Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
COVID-19 Bihar

ডাক্তার বন্ধু ফোন ধরছেন না, বিহারে করোনা সংকটে দিশেহারা বিজেপি রাজ্য সভাপতিও

সেখানে ১ মাসে অ্যাকটিভ করোনা রোগীর সংখ্যা বেড়েছে ৫০ গুণ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১, ২০২১, ১৮:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১, ২০২১, ১৮:৪৬

options
link
ডাক্তার বন্ধু ফোন ধরছেন না, বিহারে করোনা সংকটে দিশেহারা বিজেপি রাজ্য সভাপতিও zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ক্রমেই খারাপ হচ্ছে বিহারের (Bihar) করোনা (Coronavirus) পরিস্থিতি। গোটা দেশেই করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের আঘাতে রাজ্যগুলি কমবেশি ক্ষতিগ্রস্ত। ব্যতিক্রম নয় বিহারও। পরিস্থিতি কতটা খারাপ তা বোঝাতে বিহারের বিজেপি (BJP) সভাপতি সঞ্জয় জওসওয়ালের দাবি, পাটনায় তাঁর ঘনিষ্ঠ যে ডাক্তার বন্ধুরা রয়েছেন তাঁরাও কেউ তাঁর ফোন ধরছেন না।

প্রসঙ্গত, বিজেপি সাংসদ সঞ্জয় জওসওয়াল নিজেও একজন চিকিৎসক। তিনি মনে করছেন, মাস্ক না পরা কিংবা সামাজিক দূরত্ব না মানাই শেষ পর্যন্ত করোনার হাত থেকে বাঁচার সেরা উপায়। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক ভাবে অধিকাংশ বিহারবাসীই মারণ ভাইরাসের ভয়াবহ এই বিপদটিকে বুঝতে চাইছেন‌ না। এই উদাসীনতাই এখন গলায় ফাঁস হয়ে বসছে। তাঁর নিজের চেনা বহু মানুষ গত ২ সপ্তাহে করোনার থাবায় প্রাণ হারিয়েছেন বলেও জানান জওসওয়াল‌।

Advertisement

[আরও পড়ুন : জুলাইয়ের আগে বেসরকারি হাসপাতালে টিকা পাবেন না ১৮ ঊর্ধ্বরা, জানিয়ে দিল সেরাম]

পরিস্থিতি কতটা খারাপ হয়েছে সেকথা বলতে গিয়ে ফেসবুকে করা এক পোস্টে তিনি জানাচ্ছেন, ‘‘অবস্থা এমনই দাঁড়িয়েছে যে, আমার এক ঘনিষ্ঠ ডাক্তার বন্ধু যে পাটনায় রয়েছে সে আমার ফোনই ধরছে না। কেননা ও কোনও রকম সাহায্যই করতে পারবে না। গত দু’সপ্তাহের মধ্যেই কত চেনা মানুষকে যে হারালাম।’’

ওই দীর্ঘ পোস্টে জয়সওয়াল জানিয়েছেন, কীভাবে নিজের সংসদ কেন্দ্র চম্পারণে তাঁরা অতিরিক্ত বেড ও অক্সিজেনের ব্যবস্থা করেছেন। কিন্তু তাতেও যে বিশেষ সুবিধা হচ্ছে না সেকথাও জানিয়েছেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘‘ সম্প্রতি আমরা চম্পারণে অতিরিক্ত বেড ও অক্সিজেনের বন্দোবস্ত করেছিলাম কোভিড রোগীদের বাঁচানোর জন্য। কিন্তু তাও এখন কম পড়ে গিয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি বেতিয়ায় বেডের সংখ্যা বাড়িয়ে ৯০ করতে।’’ রাতারাতি সংক্রমণের মাত্রা ৩০ শতাংশ বেড়ে যাওয়াতেই যে পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে তা জানিয়েছেন তিনি। তবে সেই সঙ্গে বিজেপি সাংসদ জানিয়েছেন, তাঁরা লড়াই ছাড়ছেন না। আপ্রাণ চেষ্টা করছেন কী করে পরিস্থিতি শুধরানো যায়।

প্রসঙ্গত, দেশের মোট করোনা সংক্রমণের ৭৮.১৮ শতাংশই দেশের ১১টি রাজ্যের বাসিন্দা। এই রাজ্যগুলির অন্যতম বিহার। সেখানে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা ১ লক্ষের কাছাকাছি। যা মাসের শুরুর সংখ্যার থেকে প্রায় ৫০ গুণ বেশি!

[আরও পড়ুন : উধাও চালক, মধ্যপ্রদেশে পথের ধারে পরিত্যক্ত ট্রাকে মিলল প্রায় আড়াই লক্ষ টিকার ডোজ!]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.