১০ অগ্রহায়ণ  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ২৬ নভেম্বর ২০২০ 

Advertisement

‘কংগ্রেস ক্ষয়িষ্ণু দলে পরিণত হয়েছে, সংগঠন বলে কিছু নেই’, এবার বেসুরো চিদম্বরম

Published by: Subhajit Mandal |    Posted: November 18, 2020 2:35 pm|    Updated: November 18, 2020 2:35 pm

An Images

ফাইল ফটো

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কপিল সিব্বলের (Kapil Sibal) পর এবার পি চিদম্বরম। বিহার ভোটে তথা বিভিন্ন রাজ্যের উপনির্বাচনে দলের দৈন্যদশা নিয়ে বিস্ফোরক আরও এক বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা। প্রাক্তন অর্থমন্ত্রীর সাফ কথা, আমাদের মেনে নিতে হবে যে দলে ক্ষয় ধরেছে। কোনও কোনও রাজ্যে আমাদের সংগঠন বলে কিছু নেই। আর থাকলেও তা একেবারেই নগণ্য।

বিভিন্ন রাজ্যের উপনির্বাচনে বড় ব্যবধানে হার, তথা বিহারে বিজেপি বিরোধী মহাজোটের সবচেয়ে দুর্বল শরিক হিসেবে উঠে আসার পর বিরোধী শক্তি হিসেবে কংগ্রেসের (Congress) গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে দলের অন্দরেই। কপিল সিব্বল ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে দলের শীর্ষনেতাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছেন। যার জেরে প্রকাশ্যে এসে গিয়েছে দলের অন্দরের কোন্দল। আর সেই কোন্দলে এবার ঘৃতাহুতি দিলেন চিদম্বরম (P Chidambaram)।

[আরও পড়ুন: গরুদের নিরাপত্তায় বাড়তি নজর, বিজেপি শাসিত মধ্যপ্রদেশে তৈরি হচ্ছে পৃথক ‘গো মন্ত্রক’]

প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী বলছেন,”আমি বেশি চিন্তিত উত্তরপ্রদেশ, গুজরাট, মধ্যপ্রদেশ এবং কর্ণাটকের উপনির্বাচনের ফলাফলে। এই ফলাফলগুলিতে বোঝা যাচ্ছে তৃণমূলস্তরে দলটার হয় কোনও সাংগঠনিক শক্তিই আর অবশিষ্ট নেই, আর নাহয় তা অতিরিক্ত দুর্বল হয়ে গিয়েছে।” চিদম্বরম স্বীকার করে নিয়েছেন, বিহারে শক্তির তুলনায় বেশি আসনে লড়েছে কংগ্রেস। তাঁর সাফ কথা,”আমার মনে হয় সাংগঠনিক শক্তির থেকে বিহারে বেশি আসনে লড়েছে কংগ্রেস। আমাদের এমন ২৫টি আসনে লড়তে বলা হয়েছে যেগুলি গত ২০ বছর বিজেপি বা তার জোটসঙ্গীরা জিতে আসছে। কংগ্রেসের উচিৎ ছিল ওই ২৫ আসনে লড়াই না করে বাকি ৪৫ আসনে লড়া।”

[আরও পড়ুন: ‘শুধু মুখের কথায় কাজ হয় না, কিছু করে দেখান’, দলের ‘বিদ্রোহী’ নেতাদের তোপ অধীরের]

প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী বলছেন, সিপিআইএম(এল), এআইএমআইএমের মতো ছোট দলগুলি দেখিয়ে দিয়েছে, সংগঠনের জোর থাকলেই ভাল ফল করা যায়। দলের অন্দরের কোন্দল প্রসঙ্গে চিদম্বরমের সাফ কথা, “আমাদের মেনে নিতে হবে যে কংগ্রেস ক্ষয়িষ্ণু দলে পরিণত হয়েছে। এখন আমাদের অভিজ্ঞ এবং রাজনীতির বাস্তবটা বোঝে এমন লোককে দায়িত্ব দিতে হবে। কারণ সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী না হলে, যতই সমর্থন পাও বিজেপিকে হারাতে পারবে না।”

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement