BREAKING NEWS

২৮ শ্রাবণ  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ১৩ আগস্ট ২০২০ 

Advertisement

ভোটগণনার দিন হতে পারে অশান্তি, রাজ্যগুলিকে সতর্ক করল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক

Published by: Soumya Mukherjee |    Posted: May 22, 2019 8:54 pm|    Updated: May 23, 2019 9:26 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভোটগণনার দিন যাতে হিংসাত্মক কোনও ঘটনা না ঘটে তার জন্য রাজ্যগুলিকে সর্তক করল কেন্দ্র। বুধবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে প্রতিটি রাজ্যের মুখ্যসচিব ও ডিজিপি-কে হিংসাত্মক ঘটনা রুখতে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একটি বিবৃতি দিয়ে রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে আইন-শৃঙ্খলা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতেও বলা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের পক্ষ থেকে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে আইন-শৃঙ্খলা, শান্তি ও জনগণের নিরাপত্তা দানের বিষয়টি সুনিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে যে সমস্ত স্ট্রংরুমে ইভিএম রাখা হয়েছে ও ভোটগণনা হবে সেখানে কড়া নিরাপত্তা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গণনার সময় কোনও গুজবকে কেন্দ্র করে কেউ যাতে গন্ডগোল সৃষ্টি না করতে পারে নজর রাখতে হবে সেদিকেও। কোনও অশান্তির ফলে যাতে ভোটগণনা বন্ধ না হয়, সেটা সুনিশ্চিত করাই আসল লক্ষ্য।

[আরও পড়ুন- মোদি সরকারের আরও পাঁচ বছর অন্ধকারে ঠেলে দেবে ভারতকে!]

সূত্রের খবর, যদি  কোনও রাজনৈতিক দল বা প্রার্থীর পছন্দমতো ফলাফল না হয় তাহলে গন্ডগোল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর তা থেকেই ঘটতে পারে হিংসাত্মক ঘটনা। কারণ ইতিমধ্যেই জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে ইভিএম কারচুপি হতে পারে বলে অভিযোগ জানিয়েছে বিজেপি বিরোধী দলগুলি। ভিভিপ্যাট ও ইভিএম সংক্রান্ত অভিযোগ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থও হয়েছে তারা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও চন্দ্রবাবু নায়ডুর মতো অভিজ্ঞ রাজনীতিকরা সমস্ত বিরোধী দলের কর্মী-সমর্থকদের কাছে স্ট্রংরুম ও ভোটগণনা কেন্দ্রগুলি পাহারা দেওয়ার আরজিও জানিয়েছেন। ইতিমধ্যে বিভিন্ন জায়গায় সেই কাজ করতেও শুরু করেছেন বিভিন্ন দলের নেতা-কর্মীরা।

[আরও পড়ুন- শরদ পওয়ারের মধ্যস্থতায় বিরোধী শিবিরে নাম লেখাচ্ছে বিজেডি-টিআরএস!]

উত্তরপ্রদেশে ইভিএম কারচুপি ও সেগুলি অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে বিক্ষোভ দেখানোর ভিডিওটি ইতিমধ্যেই ভাইরাল। বুধবার ২২টি রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে উত্তর চাওয়া হয়। কিন্তু, তাদের পক্ষ থেকে ইভিএম কারচুপির বিষয়টি ভিত্তিহীন বলার পর অনেকেই পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলছেন।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement