Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Delhi High Court

বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে ধর্ষণের অভিযোগ আনতে পারেন না বিবাহিত মহিলারা: দিল্লি হাই কোর্ট

লিভ ইন পার্টনারের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ আনা যাবে না।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৩, ১৪:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৩, ১৪:১৩

options
link
বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে ধর্ষণের অভিযোগ আনতে পারেন না বিবাহিত মহিলারা: দিল্লি হাই কোর্ট zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কোনও বিবাহিতা মহিলা তাঁর লিভ ইন পার্টনারের বিরুদ্ধে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ আনতে পারবেন না। একটি মামলার প্রেক্ষিতে এই মন্তব‌্য করল দিল্লি হাই কোর্ট (Delhi High Court)। আদালতের অভিমত, অন‌্য ব‌্যক্তির সঙ্গে বিবাহিত প্রাপ্তবয়স্ক কোনও মহিলা এই ধরনের অভিযোগের ক্ষেত্রে আইনি সুরক্ষা দাবি করতে পারেন না। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগের ক্ষেত্রে অভিযোগকারিণীকে ‘একক’ হতে হবে। অর্থাৎ যিনি কাউকে বিয়ে করার জায়গায় রয়েছেন এমন ব‌্যক্তিরই বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ আনার যোগ‌্যতা রয়েছে বলে প্রকারান্তরে অভিমত আদালতের।

বিচারপতি স্বর্ণকান্ত শর্মা বলেন, “যদি কোনও প্রাপ্তবয়স্ক অবিবাহিত ব‌্যক্তি কারও সঙ্গে এই বিশ্বাসে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হতে পারেন, সে ক্ষেত্রে মনে করা যেতে পারে যে বিবাহের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ওই সম্পর্ক স্থাপন করা হয়েছিল। কিন্তু ওই মানুষটি কারও সঙ্গে বিবাহের সম্পর্কে থাকলে এই বিবাহের মিথ‌্যা প্রতিশ্রুতির যুক্তি কার্যকর হতে পারে না।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: নতুন সংসদ ভবন আসলে মোদি মাল্টিপ্লেক্স! জয়রাম রমেশের খোঁচা ঘিরে শোরগোল]

বিচারপতি বলেন, “ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৬ ধারা অনুযায়ী এই সুরক্ষা বা নিরাপত্তা সেই দাবি করতে পারেন যিনি আইনত ওই ব‌্যক্তির সঙ্গে বিয়ে করার পরিস্থিতিতে রয়েছেন। আইনত বিয়ে করতে পারেন না এমন কেউ এই সুরক্ষার দাবিদার নন।” একটি মামলা, যেখানে লিভ ইনে থাকা দুই ব‌্যক্তিই অন‌্য পুরুষ ও নারীর সঙ্গে বিবাহিত ছিলেন। পরে সেই মহিলা অভিযোগ করেন, তাঁর সঙ্গী পুরুষটি তাঁকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ধর্ষণ করেন। যদিও মামলার পর্বে জানা যায় মহিলা বিবাহিত এবং তাঁর বিচ্ছেদের মামলা চলছে। পুরুষটি প্রাথমিকভাবে নিজেকে অবিবাহিত বলে দাবি করেছিলেন বলে অভিযোগ। সেই মামলাতেই এই অভিমত দিয়েছে দিল্লি হাই কোর্ট।

[আরও পড়ুন: ছন্দে ফিরছে মণিপুর, ১০০ দিন পর চালু ইন্টারনেট পরিষেবা]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.