব্যে বিতর্ক]

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি পুলওয়ামার অবন্তীপোরায় সিআরপিএফ কনভয়ের উপর আত্মঘাতী হামলা চালায় জইশ-ই-মহম্মদ জঙ্গিরা। এর ফলে শহিদ হন ৪৯ জন জওয়ান। এর বদলা নিতে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের বালাকোটে থাকা জইশ-ই-মহম্মদের ট্রেনিং ক্যাম্পে এয়ারস্ট্রাইক চালায় ভারতীয় বায়ুসেনা। এর ফলে খতম হয় প্রচুর জইশ জঙ্গি ও প্রশিক্ষক। নিকেশ হয় জইশ প্রধান মাসুদ আজহারের বড়ভাই ও শ্যালক-সহ ওই জঙ্গি গোষ্ঠীর পাঁচজন শীর্ষ নেতা। এরপরই সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের এই ঘটনাকে অসামরিক ও প্রতিরোধমূলক অভিযান বলে জানানো হয় ভারতের তরফে। বলা হয়, ফের জইশ জঙ্গিরা যাতে ভারতে হামলা না চালাতে পারে তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল।

[আরও পড়ুন- মুসলমান যুবকদের মারধর করে বলানো হল ‘জয় শ্রীরাম’, চাঞ্চল্য অসমে]

এরপরই উত্তেজনা তৈরি হয় ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে। প্রথমে বালাকোটের কথা স্বীকার না করলেও পরেরদিন ২৭ ফেব্রুয়ারি ভারতের আকাশসীমায় ঢুকে পড়ে পাকিস্তানের বেশ কয়েকটি যুদ্ধবিমান। তাদের তাড়া করতে গিয়ে মিগ-২১ বিমান নিয়ে পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে ঢুকে পড়ে উইং কমান্ডার অভিনন্দন বর্তমান। তাঁকে আটক করে ভারতের সঙ্গে দর কষাকষির চেষ্টা করে পাকিস্তান। কিন্তু, ভারতের আক্রমণাত্মক মনোভাবের কাছে মাথা ঝোকাতে হয় তাদের। দুদিন পরে বিনাশর্তে অভিনন্দনকে ছেড়ে দেয় তারা। সেই ঘটনার প্রায় চারমাস বাদে জানা গেল বালাকোট এয়ারস্ট্রাইকের কোডনেম।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং