Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
ইস্তেহার

আলাদা কৃষক বাজেট থেকে অ্যাকাউন্টে ৭২ হাজার, ইস্তাহারে কল্পতরু কংগ্রেস

আর কী কী রয়েছে কংগ্রেসের প্রতিশ্রুতিপত্রে?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৭, ২০১৯, ১৩:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৭, ২০১৯, ১৩:৩০

options
link
আলাদা কৃষক বাজেট থেকে অ্যাকাউন্টে ৭২ হাজার, ইস্তাহারে কল্পতরু কংগ্রেস zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কৃষক সমস্যা, বেকার সমস্যা, দারিদ্র দূরীকরণ, ন্যায় প্রকল্প, শিক্ষাক্ষেত্রে বরাদ্দ বৃদ্ধি, জাতীয় নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য পরিষেবায় বিশেষ নজর। ইস্তাহারে একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতি কংগ্রেসের। নয়াদিল্লিতে, মনমোহন সিং, সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, পি চিদম্বরম, এ কে অ্যান্টনিদের উপস্থিতিতে ইস্তাহার প্রকাশ করেছে কংগ্রেস। ইস্তাহারে মূলত সাধারণের সমস্যার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে, প্রচ্ছদে বড় করে লেখা, “আমরা প্রতিশ্রুতি পূরণ করব।”

[আরও পড়ুন: ‘স্বাধীন কাশ্মীর’-এর পক্ষে সওয়াল, ভোটের আগে বিচ্ছিন্নতার সুর ওমর আবদুল্লার গলায়]

ইস্তাহার প্রকাশের মঞ্চে কংগ্রেস সভাপতির দাবি, “আমি ইস্তাহারে একটিও মিথ্যে কথা বলতে চাইনি। কারণ, আমরা পাঁচ বছর ধরে খালি মিথ্যে শুনে আসছি। এই ইস্তাহার মানুষের ইচ্ছার বহিঃপ্রকাশ।” রাহুল গান্ধীর কথা অনুযায়ী, “আমাদের নির্বাচনী প্রতীক হাত, হাতের পাঁচ আঙুল, তাই ইস্তাহারেও পাঁচটি বড় প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।”

Advertisement

একনজরে রাহুলের পাঁচ ঘোষণা: 

প্রথম প্রতিশ্রুতি: ন্যায় প্রকল্প। রাহুল বলেন, “প্রধানমন্ত্রী ১৫ লক্ষ টাকার মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু আমরা জানি ভারত সরকার সবাইকে ১৫ লক্ষ টাকা দিতে পারবে না। ভারত সরকার ২০ শতাংশ মানুষকে ৭২ হাজার টাকা করে দিতে পারবে। ‘গরিবি পর বার-৭২ হাজার।’ ভারতের ২০ শতাংশ সবচেয়ে গরিব মানুষকে কংগ্রেস সরকার সরাসরি টাকা দেবে।” রাহুলের কথায়, “এতে দুটি কাজ হবে। প্রথম কাজ, সরাসরি কৃষকের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকবে। দ্বিতীয় কাজ, নোট বাতিল-জিএসটির পর থমকে যাওয়া অর্থনীতি আবারও চলতে শুরু করবে।”

দ্বিতীয় প্রতিশ্রুতি: বেকারদের চাকরি। রাহুলের কথায়, “ভারতের জ্বলন্ত সমস্যা বেকারত্ব। প্রধানমন্ত্রী মিথ্যে বলেছিলেন ২ কোটি চাকরি দেবেন। সেই কাজ সম্ভব নয়। আমরা খতিয়ে দেখেছি ২২ লক্ষ সরকার চাকরি আসন ফাঁকা আছে। সেই আসন আমরা ১ বছরের মধ্যে পূরণ করব। পাশাপাশি পঞ্চায়েত স্তরে ১০ লক্ষ যুবক কাজ পাবেন। সেই সঙ্গে নতুন ব্যবসা খুললে প্রথম ৩ বছর কোনও অনুমতির প্রয়োজন হবে না।” রাহুলের বড় ঘোষণা ১০০ দিনের কাজ ১৫০ দিন করা হবে।

[আরও পড়ুন: উধাও ৭০ হাজার অনুপ্রবেশকারী, অসম সরকারকে ভর্ৎসনা সুপ্রিম কোর্টের]

তৃতীয় প্রতিশ্রুতি: কৃষক সমস্যা। কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে কৃষকদের জন্য আলাদা বাজেট পেশ করা হবে। কত টাকা কৃষকদের জন্য বরাদ্দ, কোন ফসলের কত ন্যূনতম মূল্য নির্ধারিত হবে আলাদা বাজেট। সেই সঙ্গে কংগ্রেস সভাপতির ঘোষণা, কৃষকরা ঋণ শোধ করতে না পারলে আর তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা হবে না। যদিও, সরাসরি কৃষি ঋণ মকুবের কথা ঘোষণা করলেন না।

চতুর্থ প্রতিশ্রুতি: শিক্ষাক্ষেত্রে বরাদ্দ বৃদ্ধি। জিডিপির ৬ শতাংশ বাজেট ভারতের শিক্ষার জন্য দেওয়া হবে। আইআইটি, আইআইএম-সহ সব শিক্ষাকেন্দ্র সাহায্য পাবে।

পঞ্চম প্রতিশ্রুতি: স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার প্রত্যেক গরিব যাতে উচ্চ স্তরের স্বাস্থ্য পরিষেবা পায় সেদিকে নজর দেবে কংগ্রেস সরকার। যদিও, এ বিষয়ে স্পষ্ট কোনও ঘোষণা করেনি কংগ্রেস। সেই সঙ্গে জাতীয় এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার ক্ষেত্রে আলাদা করে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.