সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে হওয়া অসমের সাম্প্রতিক সংঘর্ষের নেপথ্যে রয়েছে মুসলিম মৌলবাদী সংগঠন ‘পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া’। এমনটাই চাঞ্চল্যকর দাবি করেছে বিজেপি।
[আরও পড়ুন: দিল্লির আদালতে গ্যাংওয়ার, গুলিবৃষ্টিতে মৃত কমপক্ষে ৬]
বৃহস্পতিবার অসমের দরং জেলায় অনুপ্রবেশকারীদের উচ্ছেদ করা নিয়ে পুলিশের সঙ্গে দখলদারদের ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে অসম (Assam)। বিক্ষোভকরীদের থামাতে গুলি পুলিশ গুলি চালায়। ফলে মৃত্যু হয় দু’জনের । আহত হন বেশ কয়েজন পুলিশকর্মীও। জানা যায়, দরং জেলার ঢলপুরের গরুখুঁটিতে ‘বাংলাদেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারীদের’ উচ্ছেদ অভিযান চালাচ্ছিল পুলিশ। তখনই সংঘর্ষ বাঁধে। সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় দুই প্রতিবাদকারীর। পুলিশের অভিযোগ, তাদের কাজে বাধা দিচ্ছিল দখলদাররা। উচ্ছেদকার্যে বাধা দিতে অতর্কিতে পুলিশের উপরে শুরু হয় পাথর বৃষ্টি। এই ঘটনায় রীতিমতো উত্তপ্ত রাজ্যের রাজনীতি।
শুক্রবার এই ঘটনার প্রেক্ষিতে অসমের বিজেপি সাংসদ দিলীপ শইকিয়া অভিযোগ করেন, এই ঘটনায় হাত রয়েছে পপুলার ফ্রন্টের। তিনি বলেন, “গরুখুঁটিতে যে প্যাটার্ন আমরা দেখেছি তা পপুলার ফ্রন্টের কাজের সঙ্গে মিলে যাচ্ছে। ওই সংগঠনটির উদ্দেশ্য হচ্ছে হিংসা ছড়ানো।” ওই বিজেপি নেতা আরও অঙ্গীত দেন যে ঘটনার নেপথ্যে অন্য রাজনৈতিক বা অরাজনৈতিক সংগঠনও থাকতে পারে।
বলে রাখা ভাল, ব্রহ্মপুত্রের চর অঞ্চলে মূলত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষদের বসবাস। এই অঞ্চলের কৃষিজীবী মানুষদের অনেককেই বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী হিসেবে দাগিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। যদিও স্থানীয়দের অভিযোগ, বাংলাদেশ থেকে অনেক সময়ই অবৈধ অনুপ্রবেশকারীরা এখানে প্রবেশ করলেও বহু সময়ই পরিচয়ের বিভ্রান্তির জেরে রাজ্যের বাসিন্দা কৃষকদেরও পুলিশি জুলুম সইতে হয়। উল্লেখ্য, ২০২০ সালে কর্ণাটকের রাজধানী বেঙ্গালুরুতে ঘটে যাওয়া সাম্প্রদায়িক অশান্তির ঘটনায়
[আরও পড়ুন: অখিল ভারতীয় আখড়া পরিষদের প্রধান নরেন্দ্র গিরির মৃত্যুর তদন্তভার গেল সিবিআইয়ের হাতে]
সর্বশেষ খবর
-
বান্ধবীর বাবার ‘যৌন লালসা’র শিকার তরুণী, গ্রেপ্তার অভিযুক্ত
-
গুলির অবস্থান জানতে ডিজিটাল এক্স রে, ৩ সদস্যের নজরদারিতে বারুইপুরের প্রভাসের ময়নাতদন্ত
-
ভারতীয়দের বিপদ বাড়ছে? এইচ ১বি দুর্নীতিতে ট্রাম্পের ‘সন্দেহভাজন’ তালিকায় কগনিজ্যান্ট!
-
কোথায় হতে পারে ২১ জুলাই পালন? বিকল্প জায়গা জানাতে রাজ্য পুলিশের ডিজির কাছে ঋতব্রত শিবির
-
হরমুজে জাহাজ চলতে দেওয়া হোক, ট্রাম্পের ‘ভয়ংকর হামলা’র পরই সংযত থাকার বার্তা ভারতের