সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে বড় জয় পেল গেরুয়াপন্থী ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ বা এবিভিপি৷ সূত্রের খবর, আরএসএস প্রভাবিত এই সংগঠনের ঝুলিতে গিয়েছে ছাত্র সংসদের তিনটি শীর্ষ পদ৷ সভাপতি, সহ-সভাপতি ও সহ-সচিব পদ দখল করেছে এবিভিপি৷
Akhil Bharatiya Vidyarthi Parishad (ABVP) leading on all 4 seats in the Delhi University Students’ Union (DUSU) elections, as per initial trends. pic.twitter.com/BAqTVbFEoX
Advertisement— ANI (@ANI) September 13, 2019
[ আরও পড়ুন: মাথায় হোর্ডিং পড়ে মৃত তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী, কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি মাদ্রাজ হাই কোর্টের ]
জানা গিয়েছে, সভাপতি পদে জয় লাভ করেছেন অক্ষিত দাহিয়া৷ সহ-সভাপতি পদে বিজয়ী হয়েছেন প্রদীপ তানওয়ার এবং সহ-সচিব পদে জিতেছেন শিবাঙ্গী খারওয়াল৷ চারটি শীর্ষ পদের মধ্যে একটিতে জয় লাভ করেছে কংগ্রেস প্রভাবিত ছাত্র সংগঠন ন্যাশনাল স্টুডেন্টস ইউনিয়ন অফ ইন্ডিয়া বা এনএসইউআই৷ সচিব পদে জিতেছেন এই সংগঠনের আশিষ লাম্বা৷ নিটকতম প্রতিদ্বন্দ্বী এবিভিপির যোগী রথিকে ২০৫৩ ভোটে পরাজিত করেছেন তিনি৷ দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর, শুক্রবার নির্ধারিত সময় সকাল ৮টা ৩০ মিনিটের কয়েক ঘণ্টা পর থেকে ভোট গণনা শুরু হয়৷ ভোট বাক্স খুলতেই দেখা যায় এবিভিপির জয়জয়কার৷
[ আরও পড়ুন: ‘মুখ ফসকে ভুল বলেছি’, মাধ্যাকর্ষণ নিয়ে বেফাঁস মন্তব্যের স্বীকারোক্তি পীযূষের ]
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষ্ঠিত হয় ছাত্র সংসদের নির্বাচন৷ মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক অশোক প্রসাদ জানান, উত্তর-পূর্ব দিল্লির কিংসওয়ে ক্যাম্পের পুলিশ লাইনে নির্লাচন অনুষ্ঠিত হয়৷ এবারের নির্বাচনের জন্য ৫২টি পোলিং স্টেশন তৈরি হয়৷ এবারের ভোটে রেকর্ড সংখ্যক পড়ুয়া অংশগ্রহণ করেন৷ সূত্রের খবর, এবার ৩৯.৯০ শতাংশ পড়ুয়া নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন৷ ২০১৮-র নির্বাচনে যে সংখ্যাটি ছিল ৪৪.৪৬ শতাংশ৷
সর্বশেষ খবর
-
রবিবার হচ্ছে না ভারত-আফগানিস্তান প্রথম টি-টোয়েন্টি! বড়সড় সিদ্ধান্ত দিল্লি পুলিশের
-
যুদ্ধের পর জনশূন্য, ৬৪ বছর বাদে পর্যটনের হাত ধরে বেঁচে উঠতে চলেছে উত্তরাখণ্ডের ভূতুড়ে গ্রাম
-
পৃথিবী যেন আগুনের গোলা! বিশ্বের সর্বকালীন রেকর্ড ভেঙে ‘উষ্ণতম মাস’ আগস্ট
-
কৌশিকী অমাবস্যায় কালীঘাট মন্দিরে পুজো মুখ্যমন্ত্রীর, আমিষ বিতর্ক সরিয়ে মাছ দিয়ে খেলেন ভোগ
-
মুখ-কাঁধ নড়তেই থাকে, চাইলেও থামানো যায় না! ‘ট্যুরেট সিনড্রোম’ চিনবেন কীভাবে?