৪ ভাদ্র  ১৪২৬  বৃহস্পতিবার ২২ আগস্ট ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  ধৃত প্রাক্তন বিজেপি বিধায়ক কুলদীপ সেনেগারের বিরুদ্ধে উন্নাও ধর্ষণকাণ্ডে নিগৃহীতার বাবাকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে থাকাকালীন নিগ্রহ ও হত্যার অভিযোগ দায়ের হল দিল্লির আদালতে। অস্ত্র আইনে ২০১৮ সালে মিথ্যা মামলা দায়েরের অভিযোগও উঠেছে সেনেগারের বিরুদ্ধে।

[আরও পড়ুন: এবার সেনাতেও ছাঁটাইয়ের ভাবনা! চাকরি হারাতে পারেন ২৭ হাজার জওয়ান]

বহিষ্কৃত বিধায়ক ও তাঁর সঙ্গীদের বিরুদ্ধে উন্নাওয়ে নিজের বাসভবনে ১৯ বছরের তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের হয়েছে। মিথ্যা মামলায় নির্যাতিতার বাবাকে নিজেদের হেফাজতে নেয় পুলিশ৷ বিচারবিভাগীয় হেফাজতে থাকাকালীন নিগৃহীতা তরুণীর বাবাকে মারধরের পরে হাসপাতালে তাঁর মৃত্যুর জন্যও সেনেগারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়। সেই মামলার তদন্তভার সিবিআইয়ের উপর ন্যস্ত করা হয়। এই ঘটনায় উন্নাওকাণ্ডে অভিযুক্ত বিধায়ক কুলদীপ সেনেগারের বিরুদ্ধে এবার নির্যাতিতার বাবাকে খুনের অভিযোগে চার্জ গঠন করল পুলিশ। মঙ্গলবার দিল্লির এক আদালতে তার বিরুদ্ধে চার্জগঠন হয়। তাতে কুলদীপ সেনেগারের ভাই অতুলকেও অভিযুক্ত করা হয়েছে। অভিযুক্ত করা হয়েছে ৩ পুলিশকর্মীকেও।  

[আরও পড়ুন: ওষুধ কিনতে ৩০ টাকা চেয়েছিলেন স্ত্রী, তালাক দিয়ে বাড়ি থেকে তাড়াল স্বামী]

অভিযুক্ত বিধায়কের বিরুদ্ধে আগেই ধর্ষণের প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে বলে জানায় সিবিআই। ২০১৭ সালে আরেক অভিযুক্ত শশী সিংয়ের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করে সেনেগার তাঁকে ধর্ষণ করেছিল বলে অভিযোগ উন্নাওয়ের নির্যাতিতার। এই অভিযোগের স্বপক্ষে প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি করে তারা। এরপরই কুলদীপ সিং সেনেগার ও তার অনুগামী শশী সিংয়ের নামে চার্জ গঠন হয় আদালতে। এরই মাঝে গত ২৮ জুলাই জেলবন্দি কাকাকে দেখতে দুই কাকিমা ও আইনজীবীর সঙ্গে রায়বরেলি যাচ্ছিলেন উন্নাওয়ের নির্যাতিতা। রাস্তায় উলটোদিক থেকে একটি ট্রাক এসে সজোরে ধাক্কা মারে তাঁদের গাড়িতে। এর জেরে দুর্ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় নির্যাতিতার দুই কাকিমার। তারপর থেকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় লখনউয়ের কিং জর্জ মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে ভরতি ছিলেন নির্যাতিতা ও তাঁর আইনজীবী। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সেখান থেকে তাঁদের এয়ারলিফট করে দিল্লির এইমস হাসপাতালে ভরতি করা হয়। বর্তমানে ওই হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন নির্যাতিতা৷  

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং