Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
ধর্ষণ

মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে পুত্রবধূকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত বিজেপির প্রাক্তন বিধায়ক

তদন্ত শুরু করলেও অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেনি পুলিশ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১১, ২০১৯, ১০:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১১, ২০১৯, ১০:১৩

options
link
মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে পুত্রবধূকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত বিজেপির প্রাক্তন বিধায়ক zoom
ছবি প্রতীকী

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পুত্রবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে কাঠগড়ায় বিজেপির প্রাক্তন বিধায়ক মনোজ শোকিন৷ তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করল পুলিশ। ধর্ষণের পর মুখ না খোলার জন্য মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে বিধায়ক হুমকিও দেয় বলে অভিযোগ নির্যাতিতার। ঘটনাটি গত বছর ৩১ ডিসেম্বর রাতে ঘটলেও বৃহস্পতিবার পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ জানান ওই মহিলা। অভিযুক্ত মনোজ শোকিন দিল্লির নাঙ্গলোই বিধানসভা কেন্দ্রের দু’বারের প্রাক্তন বিধায়ক।

[আরও পড়ুন: রাইফেল ধরা হাতে স্নেহস্পর্শ, কাশ্মীরে মহিলা জওয়ান-শিশুর করমর্দনের ছবি ভাইরাল]

পুলিশের কাছে দায়ের করা এফআইআরে নিগৃহীতা জানিয়েছেন, বর্ষশেষের রাতে স্বামী, ভাই ও তুতো সম্পর্কের ভাইবোনদের সঙ্গে তিনি বাপের বাড়ি থেকে মীরা বাগের শ্বশুরবাড়ি যান। সেখান থেকে তাঁকে নিয়ে দিল্লির পশ্চিম বিহার এলাকার একটি হোটেলে যান তাঁর স্বামী। সেখানে আগে থেকেই বর্ষবরণ উদযাপনের জন্য বেশ কয়েকজন আত্মীয় উপস্থিত ছিলেন। পার্টি শেষে সেখান থেকে তাঁরা রাত সাড়ে বারোটা নাগাদ ফের শ্বশুরবাড়ি যান। অভিযোগকারিণীকে মীরা বাগের বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে তাঁর স্বামী বন্ধুদের সঙ্গে বেরিয়ে যান। এরপরই নিজের ঘরে ঘুমাতে চলে যান ওই মহিলা।

Advertisement

Manoj Shokeen, BJP

অভিযুক্ত বিজেপি নেতা মনোজ শোকিন

কিছুক্ষণ পর রাত দেড়টা নাগাদ তাঁর শ্বশুর এসে দরজায় কড়া নেড়ে ঘরে ঢোকেন। কিছু জরুরি কথা বলার অছিলায় আপত্তিকরভাবে তাঁর গায়ে হাত দিতে থাকেন। এর প্রতিবাদ করে অভিযুক্তকে নিজের ঘরে যেতে বলেন নির্যাতিতা। কিন্তু পকেট থেকে রিভলভার বের করে তাঁকে ভয় দেখান প্রাক্তন বিধায়ক। মারধরও করেন। চেঁচামেচি করলে মহিলার ভাইকে খুন করার হুমকি দেন। বাধ্য হয়ে চুপ করে যান নির্যাতিতা। এরপরই অভিযুক্ত তাঁকে জোর করে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ।ওই ঘটনার সময় অভিযুক্ত প্রাক্তন বিধায়ক মদ্যপ ছিলেন বলেও জানিয়েছেন নির্যাতিতা। তিনি আরও জানান, নিজের ভাইকে বাঁচাতে প্রথমে মুখ খোলেননি। কিন্তু, পরে সত্যি ঘটনা সবাইকে জানানোর জন্য মুখ খোলার সিদ্ধান্ত নেন।

[আরও পড়ুন: ইদ ও স্বাধীনতা দিবসের মধ্যে জঙ্গি হামলার আশঙ্কা, কাশ্মীরে জারি চরম সতর্কতা]

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। দোষী সাব্যস্ত হলে অপরাধীর বিরুদ্ধে উপযুক্ত আইনি পদক্ষেপ করা হবে। এর আগেও ওই মহিলা শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে পারিবারিক নির্যাতনের অভিযোগ জানিয়েছিলেন। সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.