Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Hathras Rape Case

খারিজ জামিনের আবেদন, হাথরাস ষড়যন্ত্র মামলায় জেলেই থাকতে হবে সাংবাদিক সিদ্দিক কাপ্পানকে

কাপ্পানের বিরুদ্ধে বিতর্কিত UAPA ধারায় মামলা করেছে যোগী সরকার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৪, ২০২২, ২০:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৪, ২০২২, ২০:২৭

options
link
খারিজ জামিনের আবেদন, হাথরাস ষড়যন্ত্র মামলায় জেলেই থাকতে হবে সাংবাদিক সিদ্দিক কাপ্পানকে zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মথুরা আদালত তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়েছিল। এবার এলাহাবাদ হাই কোর্টেও খারিজ হয়ে গেল সাংবাদিক সিদ্দিক কাপ্পানের (Siddique Kappan) জামিনের আবেদন। ২ আগস্ট এই মামলার শুনানি শেষ হয়েছিল। অবশেষে বৃহস্পতিবারের শুনানিতে বিচারপতি কৃষ্ণন পহল হাথরাস ষড়যন্ত্র মামলার অন্যতম অভিযুক্ত সিদ্দিকের জামিনের আবেদন খারিজ করার কথা জানালেন।

ঠিক কী অভিযোগ ওই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে? গত বছর ৫ অক্টোবর হাথরসের (Hathras Case) নির্যাতিতার সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার পথে চার সঙ্গী-সহ কাপ্পানকে গ্রেপ্তার করে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। পিএফআই নামক নিষিদ্ধ সংগঠনের সদস্য সন্দেহে মুজফফরনগরের আতিউর রহমান, বাহরাইচের মাসুদ আহমেদ, রামপুরের আলম নামের তিনজনও গ্রেপ্তার হন। পুলিশের দাবি, বাড়ির ঠিকানা-সহ নানা বিষয়ে কাপ্পান মিথ্যা তথ্য দিয়েছিলেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: হাই কোর্টে ধাক্কা ঝাড়খণ্ডের ধৃত বিধায়কদের, সিআইডিকে তদন্ত চালানোর অনুমতি বিচারপতির]

উত্তরপ্রদেশ সরকারের দাবি, পিএফআই (PFI) এবং তাদের ছাত্র শাখার অন্য কর্মীদের সঙ্গে হাথরাস যাচ্ছিলেন কাপ্পান। তাঁদের কাছে আপত্তিকর সামগ্রী ছিল। ওই এলাকার শান্তিভঙ্গ করাই আসল উদ্দেশ্য ছিল কেরলের ওই সাংবাদিকের। কাপ্পানের বিরুদ্ধে বিতর্কিত UAPA ধারায় মামলা করে যোগী সরকার। যার ফলে দীর্ঘদিন জামিন পাননি কেরলের ওই সাংবাদিক। মালয়ালম নিউজ পোর্টাল ‘আঝিমুখমে’ কাজ করার পাশাপাশি ‘ইউনিয়ন অফ ওয়ার্কিং জার্নালিস্টস’ তথা KUWJ-র দিল্লি শাখার সম্পাদকের দায়িত্বও ছিল সিদ্দিকের কাঁধে। পুলিশের দাবি ১৯ বছরের দলিত তরুণীর গণধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় ওই সময় হাথরাসে চরম উত্তেজনা ছিল। সেই সময় সেখানকার আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গ করার চেষ্টা করছিলেন সিদ্দিক। আর তাই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে চার অভিযুক্ত ওই তরুণীকে ধর্ষণ করে। পরে তাঁর মৃত্যু হয় দিল্লির হাসপাতালে। এরপরই তাঁর দেহ মধ্যরাতে গ্রামে ফিরিয়ে এনে পুলিশের তত্ত্বাবধানে গোপনে দাহ করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। তাঁর আত্মীয়রা দাবি করেন, তাঁদের না জানিয়েই শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়েছে। এই ঘটনায় গর্জে ওঠে গোটা দেশ। উত্তরপ্রদেশের নারী নিরাপত্তা নিয়ে সরব হন বহু মানুষ।

[আরও পড়ুন: মিটল ভিসা সমস্যা, নির্ধারিত দিনে আমেরিকাতেই ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ টি-২০, খেলতে পারেন রোহিত]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.