৯ জ্যৈষ্ঠ  ১৪২৬  শুক্রবার ২৪ মে ২০১৯ 

Menu Logo নির্বাচন ‘১৯ দেশের রায় LIVE রাজ্যের ফলাফল LIVE বিধানসভা নির্বাচনের রায় মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফণীর রেশ এখনও কাটেনি৷ ওড়িশায় ক্ষয়ক্ষতির স্মৃতি আজও দগদগে৷ তারই মাঝে আবার ধেয়ে আসছে প্রবল শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়৷ আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর-পূর্ব ভারতে প্রবল ঝড়বৃষ্টি আছড়ে পড়বে বলেই সতর্কতা জারি করা হয়েছে৷ বাংলাদেশ উপকূল হয়ে আছড়ে পড়তে পারে মায়ানমারেও৷

[আরও পড়ুন: কাজের টোপ দিয়ে ওমানে পাচার, উদ্ধারের পর সুষমাকে ধন্যবাদ হায়দরাবাদের মহিলার]

আবহবিদদের দাবি, ক্রমশই চোখ রাঙাচ্ছে আরও এক ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়। তার প্রভাব পড়বে অসম, মেঘালয়, নাগাল্যান্ড, মণিপুর, মিজোরাম ও ত্রিপুরায়। প্রবল শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের জেরে বজ্রবিদ্যুৎ‍-সহ ঝড় ও প্রবল বৃষ্টি হতে পারে। ঘণ্টায় ৭০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইবে বলে মনে করছেন আবহবিদরা। আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর-পূর্ব ভারতে ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়বে বলে সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দপ্তর। বাংলাদেশের চট্টগ্রামের কাছে খেপুপারা এবং টেকনাফের মধ্যে দিয়ে ঘূর্ণিঝড় মায়ানমারে প্রবেশ করবে। আগামী তিন দিন উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতে ভারী ঝড়বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। মৎস্যজীবীদের মাছ ধরতে যাতায়াতের ক্ষেত্রেও জারি হয়েছে নিষেধাজ্ঞা৷ নাগাল্যান্ড প্রশাসনের তরফে সাধারণ মানুষকে প্রাকৃতিক দুর্যোগের জন্য তৈরি থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷

[ আরও পড়ুন: ‘ঐতিহাসিক সত্য বলেছি’, গডসেকে ‘সন্ত্রাসবাদী’ বলা নিয়ে সাফাই কমল হাসানের]

চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে ওড়িশায় আছড়ে পড়ে ঘূর্ণিঝড় ফণী৷ আবহবিদদের সতর্কতা এবং প্রশাসনিক আধিকারিকদের তৎপরতা সত্ত্বেও এড়ানো যায়নি প্রাণহানি৷ ৪৩ বছরের সবচেয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের ছোবলে প্রাণহানি হয়েছে ষাটেরও বেশি মানুষের৷ ওড়িশার উপকূলবর্তী এগারোটি জেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে৷ বিভিন্ন জায়গায় গাছও উপড়ে গিয়েছে৷ ভেঙে গিয়েছে বিদ্যুতের খুঁটি৷ ফণী পরবর্তী অবস্থায় ওড়িশার উপকূলবর্তী এলাকার বাসিন্দারা প্রায় আটদিন বিদ্যুৎহীন অবস্থায় ছিলেন৷ এরপর তা অভিমুখ বদল করে বাংলায় ঢুকে পড়ে৷ যদিও প্রবল শক্তি হ্রাস হওয়ার ফলে সেভাবে বঙ্গে কোনও প্রভাব ফেলতে পারেনি ঘূর্ণিঝড়৷ মেদিনীপুরে সামান্য ক্ষয়ক্ষতির পর তা মোড় নেয় বাংলাদেশের দিকে৷ শক্তি কমে গেলেও ফণীর প্রভাবে ওপার বাংলার অন্তত ১৬জনের মৃত্যু হয়েছে৷ ভেঙে গিয়েছে বেশ কয়েকটি বাড়ি এবং গাছপালা৷  

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং