Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
পরিযায়ী শ্রমিক

গুনতে হচ্ছে পুরো ট্রেন ভাড়া, সরকারি ‘প্রতারণায়’ ক্ষুব্ধ পরিযায়ী শ্রমিকরা

অভিযোগ, পুণে থেকে বিহারগামী শ্রমিক স্পেশ্যালের বারোশ শ্রমিককে ৭৪৫ টাকা করে ভাড়া দিতে হয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৯, ২০২০, ১৩:৪৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৯, ২০২০, ১৩:৪৪

options
link
গুনতে হচ্ছে পুরো ট্রেন ভাড়া, সরকারি ‘প্রতারণায়’ ক্ষুব্ধ পরিযায়ী শ্রমিকরা zoom
ফাইল ফটো
Advertisement

সুব্রত বিশ্বাস: মুখে এক তো কাজে অন্য। কেন্দ্রের এই দ্বিচারিতায় ক্ষুব্ধ পরিযায়ী শ্রমিকরা। কথা ছিল, শ্রমিকদের বাড়ি ফেরাতে ট্রেন টিকিটের ৮৫ শতাংশ দেবে কেন্দ্র, বাকি ১৫ শতাংশ মেটাবে রাজ্য। অভিযোগ, এমন ঘোষণার পরও শ্রমিকদের পুরো ট্রেন ভাড়া গুনতে হচ্ছে।

[আরও পড়ুন: করোনার মার, আর্থিক ধাক্কা সামলাতে ১২ লক্ষ কোটি টাকা ঋণ নেবে কেন্দ্র]

বৃহস্পতিবার মহারাষ্ট্রের পুণে থেকে বিহারগামী শ্রমিক স্পেশ্যালে সফর করা প্রায় বারোশ শ্রমিককে ৭৪৫ টাকা করে ভাড়া দিতে হয়েছে। ‘সংবাদ প্রতিদিন’ কে শ্রমিকরা অভিযোগের পাশাপাশি ট্রেনের ইউটিএস টিকিটের ছবিও পাঠান। বিহারবাসী স্বপন হালদার পুনের প্রত্যন্ত অঞ্চলে কাজ করেন। প্রবাসে কর্মহীন হয়ে পড়ায় বিহারে ফিরছিলেন তিনি। হাতে বিশেষ টাকাপয়সা না থাকলেও পুনে স্টেশনে এসে তাঁদের টিকিট কাটতে হয়। ৭৪৫ টাকা করে প্রত্যেককে দিতে হয়েছে। স্বপনবাবু জানতেন, টিকিট লাগবে না। তা সত্ত্বেও টিকিট না কেটে ট্রেনে চড়া যাবে না বলে আধিকারিকরা জানানোর পর অতি কষ্টে সবাই টিকিট কাটেন। স্থানীয় কংগ্রেস এটাকে কেন্দ্রের দ্বিচারিতা বলে ব্যাখ্যা করেছে। তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়, পরিযায়ী শ্রমিকদের ভাড়া কংগ্রেস দল দিতে চাইলে কেন্দ্র সরাসরি ঘোষণা করে, ৮৫ শতাংশ কেন্দ্র দেবে, বাকি রাজ্য। এর পরেও এহেন কার্যকলাপে তীব্র সমালোচনা ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অবশ্য বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, মহারাষ্ট্র, রাজস্থান ও কেরালায় বিরোধী শাসিত অঞ্চলগুলিতে টিকিটের ভাড়া নেওয়া হচ্ছে।

Advertisement

ticket

গত সোমবার উত্তরপ্রদেশে আসা সব ট্রেনের যাত্রীদের থেকে ৬৫৫ টাকা ভাড়া নেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। এদিকে, পরিযায়ী শ্রমিকদের ফেরাতে রেলের পক্ষ থেকে ঘোষিত নীতি কিছুটা শিথিল করা হয়েছে। এবার ট্রেনে চড়তে মেডিক্যাল সার্টিফিকেট লাগবে না। রাজ্যের পক্ষ থেকে ছাড় থাকলে খলি টেস্ট করা হবে বলে রেল সূত্রে জানা গিয়েছে। তবে নিরাপদ দূরত্ব, মাস্ক ইত্যাদি ব্যবহার করতে হবে। উল্লেখ্য, গত শুক্রবার হেঁটে মহারাষ্ট্র থেকে মধ্যপ্রদেশের বাড়িতে ফেরার চেষ্টা করেছিলেন শ্রমিকদের একটি দল। দীর্ঘ পথ হাঁটার পর ক্লান্তির জেরে ভোরের দিকে রেলট্র্যাকের উপরেই তাঁরা ঘুমিয়ে পড়েন। সেসময়ই ঘটে যায় বিপত্তি। ঔরঙ্গাবাদের কাছে একটি মালগাড়ির ধাক্কায় ১৬ জনের মৃত্যু হয়  ঘটনাস্থলে। জখম হন অন্তত ৫ জন। ঘটনার খবর পেয়ে সেখানে যান রেল আধিকারিকরা। দেওয়া হয় তদন্তের নির্দেশ।

[আরও পড়ুন: ৪০০ কোটি টাকা নিয়ে ফেরার একাধিক ব্যবসায়ী! চার বছর পর অভিযোগ SBI-এর]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.