Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Bilkis Bano

‘বিলকিস বানোর ধর্ষকরা ব্রাহ্মণ, সুসংস্কারী’, গোধরার বিজেপি বিধায়কের মন্তব্যে বিতর্ক তুঙ্গে

ধর্ষকদের মুক্তির নির্দেশ প্রত্যাহারের আরজি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে আরজি বহু মানুষের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৯, ২০২২, ০৯:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৯, ২০২২, ০৯:০০

options
link
‘বিলকিস বানোর ধর্ষকরা ব্রাহ্মণ, সুসংস্কারী’, গোধরার বিজেপি বিধায়কের মন্তব্যে বিতর্ক তুঙ্গে zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিলকিস বানো (Bilkis Bano) গণধর্ষণ কাণ্ডে দোষীদের জেল থেকে মুক্তি দিয়েছে গুজরাট সরকার (Gujarat)। ইতিমধ্যেই বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (Vishwa Hindu Parishad) তাদের প্রায় ‘বীরে’র মর্যাদা দিয়েছে। নিজেদের কার্যালয়ে নিয়ে গিয়ে মালা পরিয়ে সংবর্ধনা দিয়েছে। এবার গোধরার বিধায়ক বলে বসলেন, বিলকিস বানোর ধর্ষকরা সকলেই ‘ব্রাহ্মণ’। তাদের ‘সংস্কার’ খুবই ভাল। যা নতুন করে বিতর্ক উসকে দিল। গেরুয়া শিবির যেভাবে গণধর্ষণকারীদের রীতিমতো সংবর্ধনা আর শংসাপত্র বিলোচ্ছে, তা নিয়ে ক্ষোভে ফুঁসছেন অনেকেই। ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্টে জমা পড়েছে ৬ হাজারেরও বেশি আবেদন। তাঁদের সকলের দাবি, ওই ধর্ষকদের সময়ের আগে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ প্রত্যাহার করে নেওয়া হোক।

জানা যাচ্ছে, গণধর্ষণকারীদের মুক্তি দেওয়ার ক্ষেত্রে গুজরাট সরকারের যে পরিকল্পনা তার পিছনে যে দুই বিধায়ক রয়েছেন, তাঁদেরই অন্যতম গোধরার বর্তমান বিধায়ক সি কে রউলজি। এক সাংবাদিকের কথা বলার সময় তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, ”ওরা ব্রাহ্মণ। আর ব্রাহ্মণদের সকলেরই ভাল সংস্কার থাকে। এখানে নিশ্চয়ই কারও খারাপ উদ্দেশ্য ছিল ওদের কোণঠাসা করে শাস্তি দেওয়ার।” সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে ওই নেতার এহেন ‘বচনে’র ভিডিও। বহু মানুষই বিস্ময় প্রকাশ করেছেন, কী করে একজন রাজনৈতিক নেতা ও জনপ্রতিনিধি ধর্ষকদের নিয়ে এমন মন্তব্য করতে পারেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: হাই কোর্টে সাময়িক স্বস্তি অনুব্রতকন্যার, হাজিরার নির্দেশ প্রত্যাহার বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের]

এদিকে ধর্ষকদের মুক্তির নির্দেশ প্রত্যাহারের আরজি জানিয়ে জমা পড়েছে ৬ হাজারেরও বেশি আবেদন। মধ্যবিত্ত নাগরিক থেকে প্রান্তিক শ্রেণির প্রতিনিধি, মানবাধিকার কর্মী, লেখক, ইতিহাসবিদ, গবেষক, চলচ্চিত্র নির্মাতা, সাংবাদিক, প্রাক্তন আমলা অনেকেই আবেদন জানিয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, যে দিনটা আমরা আমাদের স্বাধীনতা উদযাপন করছিলাম, সেদিনই দেশের মহিলারা দেখতে পেলেন কীভাবে রাষ্ট্রের উদারতায় গণধর্ষণকারী ও গণহত্যাকারীরা মুক্তি পাচ্ছে।

উল্লেখ্য, প্রথা ভেঙেই এগারোজন দোষীকে মুক্তি দিয়েছে গুজরাট সরকার। স্বাধীনতা দিবসের দিনই জেল থেকে বেরিয়েছে তারা। গোধরা সাব জেলের সামনেই মালা এবং মিষ্টি নিয়ে তাদের মুক্তি উদযাপন করা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে কিছুই জানতেন না বলে দাবি করেছেন বিলকিসের স্বামী ইয়াকুব রসুল। তিনি বলেছেন, “কোন সরকার দোষীদের মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সেই ব্যাপারে কোনও কিছুই জানতাম না।”

[আরও পড়ুন: খারিজ পার্থর জামিনের আবেদন, আরও ১৪ দিন জেলেই থাকতে হবে ‘অপা’কে]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.