Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
সানি

জল্পনা সত্যি করে বিজেপিতেই যোগ দিলেন সানি দেওল

পাঞ্জাবের গুরুদাসপুর থেকে প্রার্থী হতে পারেন অভিনেতা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৩, ২০১৯, ১৩:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৩, ২০১৯, ১৩:১৬

options
link
জল্পনা সত্যি করে বিজেপিতেই যোগ দিলেন সানি দেওল zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিজেপিতে যোগ দিলেন অভিনেতা সানি দেওল। মঙ্গলবার দিল্লিতে বিজেপি দপ্তরে এসে দলীয় পতাকা তুলে নেন অভিনেতা। উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ এবং রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল। সূত্রের খবর, পাঞ্জাবের গুরুদাসপুর থেকে গেরুয়া শিবিরের টিকিট পেতে পারেন সানি। তবে, এখনও সরকারিভাবে ঘোষণা করা হয়নি বিজেপির তরফে।

[আরও পড়ুন: ২৩ বার ঘায়েল হয়েও থামেননি, ফের নির্বাচনী লড়াইয়ে গোয়ালিয়রের চা-ওয়ালা]

এদিন অভিনেতাকে দলে যোগদান করানোর পর প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ বলেন, “দেশের প্রতি ওঁর ভালবাসা নিয়ে কারও সন্দেহ নেই।” সানি নিজে বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পাঁচ বছরে প্রচুর কাজ করেছেন। আমি চাই উনি আরও পাঁচ বছর প্রধানমন্ত্রী থাকুন। আমার বাবা অটলবিহারী বাজপেয়ীর পাশে ছিলেন। আমিও সেভাবেই মোদিজির পাশে থাকতে চাই। আমার কাজই আমার হয়ে কথা বলবে।” উল্লেখ্য, সানি দেওলের বাবা ধর্মেন্দ্র ২০০৪ সালে রাজস্থান থেকে বিজেপির টিকিটে লড়ে সাংসদ হয়েছেন। হেমা মালিনী এখনও মথুরা কেন্দ্রের সাংসদ, এবং এবছরও একই কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছেন। এরই মধ্যে ধর্মেন্দ্রর পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে সানি দেওল গেরুয়া শিবিরে নাম লিখিয়েছেন। বিজেপি এখনও পাঞ্জাবের তিনটি কেন্দ্রে প্রার্থী ঘোষণা করেনি। সেই তিনটি আসন হল অমৃতসর, গুরুদাসপুর এবং হোশিয়ারপুর। আসলে, ২০১৭ সালে পাঞ্জাবে ক্ষমতা হারানোর পর বিজেপি-শিরোমণি অকালি দলের জনপ্রিয়তা এবং সংগঠন দুটোই তলানিতে ঠেকেছে। তাই গেরুয়া শিবির চাইছে কোনও সেলিব্রিটিকে প্রার্থী করে দলের সংগঠনকে মজবুত করতে।

Advertisement

[আরও পড়ুন:তৃতীয় দফায় ১১৭ আসনে শুরু ভোটগ্রহণ, ভাগ্য নির্ধারণ একাধিক হেভিওয়েটের]

সূত্রের খবর, প্রয়াত বিনোদ খান্নার ছেড়ে যাওয়া আসন গুরুদাসপুর থেকে প্রার্থী করা হতে পারে। বিনোদ খান্না এই আসনটিতে বিজেপির টিকিটে একাধিকবার সাংসদ হয়েছেন। কিন্তু, তাঁর মৃত্যুর পর আসনটিতে বড় ব্যবধানে জয়ী হন কংগ্রেসের সুনীল জাখর। পাঞ্জাব প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি তিনি। তাই মনে করা হচ্ছে, রাজনীতিতে প্রথম ইনিংসটি বেশ কঠিন হতে চলেছে ‘গদর’ অভিনেতার।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.