২৭ আশ্বিন  ১৪২৬  মঙ্গলবার ১৫ অক্টোবর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অবশেষে জামিন পেলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরমের ছেলে কার্তি চিদম্বরম। দশ লক্ষ টাকা বন্ডের বিনিময়ে তাঁর অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর করল দিল্লি হাই কোর্ট। সেই সঙ্গে কার্তিকে এখন দেশের বাইরে না যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কোনওভাবে সাক্ষীদের প্রভাবিত করা বা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ক্লোজ করা থেকেও বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

[  সংসদ অচল, তবে সাংসদ ভাতা বাড়াতে সরকারকে ‘পূর্ণ সমর্থন’ বিরোধীদের ]

আইএনএক্স মিডিয়া মামলায় দুর্নীতির অভিযোগ ছিল কার্তির বিরুদ্ধে। বিদেশি বিনিয়োগে প্রভাব খাটানোর অভিযোগে একাধিক বার তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডি ও কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। শেষমেশ ফেব্রুয়ারির শেষে বিদেশ থেকে ফেরার পরই তাঁকে গ্রেপ্তারও করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে অসন্তোষের কারণেই ছিল গ্রেপ্তারি। যদিও চিদম্বরমের অভিযোগ ছিল, তল্লাশি করেও কোনও প্রমাণ পাননি গোয়েন্দারা, তাও গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাঁর ছেলেকে। সহজে জামিন মেলেনি কার্তির। সিবিআই তাঁকে নিজেদের হেফাজতেই রাখতে চেয়েছিল। এদিনও দিল্লি হাই কোর্টে কার্তির আইনজীবী জানান, গোয়েন্দা সংস্থা কার্তির বিরুদ্ধে আনা কোনও অভিযোগই প্রমাণ করতে পারেনি। আমলা গোছের কাউকে সেরকম জিজ্ঞাসাবাদও করেনি। তাহলে কেন কার্তিকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রাখা হবে? এ প্রশ্নের সদুত্তর দিতে পারেনি সিবিআই। উলটে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার অভিযোগ ছিল, প্রভাবশালী তকমা ঘোচাতে কার্তি প্রমাণ নষ্ট করেছেন। যদিও সে অভিযোগ খণ্ডন করেন কার্তির আইনজীবী। উলটে তিনি বলেন, এই মামলায় আরও এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কিন্তু সিবিআই চাইছে শুধু কার্তিকে বন্দি করে রাখতে। তা কোনওভাবেই কাম্য নয়। তাছাড়া তাঁর অভিযোগ, তাঁর মক্কেলের সঙ্গে একটি প্রাইভেট কোম্পানির যোগসূত্র স্থাপনের চেষ্টা করছে সিবিআই। সেই সংস্থাটির বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ আছে। কিন্তু কার্তি কোনওভাবেই ওই সংস্থার সঙ্গে যুক্ত নয়। এরপরই দিল্লি হাই কোর্ট কার্তির অন্তবর্তী জামিন মঞ্জুর করে।

[  নাগরিক হওয়ার প্রমাণ দেয় না আধার, সুপ্রিম কোর্টে কবুল UIDAI কর্তৃপক্ষের ]

প্রভাব খাটিয়ে, ঘুষের বিনিময়ে আইএনএক্স মিডিয়ার বিদেশি বিনিয়োগে সহায়তা করার অভিযোগ ছিল কার্তির বিরুদ্ধে। সে সময় কেন্দ্রের অর্থমন্ত্রী ছিলেন পি চিদম্বরম। যদিও প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী বারবার বলেছেন, স্রেফ রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্যই তাঁর ছেলেকে ফাঁসানো হচ্ছে। একই অভিযোগ করেছিল কংগ্রেসও। কার্তির জামিনে ভোটের আগে তাই খানিকটা স্বস্তিতেই কংগ্রেস শিবির।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং