সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আগে থেকেই ঠিক ছিল, ভোটের আগে জোট হোক বা না হোক, ভোটের পর মোদি-বিরোধী সব শক্তি একত্রিত হয়ে বিজেপিকে আটকাবে। কিন্তু, ভোট পরবর্তী পরিস্থিতিতে বিরোধীরা আদৌ একত্রিত হতে পারবে কিনা তা নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠে গেল। আগামী ২১ মে মোদি-বিরোধী দলগুলির বৈঠক ডেকেছিলেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। কিন্তু, সেই বৈঠকে নাকি হাজির থাকছেন না এরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।থাকছেন না সমাজবাদী পার্টি সুপ্রিমো অখিলেশ যাদব, বিএসপি নেত্রী মায়াবতীও।
[আরও পড়ুন: ‘১৯৮৮-তেই ব্যবহার করেছি ডিজিটাল ক্যামেরা’, মোদির মন্তব্যে হাসির রোল]
অন্ধ্রপ্রদেশে ভোট মিটতেই ফের মোদি-বিরোধী শক্তিগুলিকে একত্রিত করার কাজ শুরু করেছেন চন্দ্রবাবু নায়ডু। ইতিমধ্যেই কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর সঙ্গে দেখা করছেন নায়ডু। এরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেও দেখা করেছেন তিনি। সূত্রের খবর, চন্দ্রবাবুর উদ্যোগেই রাহুল গান্ধী আগামী ২১ মে, ফলপ্রকাশের ঠিক আগে সব বিরোধী দলকে একত্রিত করে ভোট পরবর্তী রণকৌশল ঠিক করার সিদ্ধান্ত নেন। যদি ত্রিশঙ্কু লোকসভা হয়, তাহলে কীভাবে এগোনো হবে। বা বিরোধী জোটের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী কে হতে পারে এসব নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, সূত্রের খবর এই বৈঠকে হাজির থাকতে রাজি নন, বিরোধী শিবিরের ৩ অন্যতম মুখ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, মায়াবতী এবং অখিলেশ যাদব। চন্দ্রবাবু নায়ডুকে তিন নেত্রী অনুপস্থিতির কথা জানিয়েছেন বলেই সূত্রের খবর। যদিও আরেক সূত্র মারফৎ জানা যাচ্ছে, রাহুলের সঙ্গে বৈঠকে তাঁদের আপত্তি নেই। কিন্তু ফলাফলের আগেই বৈঠকে আপত্তি৷ তিন নেতাই মনে করছেন, ফলাফলের আগে বৈঠকে কোনও সমাধান সূত্র বের হওয়া সম্ভব নয়।
[আরও পড়ুন: তেরঙ্গা চেনেন না রবার্ট বঢরা, ভোট দিয়ে পোস্ট করলেন প্যারাগুয়ের পতাকা]
যদিও, এর পিছনে বৃহত্তর রাজনীতি দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। মনে করা হচ্ছে, মমতা-অখিলেশ-মায়াবতীর মতো শক্তিশালী স্থানীয় নেতারা এখন কংগ্রেসের সঙ্গেও দূরত্ব বজায় রাখার চেষ্টা করছেন। এক বছর আগেও বিরোধীদের মধ্যে যে ঐক্যের ছবি ধরা পড়েছিল, তা এখন অনেকটাই অস্পষ্ট। স্থানীয় রাজনীতির স্বার্থে একে অপরের বিরোধিতা করতে দেখা গিয়েছে মোদি বিরোধী শক্তিগুলিকে। এখন যা পরিস্থিতি তাতে গোটা দেশের রাজনৈতিক মহল তিন ভাগে বিভক্ত। একদিকে এনডিএ, যাতে বিজেপির পাশাপাশি রয়েছে শিব সেনা, জেডিইউ, অকালি দল। অন্যদিকে, ইউপিএ যাতে কংগ্রেসের পাশাপাশি থাকছে এনসিপি, জেডি(এস), ডিএমকে, আরজেডি, জেএমএম, ন্যাশনাল কনফারেন্সের মতো দল। অন্যদিকে, কোনও জোটেই নেই এমন দল তৃণমূল কংগ্রেস, সপা-বসপা, বিজেপি, টিআরএস, টিডিপি, আপ।
সর্বশেষ খবর
-
বৃদ্ধের খাবারে ঘুমের ওষুধের কড়া ডোজ, আলমারি ‘সাফ’ করে গায়েব পরিচারিকা!
-
পরিবর্তনের দুর্গোৎসবে শুধু ‘বড়’ নয়, ‘ছোট’দের পুজোর উদ্বোধনেও মুখ্যমন্ত্রী, তৈরি হচ্ছে তালিকা
-
কলকাতায় বিশ্বকাপারদের হ্যাটট্রিক! ব্রাজিল-উরুগুয়ের পর ফের বিদেশি প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে খেলবে ভারত
-
কলকাতার বধূকে চাকরির লোভ দেখিয়ে বাংলাদেশে পাচার! অবশেষে সীমান্ত পেরিয়ে ফিরলেন মধুমিতা
-
৪ নেতাকে সাসপেন্ড, এক্তিয়ার মনে করিয়ে ডায়মন্ড হারবারের সভানেত্রীকে শোকজ করল বিজেপি!